উগ্র গেরুয়া রাজনীতির আগুনে ছারখার হয়ে যাবে ইন্ডিয়া!
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২ । আপডেট ১২:৩০
বুকার প্রাইজপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট অরুন্ধতী রায়। আমেরিকার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি তিনি ইন্ডিয়ার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বক্তৃতা করেন। তা ছাপা হয় মার্কিন অনলাইন সাময়িকী লিটারেরি হাবে। তার সেই বক্তৃতাটির অংশবিশেষ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন। ভাষান্তর করেছেন সাদিত কবির
আমার এই আলোচনা আমি ইন্ডিয়ার সেই সকল মানুষদের উৎসর্গ করতে চাই যারা বিবেক অনুযায়ী কথা বলার জন্য ইন্ডিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি আছেন। আমি স্মরণ করি তাদের যারা নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার দায়ে এখনও জেলে। আমি স্মরণ করি গোকারাকোন্ডা নাগা (জিএন), সাঁইবাবাসহ সেসব পণ্ডিত, অ্যাক্টিভিস্ট, সংগীতশিল্পী ও আইনজীবীদের, যাদের ভিম কোরিগাঁ ১৬ বলে ডাকা হয় তাদের।
ইন্ডিয়ায় ভিন্নমত পোষণ করা মানেই অপরাধী: ইন্ডিয়ায় এখন যারাই ভিন্নমত পোষণ করছে তাদেরকেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। ক’দিন আগেও ভিন্নমতাবলম্বীদের বলা গতো দেশবিরোধী। এখন তাদের প্রকাশ্যে বুদ্ধিজীবী সন্ত্রাসী আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। মানুষকে বছরের পর বছর ধরে বিনা বিচারে আটকে রাখা হচ্ছে সেই ভয়ংকর আনলফুল অ্যাকটিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্টে (ইউএপিএ)। এই অ্যাক্ট কিছুদিন পূর্বে বর্তমান সরকার সংশোধন করে শুধুমাত্র যাদের সন্ত্রাসী বুদ্ধিজীবী মনে করেন তাদের শায়েস্তা করার জন্য। আমাদের সকলকে মাওবাদী বলে চিহ্নিত করা হয়েছে আমরা নাকি আরবান নকশাল বা জেহাদি। আমি নয়াদিল্লি ছেড়েছি মাত্র কয়েকদিন হয়েছে। এই কয়েক দিনে, সেখানে ঘটে যাওয়া ঘটনার গতিবেগ স্পষ্ট করে যে আমরা এক ধরণের ক্রান্তি অতিক্রম করেছি। আমরা আমাদের গন্তব্যে আর ফিরে যেতে পারি নি।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপির জয় এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস: ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে গত মার্চে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনকেই আগামী ২০২৪ সালে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের সেমিফাইনাল বলে ধরা হয়। সেখানে বিজেপি নজিরবিহীনভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে। এ বিজয় বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জোগান দিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই, হিন্দুরা রাম নবমী উৎসব উদযাপন করেছে, যা এই বছর রমজানের সাথে মিলে গেছে। রাম নবমী উপলক্ষে, উগ্র হিন্দু জনতা তলোয়ার ও লাঠি নিয়ে সজ্জিত এগারোটি শহরে তাণ্ডব চালায়। তারা প্রকাশ্যে মুসলিম মহিলাদের ধর্ষণ ও গর্ভধারণের জন্য এবং মুসলিম পুরুষদের গণহত্যার আহ্বান জানায়। কিন্তু মুসলিমরা যখন এর প্রতিবাদ করতে গেছে তখন তাদের সম্পত্তি হয় সরকারি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুবা জনতার দ্বারা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের প্রায় সবাই মুসলিম; তাদের বিরুদ্ধে দাঙা লাগানোর ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সম্ভবত এ অভিযোগে তাদের বছরের পর বছর জেলে থাকতে হবে।

উস্কানি দিয়েও খালাস বিজেপি নেতারা: এদিকে ২০২০ সালের দিল্লির গণহত্যার আগে যে বিজেপি নেতারা হিন্দু দাঙ্গাকারীদের উস্কানি দিয়েছিল সম্প্রতি তাদের দিল্লি হাইকোর্ট ওই অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছে এই বলে যে, যখন কেউ হাসতে হাসতে কোনো উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড করে তখন তা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না। ওই খালাসপ্রাপ্তরা এখন এলাকায় ফিরে আবারও একই অপকর্ম করে যাচ্ছে। কিন্তু এ বিজেপি নেতাদের যখন খালাস দেওয়া হয় তখন তরুণ মুসলিম স্কলার ওমর খালিদ জেলে পচে মরছেন। সিএএবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি সংবিধানকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও অহিংসার কথা বলেছিলেন। তবে পুলিশ বলেছে, এটা ছিল ওমরের একটা ছল মাত্র; এর আড়ালে নাকি তিনি দাঙ্গায় উস্কানি দিয়েছেন। পুলিশের কথা মানলে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইন্ডিয়া সফরের সময় মুসলমানরাই দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য দাঙ্গা করে নিজেরা নিজেদের খুন করেছে।
পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি নরেন্দ্র মোদিকে: এগুলো করেও নরেন্দ্র মোদি, ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার মাধ্যমে মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালানোর পর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে যাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি, এখনও এক প্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পূজিত হচ্ছেন। প্রায়ই নীরব থাকলেও অনেক সময় তিনিই যুদ্ধের ডাক দিয়ে যাচ্ছেন। ওই জনতার কাছে মোদি একদিকে হলেন ত্রাতা, আরেকদিকে পবিত্র মানুষ, যে জনতাকে তৈরি করা হয়েছে ধারাবাহিকভাবে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভুল ইতিহাস পড়িয়ে পড়িয়ে।
তর্ক যখন শেষ হয় তখন শুরু হয় যুদ্ধ: আমরা বর্তমানে সেই বিপজ্জনক জায়গায় আছি যেখানে এমন কোন তথ্য বা ইতিহাস নেই যার সাথে আমরা একমত হতে পারি বা তর্ক করতে পারি। এটা মিথ বনাম ইতিহাস। মিথটি রাষ্ট্রীয় যন্ত্রপাতি, কর্পোরেট অর্থ এবং অগণিত ২৪ ঘন্টার টেলিভিশন নিউজ চ্যানেল দ্বারা সমর্থিত। এর নাগাল ও ক্ষমতা তুলনাহীন। পৃথিবী আগেও এখানে ছিল, এবং আমরা জানি যে যখন বিতর্ক এবং তর্ক শেষ হয়, তখন একটি যুদ্ধ শুরু হয়।
সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বয়কট করা হচ্ছে মুসলমানদের: ইন্ডিয়ায় মুসলমানরা এখন একঘরে জীবনযাপন করছে। তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বয়কট করা হচ্ছে। মুসলমানদের নিয়মিতভাবে লাভ জেহাদ (মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য হিন্দু মহিলাদের তাদের প্রেমে পড়ার ষড়যন্ত্র), করোনা জেহাদ (ইচ্ছাকৃতভাবে কোভিড ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র, নাৎসিরা কীভাবে ইহুদিদের ইচ্ছাকৃতভাবে টাইফাস ছড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেছিল তার একটি রিপ্লে) এর জন্য অভিযুক্ত করা হয়। এর সঙ্গে আরও রয়েছে জব জেহাদ (সিভিল সার্ভিসে চাকরি পাওয়ার ষড়যন্ত্র এবং হিন্দু জনসংখ্যার উপর শাসন করা) – খাবার জেহাদ, পোশাক জেহাদ, চিন্তা জেহাদ, হাসি জেহাদ ইত্যাদি। এসবের বিরুদ্ধে সামান্য কোনো উচ্চবাচ্য করলে মুসলমানকে গণপিটুনিতে খুন হতে হচ্ছে, যদিও হত্যাকারীরা ফুলের মালা দিয়ে তখন বরণ করা হয়।

সামাজিক বন্ধনকে ধ্বংস করে আগ্রাসী করা হচ্ছে: ইন্ডিয়ার সংবিধান এখানকার বহু ধর্মের, বহু ভাষার, বহু বর্ণের, বহু নৃগোষ্ঠীর এবং জাতিসত্তার মানুষকে একটা সামাজিক বন্ধনে বেঁধে রেখেছে। আর এর ফলেই একটা দেশ হিসেবে, একটা আধুনিক জাতিরাষ্ট্র হিসেবে ইন্ডিয়া এখনও টিকে আছে। এখানে প্রত্যেক ইন্ডিয়ান কোনো না কোনোভাবে একটা সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ফলে আমাদের দেশটা সংখ্যালঘুদের মধ্যকার একটা সামাজিক বন্ধনের ফসল। কিন্তু এখন রাজনৈতিকভাবে একটা সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠী তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে ওই সামাজিক বন্ধনকে ধ্বংস করে কৃত্রিমভাবে একটা ‘সংক্ষুব্ধ হিন্দু সংখ্যাগুরু’ গঠন করা হচ্ছে; তাদের বোঝানো হচ্ছে যে সাধারণভাবে যাকে হিন্দু জাতি বলা হচ্ছে তাদের মধ্যে তোমরাই হলে সে জনগণ, যারা জাতির শত্রু বলে বিবেচিত ‘অপর’-এর বিপরীতে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য। অর্থাৎ ইন্ডিয়ার এখানেই সমাপ্তি।
ঘৃণার আগুন গোটা দেশকেই পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে: আমাদের এখন একটাই করণীয়; হয় সর্বজনীন ন্যায়বিচার অর্জন ও যন্ত্রণাকে ঝেরে ফেলার লক্ষ্যে কাজ করা এবং যা আমাদের যৌথ স্মৃতিকে মুছে দিতে চায় তাকে ঘৃণা করা নতুবা তাকে আরও বাড়িয়ে দেওয়া। ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, তার নেতৃত্বাধীন দলটি এবং তার মাতৃসংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘও (আরএসএস) যে ফ্যাসিবাদী সংস্থাটির তিনিও একজন সদস্য- ওই ঘৃণাকে আরও বাড়ানোর পক্ষে। তারা যে ঘৃণার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে তা শুধু তাদের তৈরি পথে এগোবে না; এটা গোটা দেশকেই পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে। ইতোমধ্যে সে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে। এ আগুনে শুধু ইন্ডিয়া ও কাশ্মীরের মুসলমানরা পুড়ছে না, খ্রিষ্টানরাও তা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। শুধু গত বছরে শত শত চার্চের ওপর হামলা হয়েছে, যিশুর মূর্তিকে অপমান করা হয়েছে, পাদ্রি ও নানেরা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন। ইন্ডিয়ায় এ ঘৃণার বিরুদ্ধে প্রতিটি ধর্ম ও বর্ণের মধ্যে প্রতিবাদের জন্যও মানুষ রয়েছেন; তাদের দেখা গেছে সিএএবিরোধী আন্দোলনে, গত বছরের ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনে। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ূ, কেরালা ও মহারাষ্ট্র থেকেও একই বার্তা পাওয়া গেছে, যেখানে আঞ্চলিক দলগুলো সেয়ানে সেয়ানে লড়াই করে বিজেপিকে নির্বাচনে পরাস্ত করেছে। এটাও বলা যায় যে, বেশিরভাগ মানুষ বিজেপির এসব কর্মকান্ড সমর্থন করে না। তবে বিজেপির প্রতি তাদের এই প্রতিবাদ মোটাদাগে সফল হয়না। ফ্যাসিবাদী ক্যাডারদের প্রবল আদর্শিক তেজের সামনে অকার্যকর বলেই মনে হয়। ইন্ডিয়ান জাতীয় কংগ্রেস, দেশের একমাত্র জাতীয় বিরোধী দল, একটা নৈতিক অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রেও এতটা দুর্বল যে মুসলিম শব্দটাও এদের নেতাদের প্রকাশ্য ভাষণে উচ্চারিত হতে দেখা যায় না। মোদি যে কংগ্রেসমুক্ত ইন্ডিয়ার ডাক দিয়েছেন তার লক্ষ্য ইন্ডিয়াকে বিরোধী দলশূন্য করা। এ অবস্থাকে যেভাবেই ব্যাখ্যা করা হোক তা অন্তত গণতন্ত্রের সঙ্গে যায় না।

বিজেপি এখনও আরএএসের সদর দপ্তর: ১৯২৫ সালে জন্ম নেওয়া আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছে যে, সংবিধানটি সরিয়ে রেখে ইন্ডিয়াকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা উচিত। সংগঠনটির প্রচারকরা প্রকাশ্যেই হিটলারের প্রশংসা করে থাকেন এবং মুসলমানদের জার্মানির ইহুদিদের সঙ্গে তুলনা করেন। ২০২৫ সালে আরএসএস প্রতিষ্ঠার একশ বছর পূর্ণ হবে। এ একশ বছরের গোঁড়ামিতে ভরা যে ত্যাগ তা সংগঠনটিকে জাতির ভেতরে জাতি তৈরির ক্ষমতা দিয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে আরএসএস হলো পশ্চিম উপকূলের ব্রাহ্মণদের একটা গোষ্ঠী দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি সংগঠন। বর্তমানে আরএসএসের সদস্য সংখ্যা দেড় কোটি, যাদের মধ্যে মোদি যেমন আছেন তেমনি তার বহু মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালরাও আছেন। এটা এখন রাষ্ট্রের সমান্তরাল একটা রাষ্ট্র। তার নিজস্ব হাজার হাজার প্রাথমিক স্কুল আছে; কৃষক, শ্রমিক ও ছাত্র সংগঠন আছে। তার একটি প্রকাশনা সংস্থা আছে, যার কাজ হলো বনবাসী আদিবাসীদের মধ্যে ধর্মপ্রচারের মাধ্যমে তাদের ‘পরিশুদ্ধ’ করে হিন্দুত্বের মধ্যে ‘ফিরিয়ে’ আনা। আরএসএসের বেশ কয়েকটি নারী সংগঠন আছে। যাদের কাজ হলো বিভিন্ন সেক্টরে ছায়া সংগঠন হিসেবে কাজ করা এবং মানুষের দৃষ্টি থেকে সত্যটাকে আড়াল করা। বিজেপি এখনও আরএএসের সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করছে। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আরএসএসরূপী জাতির ভেতরের জাতিটি সে ছায়া থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং অচিরেই সে বিশ্ব পরিসরে কাজ শুরু করবে। ইতোমধ্যে বিদেশি দূতেরা আরএসএসের দপ্তরে দলে দলে গিয়ে তাদের পরিচয়পত্র এবং সংগঠনটির প্রতি তাদের শ্রদ্ধা প্রদর্শন শুরু করেছে। বিশ্ব পরিসরে বৈধতা পেতে মরিয়া এ সংগঠনটির নতুন লক্ষ্যবস্তু হলো মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বিপদের বিষয় হলো, এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, যারা চালাচ্ছেন তারা বিশ্বাস করেন, যা এমনি এমনি জয় করা যায় না, পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে তা সহজেই কিনে নেওয়া যায়।
ইউডি/সুপ্ত

