ইমরুল কায়েস: আক্ষেপ নাকি সুযোগের অভাব

ইমরুল কায়েস: আক্ষেপ নাকি সুযোগের অভাব

অহিদুর রহমান । মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২ । আপডেট ১৩:৩০

সাকিব-তামিমদের বছর দুয়েক পরেই জাতীয় দলের জার্সী গাঁয়ে উঠে ইমরুল কায়েসের। সে হিসেবে প্রায় এক যুগ পার করেছেন টাইগার শিবিরে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ইমরুল এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ১৩১টি। ভাবা যায়…? এর পেছনের কারন কি। তবে কী ধারবাহিক ছিলেন না এই টপঅর্ডার নাকি সুযোগের বড় অভাব ছিলো তাকে ঘিরে? ইমরুল কায়েসকে নিয়ে নাটকের শেষ ছিলো না নির্বাচকদেরও।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এশিয়া কাপে বোর্ড সভাপতির সরাসরি নির্দেশে আসরের মাঝপথে দলে যোগ দিয়ে খেলেছিলেন দারুণ ম্যাচ জেতা এক ইনিংস। মনে আছে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিমের সাথে সাদা পোশাকের সেই অনবদ্য জুটি ও ১৫০ রানের ওই ইনিংসের কথা। বিপিএলেও আছে কাপ্তান হিসেবে দুবার শিরোপা হাতে নেয়ার রেকর্ড। এতসব সুখস্মৃতি থাকার পরও বারবারই ইমরুল যেনো পর্দার আড়ালেই থেকেছেন। তবে হাল ছাড়েন নি তিনি। বিসিবিও তাকে একেবারেই আড়াল করেন নি। সদ্য আলোর মুখ দেখা বাংলা টাইগার্সের স্কোয়াডে থেকে অনুশীলন করছেন এই ব্যাটসম্যান। ইমরুল আবার জাতীয় দলে ফিরবে, দলও একজন নির্ভরযোগ্য টপঅর্ডার পাবে এটাই প্রত্যাশা। ইমরুলের পরিসংখ্যান কী বলছে দেখে নেয়া যাক।

১৩ বছরে মাত্র ৩৯ টেস্ট: ২০০৮ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে অভিষেক হয় ইমরুলের। অথচ এখন পর্যন্ত মাত্র ৩৯টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। সবশেষ ভারতের বিপক্ষে ২০১৯ সালে এই ফরম্যাটে জাতীয় দলের একাদশে ছিলেন ইমরুল। এখন পর্যন্ত ৩৯ টেস্টের ৭৬ ইনিংসে ২৪.২৮ গড়ে তিনি করেছেন ১৭৯৭ রান। তিনটি শতকের সঙ্গে আছে ৪টি অর্ধ শতকের ইনিংসও।

ওয়ানডেতে পারফরম্যান্স কথা বলে: কিউইদের বিপক্ষে ২০০৮ সালের অক্টোবরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে অভিষেক হয় ইমরুলের। সেই থেকে সবশেষ ২০১৮ সালে এই ফরম্যাটের শেষ ম্যাচটি খেলেছেন তিনি। অথচ এই ১০ বছরে মাত্র ৭৮ ম্যাচেই একাদশে জায়গা পেয়েছেন ইমরুল। ৩২.০২ গড়ে তিনি করেছেন ২৪৩৪ রান। যা তার ব্যাটিং যোগ্যতার দারুণ প্রমাণ দেয়। ওয়ানডেতে ইমরুলের রয়েছে ৪ টি শতক ও ১৬টি অর্ধশতকের ইনিংস।

টি-টোয়েন্টিতে বেহাল: ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট ফরম্যাটে জাতীয় দলের জার্সীতে যেনো বেমানান ইমরুল। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে অভিষেক হয় তার। সবশেষ টি-২০ টি খেলেছেন ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এই ৭ বছরে দলে সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১৪ বার। তবে প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন নিজেকে। ১৪ ম্যাচের ১৩ ইনিংসে ৯.১৫ গড়ে করেছেন মাত্র ১১৯ রান।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading