ফখরুল-আব্বাসকে ডিভিশন দেওয়া হয়েছে : হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষ
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:৫৫
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়া হয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ হাইকোর্টকে এ তথ্য জানান। পরে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) দিন ধার্য করেন।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহামদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা আদালতকে জানিয়েছি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে আজ থেকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত কাগজপত্রও আদালতে দিয়েছি। সেজন্য তাদের রিট আবেদন প্রত্যাহারের জন্য বলেছি।
‘কিন্তু বিএনপির আইনজীবীরা নিশ্চিত হতে চান আসলেই মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে ডিভিশন দেওয়া হয়েছে কি না। এ কারণে আদালত আদেশের জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেছেন’, যোগ করেন তিনি।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে সকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের পক্ষে তাদের স্ত্রীরা রিট দায়ের করেন।
কারাগারে ডিভিশন আসলে কী
‘জেল কোড’ অনুযায়ী রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কারাগারে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বা ডিভিশন দেওয়া হয়। এছাড়া আদালতের নির্দেশেও যে কাউকে ডিভিশন দেওয়া যেতে পারে।
কারাগারে প্রধানত তিন শ্রেণির ডিভিশন দেওয়া হয়ে থাকে। ডিভিশন-১, ডিভিশন-২ এবং ডিভিশন-৩।
কারা বিধি অনুসারে প্রথম শ্রেণির ডিভিশন-প্রাপ্তদের প্রত্যেক বন্দির জন্য আলাদা রুম থাকে। খাট, টেবিল, চেয়ার, তোষক, বালিশ, তেল, চিরুনী, আয়না সবকিছুই থাকে। আর তার কাজকর্ম করে দেওয়ার জন্য আরেকজন বন্দীও দেওয়া হয়। ছেলে বন্দীর ক্ষেত্রে সাহায্যকারী হিসেবে ছেলে আর মেয়ে বন্দীর জন্য একজন মেয়ে থাকেন।
এছাড়া প্রথম শ্রেণির ডিভিশনপ্রাপ্ত ব্যক্তি চাইলে বই পাবেন, সঙ্গে পাবেন তিনটি দৈনিক পত্রিকা। সাধারণ বন্দীদের চেয়ে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দীর খাওয়ার মানও ভালো হয়ে থাকে।
ইউডি/এ

