দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য টুইটারে বিশেষ ফিচার
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১২:০০
এখন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বা যারা চোখে দেখতে পান না তারাও টুইটার ব্যবহার করতে পারবেন। টুইটার নিয়ে এলো বিশেষ ফিচার ‘ইমেজ ডেসক্রিপশন রিমাইন্ডার’। এর মাধ্যমে টুইটের সঙ্গে থাকা ছবির বর্ণনা স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যারের মাধ্যমে শোনা যাবে।
এ পদ্ধতিকে বলা হয় ‘অলটারনেটিভ টেক্সট’ বা ‘অল্ট টেক্সট’। এতে ছবির বিষয়বস্তু লিখে দেওয়া যায়, যা স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যারের মাধ্যমে শোনা যায়। ফলে চোখে না দেখলেও ছবির বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানার সুযোগ মিলে থাকে। ফলে এটি শুধু যারা দেখতে পান না তাদের জন্যই নয়, বরং যেসব এলাকায় ইন্টারনেটের গতি খুব কম সেখানেও এই ফিচার কাজে লাগবে।
স্মার্টফোনের পাশাপাশি ডেস্কটপেও পাওয়া যাবে এই সুবিধা। তবে এখনো বিশ্বের সব দেশের ব্যবহারকারীরা এই ফিচার পাচ্ছেন না। ধীরে ধীরে সব দেশেই এটি চালু হবে বলেই জানিয়েছে টুইটার। তবে চাইলেই সব ছবির বর্ণনা শোনা যাবে না। এজন্য প্রথমে ইমেজ ডেসক্রিপশন রিমাইন্ডারের সাহায্যে টুইট করার আগেই ছবির বর্ণনা যুক্ত করতে হবে। টুইট পোস্টকারীর দেওয়া বর্ণনাই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের পড়ে শোনাবে স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার।
কিছুদিন আগেই টুইটার টুইট এডিট সহ বেশ কয়েকটি ফিচার নিয়ে এসেছে। এখন ইচ্ছা হলে বড় করেও টুইট লেখার সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এছাড়াও টুইট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ বা ইনস্টাগ্রামেও শেয়ার করা যায়। একের পর এক দুর্দান্ত ফিচারের জন্য দিন দিন ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সাইটটি।
প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম এক জনপ্রিয় মাধ্যম টুইটার। বর্তমানে সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মধ্যে ফেসবুকের পরই টুইটারের অবস্থান। শুধু বড় বড় মানুষেরাই নন সাধারণ মানুষেরাও এখন ব্যবহার করছেন এই মাধ্যম। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে এর ব্যবহারকারী। দিন দিন বাড়ছে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। টুইটার অনলাইন হয়রানি বন্ধে নানা ধরণের ফিচার চালু করেছে। তার মধ্যে আছে ফটো ট্যাগিং এড়িয়ে যাওয়া এবং কে টুইটের উত্তর দিতে পারবেন সেটি ঠিক করে দেওয়ার ফিচার।
উল্লেখ্য, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের আপডেট করায় ব্যস্ত টুইটার। গত বছর সাইটটি টুইট শেয়ার করার নানা নতুন উপায় যোগ করেছে। এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে স্ন্যাপচ্যাট মেসেজ বা স্টোরিতে টুইট এমবেড করার ফিচার যোগ করে মাইক্রোব্লগিং সেবাটি।
ইউডি/কেএস

