শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ প্রেরণে বাংলাদেশ শীর্ষে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ প্রেরণে বাংলাদেশ শীর্ষে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ১৭:৫৩

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ প্রেরণে শীর্ষে রয়েছে।

রোববার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয়ে ‘ইউএনপোল ডে-২০২২’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ প্রেরণে বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ অবদানকারী দেশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের নারী শান্তিরক্ষীরা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, সংঘাত এবং সংঘর্ষ কমাতে বিশেষ করে নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের পাঁচশ সদস্য জাতিসংঘ পুলিশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। তাদের অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা বেড়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক সদস্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন করা হলে তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের সেবায় দক্ষতার পরিচয় দিতে সক্ষম হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ অনন্য ভূমিকা রাখছে। আমাদের নারী পুলিশ সদস্যরা এফপিইউ মিশনে অসাধারণ সাফল্য প্রদর্শন করছে।

অনুষ্ঠানে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বে শান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববাসীর সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর চেতনা ধারণ করে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবময় পদযাত্রা সূচিত হয় ১৯৮৯ সালে। বাংলাদেশ পুলিশের বীর সদস্যরা তাদের পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও সততা দিয়ে বিশ্ববাসীর প্রশংসা অর্জন করেছে। বিশেষ করে আমাদের নারী পুলিশ সদস্যরা নিজেদের আইকনিক শান্তিরক্ষী হিসেবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তর এবং শান্তিরক্ষা মিশনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশের আরও বেশি অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

জাতিসংঘের পুলিশ ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অ্যাডভাইজার কমিশনার জুন টান শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার ভূয়সি প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে পুলিশ ডিভিশন ও ইন্টিগ্রেটেড ট্রেনিং সার্ভিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক এবং শান্তিরক্ষা মিশনগামী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউডি/এআই

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading