টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ‘বিরাটময়’ ম্যাচে ইন্ডিয়ার প্রতিশোধ
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ১৮:১৫
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলো, মেলবোর্নের গ্যালারিও টইটুম্বুর ছিলো। কেন এতো আয়োজন-এযে ইন্ডিয়া-পাকিস্তান মহারণ। আর ম্যাচ শেষে পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়েই স্টেডিয়াম ছাড়লো দর্শকরা। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৪ উইকেটে হারালো ইন্ডিয়া। আর ম্যাচের নায়ক ইন্ডিয়ার সুপারস্টার বিরাট কোহলি। বড় ম্যাচের বড় তারকার যে খ্যাতি এতোদিন বিরাট কোহলির দখলে ছিলো তা কি ভাটা হতে দিতে পারেন এই ব্যাটিং জিনিয়াস, সেটা আবারও প্রমাণ দিলেন তিনি। এর সঙ্গে গত বিশ্বকাপে হারের মধুর প্রতিশোধ নিলো রোহিত শর্মার দল।
১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩১ রানেই ৪ উইকেট হারায় টিম ইন্ডিয়া, তাতে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণে নেয় পাক বোলাররা। কিন্তু ক্রিজে তখনও ছিলেন কিং কোহলি। দাপুটে অলরাউন্ডার হার্দিকরে সঙ্গে করে গড়েন ৭৮ বলে ১১৩ রানরে দুর্দান্ত এক জুটি। ম্যাচ শেষে বিরাট অপরাজিত থাকেন ৫৩ বলে ৮২ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলে।

এর আগে, রবিবার প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান করে পাকিস্তান। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই বাবর আজমকে তুলে নেন আর্শদিপ সিং। তরুণ এই পেসারের স্টেইট বল গিয়ে লাগে বাবর আজমের প্যাডে। এলবিডব্লিউর আবেদন করেন আর্শদিপ। তাতে সাড়া দেন আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস। রিভিউ নিয়েও রক্ষা পাননি পাকিস্তান অধিনায়ক। ফেরেন গোল্ডেন ডাকে। অধিনায়ককে হারানোর ধাক্কা না কাটতেই রিজওয়ানকে হারায় পাকিস্তান। তিনিও কাটা পড়েন আর্শদিপের বলে। চতুর্থ ওভারে আর্শদিপের বলে ফাইন লেগে ভুবনেশ্বর কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিজওয়ান। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। মাত্র ১৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান।
সেখান থেকে উদ্ধার করতে জুটি বাধেন ইফতেখার আহমেদ ও শান মাসুদ। এই জুটিতে পথ দেখে পাকিস্তান। দুজন মিলে উপহার দেন ৭৬ রানের চমৎকার জুটি। এক ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে পরপর ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন ইফতেখার। কিন্তু এরপরই বিদায় নেন ইফতেখার। হাফসেঞ্চুরি ছুঁয়েই বিদায় নেন তিনি। তাঁর বিদায়ের পর ফের ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় পাকিস্তান। এরপর একে একে বিদায় নেন শাদাব খান ও হায়দার আলি। তবে শেষ পর্যন্ত খেলার আমেজ বাঁচিয়ে রাখেন শান মাসুদ। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে নিয়ে পাকিস্তানকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন মাসুদ। ব্যাট হাতে ৪২ বলে ৫২রান করেন তিনি। আফ্রিদি করেন ১৬ রান।
ইউডি/সুপ্ত

