আমেরিকা-ন্যাটো সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা: ইউরোপে যুদ্ধের দামামা
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২ । আপডেট ১১:৫৫
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে চলছে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন। গত মঙ্গলবার (২৮ জুন) শুরু হওয়া তিনদিনের এই সম্মেলন চলবে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) পর্যন্ত। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এমন পরিস্থিতির মধ্যে এবারের সম্মেলনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলছেন বিশ্লেষকরা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে এই সম্মেলনে। ইতোমধ্যে ইউরোপে সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছে আমেরিকা। তাই এবারের ন্যাটো সম্মেলন কী বার্তা দিচ্ছে সেই দিকেই নজর গোটা বিশ্বের। বিস্তারিত লিখেছেন মিলন গাজী
ইউরোপজুড়ে সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) সামরিক শক্তি আরো বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বুধবার (২৯ জুন) স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ন্যাটোর সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। বাইডেন বলেন, ন্যাটো জোটের এখন আরো বেশি শক্তি প্রয়োজন তবে আগে এত দরকার ছিল না। স্থল, আকাশ এবং সমুদ্র-সব দিক দিয়ে ন্যাটোকে শক্তিশালী করা হবে। ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গের সঙ্গে বৈঠকে বাইডেন সামরিক শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানান।
বাইডেনের পরিকল্পনায় কী আছে
স্পেনের রোটাতে মার্কিন নৌ-বিধ্বংসী বিমানের বহরকে চারটি থেকে ছয়টিতে বৃদ্ধি করা। ৫ম আর্মি কর্পসের জন্য পোল্যান্ডে একটি স্থায়ী সদর দপ্তর। রোমানিয়ায় অতিরিক্ত ৫ হাজার সেনা মোতায়েন করা হবে। যারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবে। বাল্টিক দেশগুলোতে সেনা বাড়ানো। ব্রিটেনে এফ-৩৫ স্টিলথ প্লেনের দুটি অতিরিক্ত স্কোয়াড্রন। জার্মানি এবং ইতালিতে অতিরিক্ত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো। এ সময় বাইডেন বলেন, পুতিন ইউরোপে শান্তি ভেঙে দিয়েছেন । সে আমেরিকা এবং আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করেছেন। এর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি।
ন্যাটো শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ
ন্যাটোর প্রতিশ্রুতি জোটের মিত্র দেশের ‘প্রতিটি ইঞ্চি ভূখণ্ড রক্ষার’ বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, একজনের ওপর হামলা মানে আমাদের সবার ওপর হামলা যখন বলি, তখন তা প্রকৃত অর্থেই আমরা বলি।অতীতের নিরপেক্ষ অবস্থান বাদ দিয়ে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানের ফলে জোট শক্তিশালী ও মিত্ররা আরও বেশি সুরক্ষিত হবে বলে উল্লেখ করেন বাইডেন। তিনি বলেন, আমরা একটি নির্ভুল বার্তা দিচ্ছি, ন্যাটো শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং এই সম্মেলনে আমরা যেসব পদক্ষেপ নেব তাতে আমাদের সমন্বিত শক্তি আরও বাড়বে। এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন, নতুন সামরিক মোতায়েন নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি আমেরিকা এবং এমন যোগাযোগের কোনও প্রয়োজনীয়তা দেখছে না বাইডেন প্রশাসন।

ন্যাটোভুক্ত দেশে নীরবে উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা
রাশিয়াকে এড়িয়ে পোল্যান্ডে স্থায়ী ঘাঁটি করতে চায় আমেরিকা। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা রাশিয়াকে কখনোই বলেনি যে আমেরিকা ইউরোপে তাদের শক্তিমত্তা বৃদ্ধি করতে চায়। স্থানীয় সময় বুধবার আমেরিকার কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে আমেরিকা নিজস্ব শক্তিমত্তা বৃদ্ধিসহ ন্যাটো জোটের শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। বাইডেনের এসব ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে কিনা সে বিষয়ে আলোকপাত করেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কৌশলগত যোগাযোগের সমন্বয়ক জন কিরবি বলেছেন, এই বিষয়ে মস্কোর সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ হয়নি এবং কোনো ধরনের যোগাযোগের প্রয়োজনও নেই। মার্কিন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, বাইডেনের এসব ঘোষণার মধ্য দিয়ে ন্যাটো এবং রাশিয়ার মধ্যে যেসব চুক্তি রয়েছে তার কোনো বরখেলাপ হবে না। ফলে, ধারণা করা হচ্ছে আমেরিকা ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে নিজের উপস্থিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নীরবে এগিয়ে যাচ্ছে।

চীনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে না ন্যাটো
ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, চীনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে না ন্যাটো। তবে ইউক্রেন আগ্রাসনের পর থেকে মস্কো-বেইজিং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে আমরা চিন্তিত। মাদ্রিদে ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে স্টলটেনবার্গ বলেন, আমরা চীনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে গণ্য করি না। চীন শিগিরই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোতে তাদের সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হবে। তবে আমরা হতাশ হয়েছি। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের নিন্দা করতে পারেনি চীন। তারা ন্যাটো, পশ্চিমাদের সম্পর্কে অনেক মিথ্যা আখ্যান ছড়িয়ে দিচ্ছে। বলা হচ্ছে, চীন ও রাশিয়া এখন অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ। ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার বিপক্ষে ভোট দেয় চীন। এতে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি বিশ্ব নেতারা। এমনকি এই ইস্যুতে রাশিয়ার কোনো নিন্দাও জানায়নি। উল্টো জ্বালানি রপ্তানিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা খাওয়া রাশিয়ার তেল কেনার আভাস দিয়েছে বেইজিং।
বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ছে ৮ গুণ
নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি র্যাপিড রিঅ্যাকশন ফোর্সের শক্তি বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে ন্যাটো মিত্ররা। এই বাহিনীর সদস্যসংখ্যা প্রায় আট গুণ বাড়িয়ে ৪০ হাজার থেকে তিন লাখ করা হচ্ছে। বাহিনীর নতুন সদস্যরা নিজ দেশেই অবস্থান করবেন। তবে রুশ সীমান্তবর্তী ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলে দ্রুত মোতায়েনে তাঁদের প্রস্তুত রাখা হবে। ওই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের মজুত বাড়ানোরও পরিকল্পনা আছে জোটটির। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পটভূমিতে মাদ্রিদে তিন দিনের এই শীর্ষ সম্মেলন আগামী বছরগুলোর জন্য জোটের গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাটোর নতুন কৌশলগত ধারণাপত্র এক ধাপে এক দশকের অগ্রাধিকার ও লক্ষ্য স্থির করা। আলোচনার একটি বড় বিষয় হবে ন্যাটোর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কতটুকু ইউক্রেনকে সাহায্য করা যায়। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যাতে এই সংঘাতকে রাশিয়া-ন্যাটো সংঘাতের রং দিতে না পারেন, সেই প্রকৃত হুমকির বিষয়ে প্রত্যেকে খুবই সতর্ক আছেন।
সুইডেন-ফিনল্যান্ড যুক্ত হলে শক্তি বাড়বে
পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের যোগ দেওয়ার প্রস্তাবে অবশেষে সমর্থন দিয়েছে তুরস্ক। প্রথমদিকে ওই দুই দেশের ন্যাটো জোটে যোগদানের বিরোধিতা করেছিল দেশটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আধুনিক, গণতান্ত্রিক আর সুপ্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনীর অধিকারী দেশ হওয়ায় তা ন্যাটোর উত্তরাঞ্চলে হুমকি মোকাবিলা শক্তিশালী করে তুলবে। ন্যাটোর নিয়ম অনুযায়ী, নতুন কোনো সদস্য নিতে হলে জোটের সবগুলো দেশের সম্মতি থাকতে হয়। ফলে সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ জানালেও তুরস্কের আপত্তির কারণে তা আটকে যায়। কারণ তুরস্ক মনে করে, দেশ দু’টি কুর্দি সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটো জোটে যোগদানের বিরোধী রাশিয়া। পশ্চিমা এই সামরিক জোট সম্প্রসারণ করতে চাইছে, এমন দাবি তুলে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করেছিল রাশিয়া। কিন্তু মস্কোর সেই অভিযান উল্টো ফলাফল দিতে শুরু করেছে। এতদিন নিরপেক্ষ দেশ হিসাবে থাকলেও ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর এখন ন্যাটো জোটে যোগ দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নিনিস্তো বলেছেন, তিন দেশ একটি যৌথ স্মারকে স্বাক্ষর করেছে যার মাধ্যমে একে অপরের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি মোকাবিলায় পূর্ণ সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন বলেছেন, এটি ন্যাটোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের কার্যালয় বলেছে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে তারা যা চেয়েছে, সেটা পেয়েছে।

বিরোধিতার পর কেন পিছু হটলো তুরস্ক?
কয়েক সপ্তাহের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের যোগদানের ওপর থেকে নিজেদের আপত্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে তুরস্ক। এর ফলে ৩০ সদস্যের জোটটিতে নতুন দুই দেশকে সদস্য করার পথ সুগম হয়েছে। কিন্তু আচমকা তারা এই সিদ্ধান্ত কেনো নিলো তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।
ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটো সদস্য হওয়ার আবেদনে বিরোধিতা করে জোটের সদস্যদের হতবাক করে দেয় তুরস্ক। আঙ্কারার দাবি ছিল, নরডিক দেশ দুটিকে তুরস্কে নিষিদ্ধ পিকেকে’র মতো কুর্দি সশস্ত্র গ্রুপগুলোকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। তুরস্কের অস্ত্র আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। তুরস্ক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, সুইডেন পিকেকে সদস্যদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। তবে স্টকহোম তা অস্বীকার করে। পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটো পরিচালিত হয় সর্ব সম্মতির ভিত্তিতে। এর অর্থ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটো সদস্য করায় আপত্তি জানালে তাদের আর জোটে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হত না। এরদোয়ান বলেছিলেন, তাদের দাবি পূরণ না হলে তারা তাদের আপত্তি প্রত্যাহার করবেন না।

ন্যাটো ও তুরস্কের সমঝোতা হলো কোন বিষয়ে?
ন্যাটো মহাসচিব জেনারেল জেন্স স্টোলটেনবার্গ জানিয়েছেন, চুক্তির শর্তের মধ্যে রয়েছে সুইডেন সন্দেহভাজন যোদ্ধাদের তুরস্কে প্রত্যর্পণের অনুরোধে সাড়া দেওয়ার কাজ জোরদার করবে এবং তাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কঠোর করতে সুইডিশ ও ফিনিশ আইন সংশোধন করা হবে।
স্টোলটেনবার্গ আরও জানান, তুরস্কের কাছে অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড। চুক্তিটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, যা দাবি করা হয়েছিল চুক্তিতে তা পেয়েছে তুরস্ক। আর এই চুক্তির ফলে পিকেকে এবং তাদের অনুগতদের বিরুদ্ধে তুরস্কের লড়াইয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করবে নরডিক দেশ দুটি।

রাশিয়ার সালাদ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে
ন্যাটো সম্মেলনের প্রথম দিনে ‘ভাইরাল হয়েছে’ রাশিয়ার সালাদ। মাদ্রিদের উপকণ্ঠে ভেন্যু হিসেবে যে ক্যাফেতে ন্যাটো সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে, সেখানে খাবারের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে এই খাবারটি। বিক্রিও হয়েছে বেশ আগেই। বুধবার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটোর মতো রুশ-বিরোধী সামরিক জোটের সম্মেলন যে ক্যাফেতে আয়োজন করা হয়েছে, সেখানে খাবারের তালিকায় রাশিয়ার সালাদের সবার ওপরে থাকার বিষয়টি আন্তর্জাতিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের কার্যত হতবুদ্ধি করে দিয়েছে। এমনকি সৃষ্টি হয় হাস্যরসও।
বার্তা সংস্থা বলছে, মঙ্গলবার মাদ্রিদে আয়োজিত ন্যাটো সম্মেলনের ভেন্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ অন্য নেতাদের পৌঁছানোর অপেক্ষায় ছিলেন কর্মকর্তা-সাংবাদিকরা। অপেক্ষার একপর্যায়ে তারা ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত ওই ক্যাফের খাবারের মেনুতে ‘রাশিয়ান সালাদ’ দেখতে পান। আর সেটিও রয়েছে তালিকায় সবার শীর্ষে।
ইউডি/অনিক

