বরিশালে কমিউনিটি ক্লিনিক: জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১২: ৪০
বরিশালে জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে কমিউনিটি ক্লিনিক সেবা কার্যক্রম। এসব ভবনে নেই বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থাও। হেলথ প্রোভাইডারসহ ওষুধ না থাকার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জরাজীর্ণ বরিশালের কাশিপুর এলাকার রহিমা খাতুন কমিউনিটি ক্লিনিকের দেয়াল ধসে পড়ছে পলেস্তারা, নেই পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেই চলছে চিকিৎসাসেবা। সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, বিদ্যুৎ ও পানি না থাকায় পড়তে হয় ভোগান্তিতে। আর কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডারের দাবি সংশ্লিষ্ট দফতরে বারবার যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি তারা।
এদিকে একই চিত্র অন্য কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতেও। তবে অভিযোগ আছে ক্লিনিকগুলোতে হেলথ প্রোভাইডার না থাকার পাশাপাশি সেবা না পাওয়ার। ক্লিনিকগুলোতে হেলথ প্রোভাইডারদের অনুপস্থিতি দায়বদ্ধতার অভাব বলে জানান বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসান।
তিনি বলেন, আমার একার পক্ষে প্রতিটি ক্লিনিক দেখাশোনা করাটা কঠিন। তাদের বিরুদ্ধে আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি না। ওনারা কমিউনিটি কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে।
বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাহামুদ হাসান বলেন, কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে আমাদের কাছে রিপোর্ট আসে। আমরা তদন্তসাপেক্ষে সেভাবে ব্যবস্থা নেই। জরাজীর্ণ ভবনগুলো সংস্কারের বিষয়ে নিয়মিত চিঠি দেয়া হচ্ছে।
বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৯৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকে এক হাজার তিনজন হেলথ প্রোভাইডার কাজ করেন।
ইউডি/আতা

