‘জামায়াতের হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ডিএমপি’
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৫:০০
রাজধানীর মৌচাক-মালিবাগ এলাকায় পুলিশের ওপর জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) থার্টি ফার্স্ট নাইটের নিরাপত্তার বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী পুলিশের কাছ থেকে গণমিছিলের অনুমতি নেয়নি। আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছি। যেহেতু তারা বিনা অনুমোদনে একটা মিছিল বের করেছে, পুলিশের ওপর হামলা করেছে। সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
এ বিষয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থানে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এভাবে বেআইনি কাজ করা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার বিষয়ে বিন্দুমাত্র কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
শনিবার পুলিশের উপর হামলার ঘটনার পেছনে গোয়েন্দা নজরদারির ব্যর্থতা রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গোয়েন্দা নজরদারি ছিল না বিষয়টি এমন নয়। আমারা কিছু তথ্য পেয়েছিলাম। তারা বিভিন্নভাবে ছড়িয়েছে, তারা বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে মিছিল করবে। কিন্তু তারা রামপুরা আবুল হোটেলের সামনে থেকে মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশের বাধা পেয়ে মৌচাক-মালিবাগে এসে মিছিলটি করে।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে রামপুরার আবুল হোটেলের সামনে থেকে মিছিল বের করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই মিছিলটি মালিবাগ মোড় পর্যন্ত চলে আসে। পুলিশ বলছে, সেখানে পৌঁছা মাত্রই মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে মিছিলকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের এই হামলায় আহত হয়েছেন ১০ পুলিশ সদস্য হয়েছেন বলে জানিয়েছে ডিএমপি। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, নিউমার্কেট জোনের এসি শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান, রমনা জোনের এসি বায়েজীদুর রহমান, রমনা থানার এসআই শহীদুল ওসমান মাসুম, এসআই সুবীর কুমার কর্মকার, এসআই হাবিবুর রহমান, এসআই মোহাইমিনুল হাসান, এএসআই কবির হোসেন, এএসআই ফিরোজ মিয়া, পিওএম পূর্বের কনস্টেবল সৌরভ নাথ ও কনস্টেবল সাদী মোহাম্মদ।
ইউডি/এ

