হ্যাটট্রিক জয়ে কুমিল্লার চোখ

হ্যাটট্রিক জয়ে কুমিল্লার চোখ

উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৮:০০

হ্যাটট্রিক হারের পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেটের নবম আসরে টানা দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

এবার হ্যাটট্রিক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটর্সের মুখোমুখি হচ্ছে কুমিল্লা। পক্ষান্তরে, হ্যাটট্রিক হারের স্বাদ পাওয়া ঢাকা দ্বিতীয় জয় পেতে মরিয়া।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে আগামীকাল (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে কুমিল্লা ও ঢাকার লড়াই।

এবারের আসরে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচেই হারে কুমিল্লা। ঢাকা পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে ৩৪ রানে ও দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে পাঁচ উইকেটে হারে তারা।

চট্টগ্রামের মাটিতেও শুরুটা ভালো করতে পারেনি কুমিল্লা। সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে ফরচুন বরিশালের কাছে ১২ রানে ম্যাচে হারে কুমিল্লা। হ্যাটট্রিক হারে কোণঠাসা হয়ে পড়ে কুমিল্লা।

অবশেষে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে এবারের আসরে প্রথম জয়ের দেখা পায় কুমিল্লা। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ছয় উইকেটে হারায় তারা। এরপর পঞ্চম ম্যাচেও দুর্দান্ত এক জয় তুলে নেয় ইমরুল-লিটনদের দল।

মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অপ্রতিরোধ্য মাশরাফীর সিলেট স্ট্রাইকার্সকে এবারের আসরে প্রথম হারের স্বাদ দেয় কুমিল্লা। ৫ উইকেটে জয় পায় তারা। অর্থাৎ নিজেদের প্রথম পাঁচ ম্যাচ জয়ের পর নিজেদের ষষ্ঠ খেলায় পরাজিত হয় সিলেট।

৪২ বলে ৭০ রানের দর্শনীয় ইনিংস খেলে সিলেটের বিপক্ষে জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ওপেনার লিটন দাস। এবারের আসরে এটিই ছিল তার প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি।

কুমিল্লার হয়ে এবারে আসরে এখন পর্যন্ত ৫ ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৬০ রান করেছেন লিটন। বোলিংয়ে সেরা পারফরমার স্পিনার তানভীর ইসলাম। ৩ ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

সিলেটের বিপক্ষে জয়ের পর কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল বলেন, ‘প্রথম তিন ম্যাচে আমরা ভাল করতে পারিনি। এরপর আমরা অনেক আলোচনা করেছি, নিজেদের পরিকল্পনাগুলো মাঠে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। আশা করি, পরের ম্যাচগুলোতেও ভালো করতে পারবো।’

এদিকে অধিনায়ক নাসির হোসেনের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জয় দিয়ে এবারের বিপিএল শুরু করেছিল ঢাকা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ছয় উইকেটে জয় পেয়েছিল তারা।

কিন্তু এরপরই পথ হারায় ঢাকা। পরের তিন ম্যাচেই হারে তারা। সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে ৬২ রানে ও পাঁচ উইকেটে এবং চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে আট উইকেটে পরাজিত হয় ডমিনেটর্স। ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাটিতে সমান ২টি করে ম্যাচ হারে তারা।

যে কারণেই হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া ঢাকা। দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ পেতে হলে ব্যাটিং বিভাগে জ্বলে উঠতে হবে নাসির-সৌম্য-মিথুনদের।

বোলিংয়ে দারুণ ছন্দে আছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। কিন্তু খুব বেশি উইকেট নিতে পারেননি তিনি। চার ইনিংসে ১৫ দশমিক ৪ ওভার বল করে ৮৬ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। তার ইকোনমি রেট ৫ দশমিক ৪৮।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading