ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট

উত্তরদক্ষিণ| রবিবার, ১৮ জুলাই ২০২১| আপডেট ১২:১৫

সড়কে গণপরিবহনের চাপ বাড়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী লেনের ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

রোববার (১৮ জুলাই) ভোর রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

অতিরিক্ত যানবাহন ও ঘরমুখো মানুষের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী লেনের ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই এ সড়কের যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গণপরিবহন খুলে দেওয়ার পর থেকেই এ সড়কে প্রতিদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা এলাকা যানজটে স্থবির হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চললেও উত্তরবঙ্গ মুখি গাড়ি আটকে রয়েছে। গণপরিবহন চললেও অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকের ওপরে করে যাতায়াত করছেন।

যানজটের কারণে চালক ও যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ভোগান্তি অনেক বেশি হচ্ছে। এছাড়াও গরু নিয়ে উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করা ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। সড়কেই কেটে যাচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়।

এলেঙ্গা বাসস্টান্ডে যানজটে আটকে থাকা হানিফ পরিবহনের চালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘১৪ দিন বাস বন্ধ থাকার পর ঈদ উপলক্ষে খুলে দিয়েছে। তাও আবার যানজট। এক কিলোমিটার এলাকা আসতে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। ঈদের আগে শুধু ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, সিরাজগঞ্জের নলকা ব্রিজে গাড়ি টানতে না পারায় গাড়ির চাপ বেড়েছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে পশু বহনকারী ট্রাক-পিকআপ ও গণপরিবহনও বের হয়েছে কয়েকগুণ বেশি। যে কারণে সেতুর উভয় পারে গাড়ির চাপ রয়েছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী নুসরাত এদিব লুনা জানান, ঈদে যানজন নিরসনে মহাসড়কে ৬০৩ পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া দুই শতাধিক হাইওয়ে পুলিশ রয়েছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading