কঠিন মসিবতে ট্রাম্প

কঠিন মসিবতে ট্রাম্প

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ১৩:০৫

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। স্টর্মি ড্যানিয়েলস নামে এক পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধ রাখতে অর্থ দেওয়ার অভিযোগে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড জুরি আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। ট্রাম্পই প্রথম কোনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি ফৌজদারি অভিযোগের সম্মুখীন হলেন। এ অবস্থায় তাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে, দোষী সাব্যস্ত হলে যেতে হতে পারে কারাগারে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে থাকা ট্রাম্প তাতে পড়লেন কঠিন মসিবতে। এ নিয়ে আসাদ এফ রহমান’র প্রতিবেদন

কেন অভিযুক্ত হলেন সাবেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট: ড্যানিয়েলসকে গোপনে অর্থ দেয়ার মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য যথেষ্ট উপাদান রয়েছে কিনা, সেটি বিচারে এ বছরের শুরুর দিকে একটি গ্র্যান্ড জুরি গঠন করেন নিউইয়র্ক সিটির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ। গোপনে সেই গ্রান্ড জুরি গঠন করা হয় এবং মামলায় অভিযোগ আনার জন্য যথেষ্ট উপাদান রয়েছে কিনা, তা নির্ধারণে একজন প্রসিকিউটরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিবিসি লিখেছে, গত বৃহস্পতিবার সেই গ্র্যান্ড জুরি ট্রাম্পের ওই মামলায় অভিযোগ গঠনের পক্ষে ভোট দেয়; এতে আমেরিকার প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টকে ফৌজদারি মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ মামলার মূল অভিযোগ, স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেওয়া অর্থ ট্রাম্প তার আইনজীবী কোহেনকে দেওয়া লিগ্যাল ফি হিসেবে দেখিয়ে ব্যবসার খরচ বলে চালিয়েছেন। আর কোহেন হলফনামায় বলেছিলেন, সেই ১ লাখ ৩০ হাজার ডলারের সঙ্গে কর বাবদ খরচা ও বোনাসসহ ৪ লাখ ২০ হাজার ডলার তিনি ট্রাম্পের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। নিউইয়র্কের আইনে ব্যবসার নথিতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ।

আত্মসমর্পণ না গ্রেপ্তার কোন পথে ট্রাম্প: ইতিমধ্যে ট্রাম্পকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। ট্রাম্প কীভাবে আত্মসমর্পণ করবেন, গ্রেপ্তার হলে তার সঙ্গে অন্য আসামিদের মতো করেই আচরণ করা হবে কি না, ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, এসব নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। আলোচনার ভিত্তিতে জানিয়ে দেওয়া হবে, কীভাবে এবং কখন ট্রাম্প গ্রেপ্তার এবং প্রথম শুনানিতে অংশ নেওয়ার জন্য নিউইয়র্ক সিটিতে যাবেন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলেছে, আগামী মঙ্গলবার ট্রাম্প আদালতে যেতে পারেন।আদালতে বিচারপতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগগুলো না পড়ে শোনানো পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রকাশ করা হবে না। ট্রাম্পের আইনজীবীরা ইঙ্গিত করেছেন, নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষকে ট্রাম্প সহযোগিতা করবেন। সুতরাং, তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে না। ট্রাম্পের নিজস্ব মালিকানাধীন উড়োজাহাজ আছে। তিনি সে উড়োজাহাজে করে নিউইয়র্কের কোনো একটি বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারেন। এরপর গাড়িতে করে ম্যানহাটনের আদালত প্রাঙ্গণে যেতে পারেন।

সাবেক প্রেসিডেন্টের জন্য বিশেষ কি ব্যবস্থা?
অন্য আসামিদের মতো ট্রাম্পকে হয়তো সংবাদকর্মীদের সামনে দিয়ে হেঁটে হেঁটে আদালতে প্রবেশ না-ও করতে হতে পারে। বরং কৌঁসুলিদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আদালত হয়তো তাকে গোপনে প্রবেশের সুযোগ দিতে পারেন। ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত অন্য আসামিদের মতো করেই ট্রাম্পের আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে এবং মুখের ছবি তোলা হবে। ট্রাম্প তার ‘মিরান্ডা রাইটস’-এ পড়বেন। এর মধ্য দিয়ে তাকে মনে করিয়ে দেওয়া হবে যে সাংবিধানিকভাবে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার অধিকার তার আছে। তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত আসামিদের সাময়িকভাবে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়। তবে ট্রাম্পের আইনজীবীরা চেষ্টা করবেন তাদের মক্কেলের ক্ষেত্রে যেন এমনটা না হয়। গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলার সময় গোয়েন্দা কর্মীরা তাঁর সঙ্গে থাকবেন।

চার বছরের কারাদন্ড নাকি জরিমানার মুখে?
আদালতে বিচারপতির সামনে না তোলা পর্যন্ত তাকে হাজতখানায় আটক রাখা হবে। আদালতে আসামিরা যখন বিচারপতির কাছে নিজেদের আরজি পেশ করেন, সে সময় যে-কেউ সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন। মামলা নথিভুক্ত হওয়া এবং একজন বিচারপতি নির্বাচিত হওয়ার পর অন্য কাজগুলো করা হয়ে থাকে। যেমন বিচার কাজের জন্য সময় নির্ধারণ, আসামির জন্য সম্ভাব্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং জামিন আবেদনের প্রস্তুতি। ফৌজদারি অপরাধে ট্রাম্প যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদø হতে পারে। যদিও আইন বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, ট্রাম্পের জরিমানা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাকে কারাবন্দী রাখার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন তাঁরা।

বিশ্বজুড়ে আলোচনায় স্টর্মি ড্যানিয়েলস: তার আসল নাম স্টেফানি ক্লিফোর্ড। গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ২০০৬ সালে একটি চ্যারিটি গলফ টুর্নামেন্টে ট্রাম্পের সঙ্গে তার দেখা হয়। তার ভাষ্য, ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভাডার রিসোর্ট এলাকার লেক তাহো’র হোটেল কক্ষে তারা যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। তখন ট্রাম্পের এক আইনজীবী সেই অভিযোগ বেশ জোরেশোরেই অস্বীকার করেছিলেন। যৌন সম্পর্কের বিষয়টি কাউকে না জানাতে ট্রাম্প তাকে বলেছিলেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে এই পর্ন তারকা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তখন তাকে (ট্রাম্প) চিন্তিত মনে হয়নি। তাকে একরকম উদ্ধতই মনে হয়েছিল। ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ওই সময় টুর্নামেন্টে ছিলেন না। সেসময় সবে সন্তান জš§ দিয়েছিলেন তিনি। ড্যানিয়েলস জানান, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কিছুদিন আগে ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন তাকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন যৌন সম্পর্কের ঘটনা গোপন রাখতে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সেসময় কিছু না বলে ওই অর্থ গ্রহণ করেন বলে দাবি করেন তিনি। ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় নীরব থাকতে আইনি ও শারীরিকভাবেও হুমকি পেয়েছিলেন বলে ড্যানিয়েলসের ভাষ্য। ওই ঘটনা নিয়ে ২০১১ সালে ইন টাচ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হওয়ার পরপরই হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, লাস ভেগাসে এক ব্যক্তি তার কাছে যান। এরপর হুমকি দিয়ে তাকে বলেন, ট্রাম্পকে নিজের মত থাকতে দাও । ড্যানিয়েলসের বাচ্চা মেয়েকে জড়িয়ে হুমকি দিয়ে ওই ব্যক্তি বলেন, “খুব সুন্দর ছোট্ট মেয়ে। তার মায়ের যদি কিছু হয়ে যায়, তবে সেটা ভালো কিছু হবে না। ২০১৮ সালে সিবিএস নিউজের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছিলেন ড্যানিয়েলস। বিষয়টি নিয়ে এর আগে তিনি ইন টাচ ম্যাগাজিনকে যে সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ছাপতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

নির্বাচন ঘিরে নয়া কোনো ফন্দি নয়তো! আগামী বছর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে আবারও প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে অভিযুক্ত হওয়া কিংবা ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেও ট্রাম্প চাইলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য তার প্রচারণা চালিয়ে যেতে পারবেন। ইতিমধ্যে ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা কিছুই হোক না কেন, তিনি তাঁর কাজ চালিয়ে যাবেন। অপরাধে দোষী সাব্যস্ত কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে দেওয়া কিংবা তাকে প্রেসিডেন্ট হতে না দেওয়ার মতো কোনো আইন আমেরিকায় নেই। এমনকি ওই ব্যক্তি জেলে থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। তবে ট্রাম্প গ্রেপ্তার হলে নিশ্চিতভাবেই তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার ওপর প্রভাব পড়বে। কারণ, তিনি ঠিকঠাক মতো প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। বিতর্কেও অংশ নিতে পারবেন না। রয়টার্স বলছে, ট্রাম্প তার মূল সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ জাগিয়ে তুলতে এই মামলাটি ব্যবহার করতে পারেন। যদিও অন্যান্য রিপাবলিকান ভোটাররা ট্রাম্পের নাটক দেখে দেখে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারেন।

ট্রাম্প বললেন রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং নির্বাচনী হস্তক্ষেপ: ট্রাম্প অবশ্য বলছেন, তিনি ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ’। একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিযোগিতা থেকে সরে না যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এছাড়া তার পুনরায় নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনাকে নষ্টের চেষ্টা করার জন্য ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট ব্র্যাগকে অভিযুক্ত করেছেন। সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং নির্বাচনী হস্তক্ষেপ’। তার দাবি, এর আগে কখনও এই পর্যায়ে রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি এবং নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ ঘটানো হয়নি। যদিও ট্রাম্প তার সপক্ষে কোনও প্রমাণ বা যুক্তি কখনোই দেননি। নিজের প্রচারণা অনুসারে ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সংগ্রহ করেছেন। এর আগে অবশ্য গত ১৮ মার্চ ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করে ট্রাম্প বলেছিলেন, তাকে চার দিন পরে গ্রেপ্তার করা হবে।

আমেরিকার গণতন্ত্র ও আত্মমর্যাদায় চপেটাঘাত: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন নিয়ে কয়েকদিনের জল্পনা শেষ পর্যন্ত সত্যই হল। ট্রাম্পের অভিযুক্ত হওয়া কেবল তার নিজের এবং রিপাবলিকান পার্টির জন্যই নয়, বরং আমেরিকার জন্যও একটি গুরুতর ব্যাপার। কারণ, আমেরিকার ইতিহাসে ট্রাম্পই প্রথম প্রেসিডেন্ট যিনি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা আমেরিকার আত্মবোধ, ঐতিহ্যবাহী গণতন্ত্র ও সুমহান আত্মমর্যাদায় চপেটাঘাত বলেই অভিমত বিবিসি-র বিশ্লেষক ও ওয়াশিংটন সংবাদদাতা গ্যারি ও’ডোনোগুর। গ্যারি বলছেন, এটি সত্য যে, সাবেক এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ১৮৭২ সালে তার ঘোড়ায় টানা গাড়ির দ্রুতগতির জন্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ গঠন হয়নি। বলা হচ্ছে, ইউলিসিস এস গ্রান্ট এর কথা। ১৮৬৫ সালে একজন কমান্ডিং জেনারেল হিসাবে যিনি আমেরিকার গৃহযুদ্ধে ইউনিয়ন বাহিনীর জয় এনে দিয়েছিলেন। পরে ‘আমেরিকান বীর’ হিসাবে গ্রান্ট ১৮ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকালে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে যা ঘটেছে সেটি তেমন কোনও ব্যাপার নয়। গ্যারির মতে, কয়েকটি দিক থেকে দেখতে গেলে, একজন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়া, এমনকী তিনি জেলে গেলেও সেটি কোনও খবর নয়। কারণ, সময়ে সময়ে বিশ্বের অনেক দেশেই এমনটি ঘটেছে। শত শত প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং সামরিক নেতারা প্রাসাদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। সরাসরি জেল হয়েছে তাদের। কিন্তু আমেরিকা নিজেদেরকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসাবেই দেখে। আর ওয়াশিংটনের অবস্থান যেন একটি পাহাড়ের ওপর, যে নগরী পাহাড়ের মতোই উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে গোটা বিশ্বে ন্যায়পরায়ণতা, গণতন্ত্রের বাতিঘর হয়ে আছে। সুতরাং, সেই বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রাম্পের অভিযুক্ত হওয়ার ঘটনা শুধু তার জন্যই সমস্যাজনক নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক আত্মবোধের ওপরেও নতুন করে আরেক আঘাত।

ইউডি/সুপ্ত/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading