দুগিনা হত্যা: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন মোড়

দুগিনা হত্যা: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন মোড়

উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৪ আগস্ট ২০২২ । আপডেট ১৩:০৫

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘তাত্ত্বিক গুরু’ হিসেবে পরিচিত আলেকজান্ডার দুগিনের মেয়ে দারিয়া দুগিনা হত্যা রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধের গতিপথকে আরও ত্বরান্বিত করছে। রাশিয়া বলছে এই হত্যার পেছনে ইউক্রেনই জড়িত এবং তারা ইতোমধ্যে ইউক্রেনের এক সেনার নাম ও ছবি প্রকাশ্যে এনেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিকে, আজ ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে দেশটিতে বড় হামলা হতে পারে বলে জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিস্তারিত লিখেছেন সাইফুল অনিক

গত শনিবার রাতে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কাছে বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন সাংবাদিক দারিয়া দুগিনা। তার বাবা ‘পুতিনের মস্তিষ্ক’ খ্যাত আলেকজান্ডার দুগিনই এই গাড়িবোমা হামলার লক্ষ্য ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ তাত্ত্বিকের মেয়ে, সুপরিচিত সাংবাদিক দুগিনা ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘সামরিক অভিযানের’ কট্টর সমর্থক ছিলেন। এ হত্যাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই দু’দেশে বাড়ছে উত্তেজনা। এদিকে, আজ ২৪ আগস্ট ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস। এ দিবসকে কেন্দ্র করে রাশিয়া হামলা চালাতে পারে বলে জানাচ্ছে ইউক্রেন। তাই সকল আয়োজন বন্ধ করা হয়েছে ইতোমধ্যেই। আমেরিকাও নিজ নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে কোনো ধরণের হামলা বরদাশত করা হবে না। আর তাতে ক্রমেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথে উত্তেজনা বাড়ছেই।

আলেকজান্ডার দুগিনা

কে এই আলেকজান্ডার: রাশিয়ার সরকারে আলেকজান্ডারের কোনো আনুষ্ঠানিক পদ-পদবি নেই। তবে তকে পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। তার উগ্র জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা পুতিনের বিশ্বদর্শনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে আসছে। এ কারণে অনেকে তাকে পুতিনের ‘তাত্ত্বিক গুরু’ বলে অভিহিত করেন। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতি আলেকজান্ডার ও তার মেয়ে দারিয়ার জোর সমর্থন রয়েছে। ইউক্রেনে রুশ সেনা পাঠানোর পক্ষে শক্তিশালী অবস্থান নেয়া কট্টর জাতীয়তাবাদী দুগিন পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিত। রাশিয়ার শাসকমহলে তার বেশ প্রভাব আছে বলেই মনে করা হয়।

সন্দেহ জনক ঘাতক

দারিয়া হত্যাকান্ড কী বার্তা দেয়: এ হত্যাকান্ড রাশিয়ার জন্য কী অর্থ বহন করে, তা নিয়ে সম্প্রতি একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। দারিয়া হত্যার ঘটনা একটি নতুন সংকট তৈরি করতে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, তার দেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রুশ হামলা জোরদার হতে পারে। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দাবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডাম বি শিফ বলেছেন, তিনি আশা করেন, এ হামলার পেছনে ইউক্রেনের হাত নেই। তিনি তেমনটা দেখতে চান না। কিছু বিশ্লেষক রুশ ভূখণ্ডর কেন্দ্রস্থলে পুতিনের এক ঘনিষ্ঠ মিত্রের মেয়ের ওপর হামলার যে প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে, সে দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। এ প্রসঙ্গে রাশিয়ার কারাবন্দী বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির ঘনিষ্ঠ মিত্র লিওনিড ভলকভের মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, হামলার ঘটনাটি এমন একটি জায়গায় ঘটেছে, যেটি পুতিনবাদের কেন্দ্রস্থল।

ভ্লাদিমির পুতিন

দুগিনা হত্যা জঘন্য ও নির্মম: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু দুগিনের মেয়ে দারিয়া দুগিনা হত্যার জন্য ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীকে দোষারোপ করেছেন। দুগিনা হত্যাকে ‘জঘণ্য’, ‘নির্মম’ অপরাধ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। দুগিনা খুবই ‘বুদ্ধিমতি’ এবং ‘গুণী’ ছিলেন বলেও প্রশংসা করেছেন পুতিন। দুগিনা নিহতের ঘটনার পর পুতিন প্রথমবারের মতো তার প্রতিক্রিয়া জানাতে এমন মন্তব্য করেন। পুতিন গত সোমবার দুগিনার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন এবং ক্রেমলিনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘটনার জন্য ইউক্রেনকে দোষারোপ করে এর তীব্র নিন্দা করেন। পুতিন বলেন, একজন সাংবাদিক, বিজ্ঞানি, দার্শনিক এবং যুদ্ধের সংবাদদাতা হিসাবে তিনি (দারিয়া দুগিনা) জনগণ এবং পিতৃভূমিকে সততার সঙ্গে সেবা দিয়েছেন। রাশিয়ার দেশপ্রেমিক বলতে কী বোঝায় তা তিনি তার কাজ দিয়ে প্রমাণ করেছেন।

প্রতিশোধের পরিবর্তে একটি সামরিক বিজয় চান দুগিন: এদিকে, আলেকজান্ডার দুগিন এক বিবৃতিতে দুগিন এই হত্যাকান্ডের জন্য ইউক্রেন সরকারকে দায়ী করে বলেন, তিনি প্রতিশোধের পরিবর্তে একটি সামরিক বিজয় চান। রক্ষণশীল টাইকুন কনস্ট্যান্টিন মালোফেয়েভের দুগিনের ওই বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে দুগিন বলেন, আপনারা জানেন ইহুদিবাদী ইউক্রেন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গত ২০ আগস্ট মস্কোর কাছে ‘ট্রাডিশন’ উৎসব থেকে ফেরার পথে আমার চোখের সামনে আমার আমার মেয়েকে হত্যা করে।
দুগিন লিখেছেন, দারিয়া ছিলেন একজন দারুণ অর্থোডক্স মেয়ে, একজন দেশপ্রেমিক, একজন সামরিক সংবাদদাতা, একজন টিভি বিশেষজ্ঞ এবং একজন দার্শনিক। তিনি কখনও সহিংসতা বা যুদ্ধের ডাক দেননি। তিনি একজন উদীয়মান তারকা ছিলেন। রাশিয়ার শত্রুরা এখানে অসম্মানজনকভাবে কৌশলে হত্যা করেছে। সন্ত্রাসীরা সফল হবেন না বলেও লিখেছেন দুগিন।

প্রধান সন্দেহভাজনের নাম-ছবি প্রকাশ রাশিয়ার: এদিকে, এ হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি)। এফএসবির ভাষ্য, দারিয়া হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম নাটালিয়া ভভক। ৪৩ বছর বয়সী এই নারী ইউক্রেনের নাগরিক। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এফএসবি বলছে, নাটালিয়া ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইউক্রেন সেনাবাহিনীর আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্য। ইউক্রেন সেনাবাহিনীর এই ইউনিটকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আগেই চিহ্নিত করেছে রাশিয়া। এফএসবির ভাষ্যমতে, সন্দেহভাজন নারী ও তাঁর কিশোরী কন্যা গত ২৩ জুলাই রাশিয়ায় আসেন। হামলার জন্য এই নারী এক মাস ধরে প্রস্তুতি নেন। দারিয়া যে হাউজিং ব্লকে থাকতেন, সেখানে এই নারী একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেন। তিনি দারিয়ার চলাফেরাসহ জীবনধারার ওপর নজরদারি করেন।

হত্যার অভিযোগ নাকচ ইউক্রেনের: এফএসবির অভিযোগের জবাবে আজভ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কথিত নারী (নাটালিয়া) কখনোই এই ইউনিটের সদস্য ছিলেন না। তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা কাহিনি সাজানোর অভিযোগ করেছে। রাশিয়ার অভিযোগকে ‘প্রপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোডোলিয়াক।

‘ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা যে কোনো সময়’
ইউক্রেনীয় বেসামরিক স্থাপনায় যে কোনও সময় রাশিয়া বিমান হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছে কিয়েভে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই সতর্কতা জানানো হয়। মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক এখবর জানিয়েছে।
বিবৃতিতে মার্কিন দূতাবাস বলেছে, আসন্ন দিনগুলোতে ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামো ও সরকারি স্থাপনায় রাশিয়া হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি জোরদার করছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা বেসামরিক ও বেসামরিক স্থাপনার জন্য হুমকি জারি রেখেছে। ইউক্রেনের অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দেশটি ত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। এর আগে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে নিউজউইক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, ২৪ আগস্ট, ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া।

ইউক্রেনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল: রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলার ভয়ে স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনের অনুষ্ঠান বাতিল করেছে ইউক্রেন। আজ ২৪ আগস্ট দেশটির স্বাধীনতা দিবস। এ উপলক্ষে রাজধানী কিয়েভে সভা-সমাবেশের মতো বড় কোনো জমায়েত ও অনুষ্ঠান না করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১৯৯১ সালের ২৪ আগস্ট সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বেরিয়ে যায় ইউক্রেন। সে হিসাবে বুধবার (২৪ আগস্ট) দেশটির স্বাধীনতার ৩১ বছর। স্বাধীনতা দিবসে বড় হামলা চালাতে পারে রাশিয়া, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এমন সতর্কবার্তার পর কিয়েভে উদ্যাপন অনুষ্ঠান বাতিলের ঘোষণা আসে। কেবল স্বাধীনতা দিবসের দিনটিই নয়, গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজধানীতে বড় কোনো জমায়েত না করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে কারফিউর সময় বাড়ানো হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসে হামলা হলে ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইউক্রেন: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের স্বাধীনতা দিবসে যে কোনও হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে বলে রাশিয়াকে হুঁশিয়ার করেছেন। ২৪ অগাস্ট বুধবার সোভিয়েত শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার ৩১ বছর পালন করতে চলেছে ইউক্রেন। এ দিবস পালনের সময় ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার তীব্রতা বাড়তে পারে বলে কিইভের অনুমান। জেলেনস্কি এ সপ্তাহের শুরুতেই স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে রাশিয়ার ‘কদর্য’ হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এবার তিনি রাশিয়াকে হুঁশিয়ার করলেন। বিবিসি জানায়, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের ইউক্রেইন সফরকালে এক সংবাদ সম্মেলনে রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের জবাব বাড়বে। এটি কেবলই কঠোর থেকে আরও কঠোর হবে। পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, জেলেনস্কি ও তার যোদ্ধা বাহিনী ইউক্রেন রাষেট্রর অখন্ডতা রক্ষায় লড়ে যাচ্ছে।

আলোচনার কথা বলে সময়ক্ষেপণ করতে চায় রাশিয়া: নতুন আলোচনার কথা বলে রাশিয়া সময় ক্ষেপণ করতে চাইছে। যাতে তারা নতুন করে আক্রমণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখিলো পদোলিয়াক এই কথা বলেছেন।
পদোলিয়াক বলেন, সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনকে একটি আলোচনায় বসার ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছে। পদোলিয়াকের মতে ৬ মাস ধরে চলা যুদ্ধ এখন শেষ পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই আলোচনার সময় মস্কো ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল অধিকার করে নিয়েছে সেখানে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেই আলোচনায় বসতে চেয়েছিল।’

উত্তরদক্ষিণ । ২৪ আগস্ট ২০২২ । ১ম পৃষ্ঠা

রাশিয়ার সঙ্গে কিয়েভের কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগ নেই উল্লেখ করে পদোলিয়াক বলেন, রাশিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনার প্রস্তাব পাঠায়। তবে পদোলিয়াক তাদের নাম উল্লেখ করেননি।
এদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান চলতি আগস্টের শুরুতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেসহ তিনি বেশ কয়েকবার বলেছেন, তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করতে প্রস্তুত। সম্প্রতি গত সপ্তাহের শুক্রবার জাতিসংঘের মহাসচিবসহ ইউক্রেন সফর করেন। পদোলিয়াক বলেন, ইউক্রেনের অবস্থান ছিল এখনো আছে, মস্কো প্রকৃতপক্ষে শান্তি আলোচনা চায় না। বরং তাঁরা নতুন করে আক্রমণ শুরু করার আগে রুশ সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির জন্য সময় ক্ষেপণের চেষ্টা করছে মাত্র।
এর আগেও, কিয়েভ একাধিকবার জানিয়েছে, রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের ভূখø না ছাড়লে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। ইউক্রেনের লক্ষ্য হারানো অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা এবং ২০১৪ সালে রাশিয়া যে ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত করে নিয়েছে তাও দখল মুক্ত করা।

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading