পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ০৮:০০
অবশেষে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য উন্মুক্ত হলো পদ্মা সেতু। শর্ত সাপেক্ষে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে ছয় শর্তে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়েছে।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জাজিরা টোল প্লাজার ব্যবস্থাপক কামাল হোসেন।
এর আগে, ঈদযাত্রার সুবিধার্থে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও শরীয়তপুরের সাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝির ঘাটে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করেছিল কর্তৃপক্ষ। পদ্মা সেতু দিয়ে প্রায় ১০ মাস পর মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হওয়ায় আবারও ফাঁকা পড়ে রয়েছে ফেরি।
সেতু চালু হওয়ার পর প্রথম বারের মতো বন্ধ হয়েছিল ফেরি চলাচল। এবার এখনো আনুষ্ঠানিক বন্ধ ঘোষণা করেনি কর্তৃপক্ষ।
বাইকার আল আমিন বলেন, যে ছয়টি শর্ত কর্তৃপক্ষ দিয়েছে, তা মেনেই আমরা পদ্মা সেতু পাড় হব। দুই দিন আগে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছিল বাইকারদের জন্য। কিন্তু এখন সেতু দিয়ে পাড় হতে পারব বলে ফেরিতে যাইনি।
মিরাজুল ইসলাম নামে আরেক বাইকার বলেন, ফেরি দিয়ে যাতায়াত করতে সময় বেশি লাগে। নদীতে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, সময় বেশি লাগে। তাছাড়া পদ্মা সেতুর টোল ১০০ টাকা আর ফেরির ভাড়া ১৫০ টাকা। সেতুতে সব দিক মিলিয়ে সুবিধা বেশি। সেতু থাকতে ফেরি দিয়ে যাতায়াতের কোনো মানে নেই।
বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ও সাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝির ঘাটের ব্যবস্থাপক জামাল হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হওয়ায় ফেরিতে কোনো গাড়ি বা যাত্রী নেই বলে ফেরি ঘাটে পড়ে রয়েছে। কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত কলমিলতা ও কুঞ্জলতা ঘাটেই থাকবে।
পদ্মাসেতু পাড় হতে দেওয়া শর্তগুলো হলো- গতিতে সেতু পারাপার হতে হবে। মোটরসাইকেলের জন্য নির্ধারিত টোল বুথ ও নির্ধারিত লেন ব্যবহার করতে হবে, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত লেন পরিবর্তন করা যাবে না, সেতুতে ওভারটেকও করা যাবে না, চালক ও আরোহীকে হেলমেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সেতুর ওপর দাঁড়ানো বা ছবি তোলা যাবে না। চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন মোটরসাইকেলে চড়তে পারবেন।
ইউডি/এ

