বিশ্বরেকর্ড গড়তে নিজের শরীরে আগুন

বিশ্বরেকর্ড গড়তে নিজের শরীরে আগুন

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ২২ জুলাই ২০২২ । আপডেট ১০:৫০

বিশ্বের কয়েকশো কোটি মানুষের মধ্যে অদ্ভুত মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাই তো এসব উদ্ভট মানুষের উদ্ভট সব কার্যকলাপের স্বীকৃতিও দেয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। সেই বিশ্বরেকর্ড গড়তে আবার একেক জন একেক কাণ্ড ঘটান। তাদের মধ্যেই একজন হচ্ছেন জোসেফ টডলিং।

যিনি রেকর্ড গড়তে নিজেই নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এখানেই শেষ নয়, জোসেফ তার গায়ে আগুন লাগিয়ে ঘোড়ার পেছনে নিজেকে আটকে ৫ মিটার পর্যন্ত টানিয়েছিলেন। অস্ট্রিয়ার বাসিন্দা জীবনের এতবড় ঝুঁকি নিলেও শেষমেশ বিশ্বরেকর্ড করেই বাড়ি ফিরেছিলেন। জোসেফ টডলিং নামের এই মানুষটির কাণ্ড দেখে যে কেউ অবাক হবেন বৈকি। নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে ঘোড়া দিয়ে টানার রেকর্ড রয়েছে তার ঝুলিতে।

তবে এই রকম করার সময় তিনি এমন একটি কাপড় পড়েছিলেন যাতে তার শরীরে আগুন না লাগে। সেই সঙ্গে শরীরে লাগিয়ে নেন কুলিং জেল, ধাতব শিন এবং কনুই প্যাড। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জোসেফ হলেন একমাত্র ব্যক্তি যার নামে এই রেকর্ড রয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালে জোসেফ অস্ট্রিয়ার সালজবার্গ ফায়ার ডিপার্টমেন্টে ৫ মিনিট ৪১ সেকেন্ড অগ্নিদগ্ধ হয়ে দীর্ঘতম সময়কালের ফুল-বডি পোড়ার (অক্সিজেন ছাড়া) রেকর্ড ভেঙেছিলেন। জোসেফ একজন প্রফেশনাল বাইকার। তিনি ৪৯টি সিনেমায় ঝুঁকিপূর্ণ বাইক রাইডিংয়ের বিভিন্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন।

প্রসঙ্গত, আগুন লেগে কখনও নিজের শরীর পুড়ে গেলে দগ্ধস্থানের উপর টুথপেস্ট, লবণ বা ডিমের সাদা অংশ দেবেন না। এতে পরবর্তীতে সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর এগুলো পরিষ্কার করতে হয়। তখন এগুলো জমাট বেঁধে থাকায় চামড়া ওঠার আশঙ্কা থাকে। ক্ষত আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদি মুখ বা চোখ পুড়ে যায়, তাহলে যতক্ষণ সম্ভব সোজা করে বসিয়ে রাখতে হবে। এতে ফোস্কা পড়া বা ফুলে যাওয়া কমে। কারো শরীরে আগুন লাগলে পরনের পোশাক ও গহনা যত দ্রুত সম্ভব খুলে ফেলুন। শিশুদের ক্ষেত্রে ন্যাপি বা ডায়াপার থাকলেও খুলে ফেলুন। তবে পোড়া চামড়া বা পেশীর সাথে কোনো ধাতব পদার্থ বা কাপড়ের অংশ আটকে গেলে সরানোর চেষ্টা করবেন না। এতে ক্ষত বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading