জাহাঙ্গীরের মেয়র পদ ফিরে পাওয়ার রায় পেছাল
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ । আপডেট ১২:১৫
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের রায় পিছিয়ে আগামী ৪ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে একই বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য ৩০ মার্চ দিন ধার্য করেন।
ওইদিন আদালতে জাহাঙ্গীরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, অ্যাডভোকেট এম কে রহমান ও ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম।
এর আগে, গত ১৫ মার্চ মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শুরু হয়।
এদিকে গত ১২ মার্চ জাহাঙ্গীর আলমকে তার পদে পুনর্বহালের জন্য স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন ওই সিটির ৬২ জন কাউন্সিলর। ওই আবেদনে বলা হয়, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলগণ জানাচ্ছি যে, নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচিত কাউন্সিলর ও দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। কিন্তু বিগত ১৫ মাসে এ সিটিতে প্যানেল মেয়রের (কাউন্সিলর) স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও সমন্বয়হীনতা বর্তমানে চরম সীমায় পৌঁছেছে। যার ফলস্বরূপ গাজীপুর সিটি করপোরেশন সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।’
এর আগে গত বছরের ২৩ আগস্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলে স্থানীয় সরকার সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ওই শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, জাহাঙ্গীর আলমকে যেসব অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত এখনও চলমান। রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছিলেন, যে অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগেও একই অভিযোগ আনা হয়েছিল। তখন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়নি।
ইউডি/এ

