জনপ্রিয় ৭ ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ চলচ্চিত্র

জনপ্রিয় ৭ ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ চলচ্চিত্র

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩ । আপডেট ১২:৩০

যৌনতা কমবেশি প্রায় সিনেমাতেই দেখা যায়। শারীরিক প্রেম, আসক্তি আর উদ্দাম যৌন মিলনে ভরপুর সিনেমার সঙ্গে যদি মিশে থাকে রহস্য, টুইস্ট, ড্রামা, তবে তা দর্শকদের জন্য সোনায় সোহাগা! ঠিক এমনই সিনেমার সেরা ঠিকানা নেটফ্লিক্স এবং অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও। এই ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলোতে চোখ রাখলেই মিলবে এমনই একাধিক থ্রিলার সিনেমা, যেগুলো শরীরী উষ্ণতার নীল আভায় ছুঁয়ে যায় দর্শকদের। ঠিক এমনই সাতটি সিনেমা নিয়ে আজকের প্রতিবেদন―

অ্যামার : ২০১৭ সালে নেটফ্লিক্সের পর্দায় মুক্তি পায় যৌনতা ও রহস্যে মোড়া এই স্প্যানিশ সিনেমাটি। প্রেমের একাধিক সম্ভাবনা কিভাবে পরতে পরতে উন্মোচন করা যায় তার খোঁজেই ছিল লরা এবং কার্লোস। এর পরই তুমুল যৌনতায় জড়িয়ে পড়ে দুজনই। নিজেদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নায়ক-নায়িকা হয়ে পড়েন লাগামছাড়া। সীমাহীন যৌনতায় ভরা এই সিনেমাটির পরিচালক ছিলেন এস্টেবান ক্রেসপো। লরা এবং কার্লোসের ভূমিকায় ছিলেন আইডা ফোলচ এবং অ্যালবার্তো ফেরেইরো।

আফটার : ২০১৯ সালে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পায় আফটার সিনেমাটি। দর্শকরা এই সিনেমার সঙ্গে মিল পেতেই পারেন ৩৬৫ ডে’জ এবং ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’ সিনেমা দুটির। ওই দুই সিনেমার মতোই এই সিনেমাতেও এক নারীর জীবনে আচমকাই এসে পড়ে এক রহস্যময় পুরুষ। সেই পুরুষটির আগমনে যেন নিজের যৌনতা বন্ধনহীন হয়ে পড়ে নায়িকার। চিত্র সমালোচকদের কাছ থেকে ফিল্মটি যথেষ্ট নিন্দিত হলেও খোলামেলা যৌন দৃশ্যের জন্য বহু দর্শক সিনেমাটি বারবার দেখেছেন। এই সিনেমাতে অভিনয় করতে দেখা গেছে হিরো ফিয়েন্স টিফিন এবং অভিনেত্রী জোসেফিন ল্যাংলর্ডকে।

নক নক : ২০১৫ সালে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল দর্শকমহলে। সাধারণত, সিনেমায় বৃষ্টির রাতে দুই অচেনা নারী এক গৃহস্থর ঘরে আশ্রয় নিলে প্রথম থেকেই বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয় দর্শকের মনে। এই সিনেমাতেও খেটে গিয়েছিল সেই ফর্মুলা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল যে এই দুই নারী হয়তো অশরীরী অথবা ডাকাত। কিন্তু সিনেমাটি যত এগোতে থাকে দুই নারীর চরিত্রও বেরিয়ে আসতে থাকে খোলস ছেড়ে। শেষমেশ তাদের আশ্রয় দেওয়া সাধারণ একজন গৃহস্থের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনই যে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল তা স্পষ্ট হয় সিনেমাটির শেষে। কিয়ানু রিভস, লরেঞ্জা ইজো এবং অ্যানা দে আরমাস এই ছবির প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করেন।

দ্য বয় নেক্সট ডোর : জেনিফার লোপেজ, রিয়ান গুজম্যান অভিনীত ‘দ্য বয় নেক্সট ডোর’ সিনেমাটি ২০১৫ সালে বক্স অফিসে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটির নাম থেকেই পরিষ্কার যে পাশের বাড়ির ছেলে অর্থাৎ প্রতিবেশীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন নায়িকা। তবে এরপর কোন দিকে গড়ায় এই সম্পর্ক তা জানতে গেলে অবশ্যই দেখতে হবে ‘দ্য বয় নেক্সট ডোর’।

ডন জন : ২০১৩ সালে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাওয়া ‘ডন জন’ সিনেমাটিকে একাধারে যৌনতা এবং শিক্ষামূলক, উভয়ই বলা যায়। পর্ন ছবিতে আসক্তি অনেক ক্ষেত্রেই বিপদ ডেকে আনে বিভিন্ন বয়সের মানুষের জীবনে। ঠিক তেমনিভাবেই নায়কের শয্যাসঙ্গিনী হতে অনিচ্ছুক এক নারীকে চ্যালেঞ্জ করতে গিয়ে কিভাবে অশ্লীল ছবিতে আসক্ত হয়ে পড়েন ছবির নায়ক, তারই গল্প বলে ‘ডন জন’। স্কারলেট জোহানসন, জোসেফ গর্ডন লেভিট এবং পর্ন অভিনেত্রী মিয়া মালকোভাকে দেখা গেছে এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে।

বিএ পাস : অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে ২০১২ সালে মুক্তি পায় বিএ পাস সিনেমাটি। এর গল্পে দেখা যায়, প্রতিবেশিনীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এক নাবালক। এরপর নানা ঘটনার ঘনঘটায় সেই নাবালক এবং সেই প্রতিবেশিনীর সম্পর্কে চলতে থাকে নানা ওঠাপড়া। সিনেমাটিতে শিল্পা শুক্লা এবং সাদাব কামাল অভিনয় করেছিলেন প্রতিবেশিনী এবং নাবালকের চরিত্রে। এই ফিল্মটিও খোলামেলা দৃশ্যের জন্যই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

দ্য পিয়ানো টিচার : যৌনগন্ধী সিনেমার তালিকায় সবার ওপরে থাকবে ‘দ্য পিয়ানো টিচার’ সিনেমাটি। ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি শুধু দর্শক মহলেই সমাদৃত হয়েছিল তা নয়, পাশাপাশি কান চলচ্চিত্র উৎসবেও গ্রাঁ প্রি পুরস্কার জিতে নিয়েছিল ‘দ্য পিয়ানো টিচার’। অভিনেতা হাপার্ট এবং ম্যাগিমেল জিতে নিয়েছিলেন সেরা অভিনেতা এবং অভিনেত্রীর পুরস্কার। এক পিয়ানো শিক্ষিকার সঙ্গে তার ছাত্রের সম্পর্ক, যা প্রেমের নয় বরং কিছুটা বিকৃত যৌন ইচ্ছার। এমন গল্পে নির্মিত সিনেমাটি তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল সব মহলেই। এটি নেটফ্লিক্সে রয়েছে।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading