২০২৩ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

২০২৩ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ০২ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৮:৪৫

২০২৩ সালের ছুটির নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১৪ দিন ও নির্বাহী আদেশের ছুটি আট দিন মিলিয়ে মোট ২২ দিন ছুটি থাকবে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার পড়বে আট দিন। গত সোমবার (৩১ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৩ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।

সাধারণ ছুটির আওতায় রয়েছে– ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২১ এপ্রিল জুমাতুল বিদা, ২২ এপ্রিল ঈদুল ফিতর, ১ মে হলো মে দিবস। এছাড়া ৪ মে বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), ২৯ জুন ঈদুল আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ৬ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২৮ সেপ্টেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৪ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)।

নির্বাহী আদেশে ছুটির আওতায়– ৮ মার্চ শবে বরাত, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ১৯ এপ্রিল শবে কদর, ২১ ও ২৩ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের দুই দিন, ২৮ ও ৩০ জুন ঈদুল আজহার আগে ও পরের দুই দিন এবং ২৯ জুলাই আশুরার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

ঐচ্ছিক ছুটির আওতায় মুসলিম পর্বের ছুটির মধ্যে রয়েছে– ১৯ ফেব্রুয়ারি শবে মেরাজ, ২৪ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন, ১ জুলাই ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন, ১৩ সেপ্টেম্বর আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৭ অক্টোবর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম।

হিন্দু পর্বের ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে– ২৬ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা, ১৮ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রী ব্রত, ৭ মার্চ দোলযাত্রা, ১৯ মার্চ হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ১৪ অক্টোবর মহালয়া, ২২ ও ২৩ অক্টোবর দুর্গাপূজা (অষ্টমী ও নবমী), ২৮ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা ও ১২ নভেম্বর শ্যামাপূজা।

এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ২২ ফেব্রুয়ারি ভস্ম বুধবার, ৬ এপ্রিল পূণ্য বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল পূণ্য শুক্রবার, ৮ এপ্রিল পূণ্য শনিবার, ৯ এপ্রিল ইস্টার সানডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি।

ঐচ্ছিক ছুটির বৌদ্ধ পর্বের মধ্যে রয়েছে– ৫ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, ১ আগস্ট আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ২৮ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ২৮ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা)।

পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব।

ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক মোট তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য আগেই উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।

সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading