আমেরিকা-চীনের আধিপত্যের লড়াই: মধ্যপ্রাচ্য এখন কার?

আমেরিকা-চীনের আধিপত্যের লড়াই: মধ্যপ্রাচ্য এখন কার?

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৫:১০

আচমকাই যেন মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক আবহে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করা আমেরিকা চীনের কূটনীতির কাছে হোঁচট খাচ্ছে। চীনের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মোড় দিচ্ছে। এ নিয়ে বিনয় দাস’র প্রতিবেদন

বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। আর এর ফলে এই অঞ্চলের দিকে বিশ্বের পরাশক্তি দেশগুলোর প্রভাব বিস্তার করা ও নাকগলানোর অভ্যাস বহু পুরনো। আমেরিকা এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নাম। তারা পুরো অঞ্চলটিতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে। তবে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেখা যায় আমেরিকা নয়, মধ্যপ্রাচ্যে চীনের নয়া প্রভাব স্পষ্ট। মধ্যপ্রাচ্য এমন একটি অঞ্চল, যেখানে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চালু রয়েছে, আর এ ব্যাপারে এই অঞ্চলের সাধারণ জনগন তেমন একটি গুরুত্বও দেয় না। এই অঞ্চলের ভৌগলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব বিস্তার করে। বিশেষ করে জÍালানি তেলে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল ঘিরে পশ্চিামাদের আগ্রহ অনেক। তবে বিদেশি তৎপরতা নিয়ে এই অঞ্চলের সাধারণ জনগনের রয়েছে নানা প্রশ্ন ও নানা মত। ২০২২ সালে দোহাভিত্তিক আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ ১৪টি আরব দেশের ওপর একটি জরিপ করেছিল। জরিপে অংশ নেওয়া ৭৮ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও হুমকির সবচেয়ে বড় উৎস। গত বছরের জুলাইয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সে সময় বাইডেন ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমেরিকা হঠাৎ মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে গিয়ে এমন শূন্যতা তৈরি করবে না, যার সুযোগ নেবে চীন, রাশিয়া বা ইরান। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে বাইডেনের ঘোষণার ঠিক উল্টোটাই ঘটেছে। আমেরিকার আপত্তি থাকা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে তার আরব মিত্ররা ইরান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন এবং মস্কোর সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক রক্ষার মাধ্যমে ‘হাইব্রিড’ নীতি গ্রহণ করেছে।

বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন: সম্প্রতি চীনের মধ্যস্থতায় মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রভাবশালী দেশ সৌদি ও ইরানের মধ্যে পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তি হয়। বাইডেন প্রশাসন যদিও প্রকাশ্যে এ চুক্তির গুরুত্বকে খাটো করে দেখিয়ে বিবৃতি দিয়েছে, তবে তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চল ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টি যে ওয়াশিংটনকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে তা স্পষ্ট হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রভাব পুনরুদ্ধারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সম্প্রতি তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। গত দুই দশকে আমেরিকা তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়েছে, দৃশ্যত এখন তারা জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বনির্ভর। আমেরিকার এখন আর উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল তেমনটা প্রয়োজন নেই। কিন্তু ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ তারা বজায় রাখতে চায়, যেন সংঘাত বেধে গেলে চীনে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া যায় এবং মিত্রদেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। গত মাসে ব্লিঙ্কেন এই সতর্কবার্তা দেন যে, চীন আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। কিন্তু উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বৈরশাসকদের কাছে বেইজিংয়ের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ওয়াশিংটনের গণতন্ত্রের চেয়ে বেশি ভালো ও মানানসই বলে মনে হচ্ছে। আমেরিকার সাবেক কর্মকর্তা স্টিভেন সিমন তার গ্র্যান্ড ডিইলিউশন: দ্য রাইস অ্যান্ড ফল অফ আমেরিকান অ্যামবিশন ইন দ্য মিডল ইস্ট’ বইয়ে হিসাব দেখিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে পাঁচ-সাত ট্রিলিয়ন ডলার অপচয় করেছে আমেরিকা। এই যুদ্ধের ফলাফল হলো লাখ লাখ আরব ও মুসলিম নিহত হয়েছেন এবং তাদের বসতিগুলো ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। আহত ছাড়িয়েছে লাখ সেনা। আত্মহত্যা করেছেন ৩০ হাজার সাবেক সেনা।

চীনের আধিপত্য বিস্তারের নেপথ্যে: ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তিনদিনের সফরে সৌদি আরব আসেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই সফরকালে তিনি আরব লীগ এবং গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত দেশগুলোর সাথে চীনের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। সৌদি আরবের নেপথ্য শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই সফরকে তার দেশের সাথে চীনের সম্পর্কের ‘এক নতুন ঐতিহাসিক যুগের’ সূচনাকারী হিসেবে অভিহিত করেন। ওয়াশিংটন-ভিত্তিক চিন্তক সংস্থা কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রিসপন্সিবল স্টেটক্রাফট -এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ট্রিটা পার্সি বলেন, এসব কিছু বেইজিংকে এ অঞ্চলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই একটা প্রভাব এনে দিয়েছে। যার সুবাদেই অতীতের মধ্যস্ততাকারীরা ব্যর্থ হলেও সৌদি-ইরানের ক্ষেত্রে চীন সফল হয়েছে। কারণ, অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো চীনের সুদৃষ্টিতে থাকতে চায়। চীন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেকে আমেরিকার সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উদ্যমী হলেও এখানে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে উৎখাত করতে চায় না। আর সে চেষ্টাও দেশটি করছে না বলে মন্তব্য করেন সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট -এর অধ্যাপক ফান হংডা। চীনের ক্ষমতার প্রধান উৎস তার অর্থনৈতিক প্রভাব এবং বিআরআই এর মতো প্রকল্পগুলো। মধ্যপ্রাচ্যে আপাতত এসব বিষয়ই রক্ষা করতে চায় বেইজিং।চীন কখনো মধ্যপ্রাচ্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়নি। আমার মনে হয় না, এইক্ষেত্রে আমেরিকার জায়গা দখলের কোনো পরিকল্পনাও চীনের আছে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা এমন অনেক কাজই করেছে যা চীনের পছন্দ নয়। এক কথায়, মধ্যপ্রাচ্যের সাথে সহযোগিতার সম্পর্ক রক্ষায় চীনের স্বতন্ত্র নীতি ও পদ্ধতি রয়েছে।

বৃহত্তম বিনিয়োগকারী বেইজিং, রেকর্ড বাণিজ্য: ২০০০ সালে যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য ছিল ১৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, ২০২১ সালে এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ২৮৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৯৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসরসহ মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশ সম্প্রতি চীনের নেতৃত্বে পরিচালিত ব্রিকসে যুক্ত হওয়ার আবেদন করেছে। রাশিয়া, ইন্ডিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকাও ব্রিকসের সদস্য। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা যখন আরও কঠোর হচ্ছে, সে সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ব্রিকসে যুক্ত হতে চাইছে। গত তিন দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ক্ষমতায় আমেরিকার আধিপত্য ছিল। এখনো তারা সেটা বজায় রেখেছে। প্রশ্ন হলো, আগামী তিন দশকে সেটা অব্যাহত থাকবে কি না? সৌদি আরব ও ইরানের উভয়েরই শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হলো চীন। এশীয় পরাশক্তিটি উভয় দেশেরই প্রধান রপ্তানি পণ্য জ্বালানি তেলের প্রধান ক্রেতা। ২০২১ সালে ইরানের সাথে ২৫ বছর মেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি এবং ২০২২ সালে সৌদি আরবের সাথে বৃহত্তর কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে চীন। সৌদি ও ইরানের বাইরেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের দিকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে বেইজিং। এক্ষেত্রে অবদান রেখেছে ২০১৩ সালে শুরু হওয়া চীনের সুবিশাল বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। বিআরই এর আওতায়- এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে- সমুদ্র বন্দর, মহাসড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মোট ২৭৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে চীন। মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম বিনিয়োগকারীও বেইজিং। ইরাক থেকে তেল এবং কাতার থেকে গ্যাস কেনে চীন। একইসঙ্গে অস্ত্র রপ্তানি করছে আলজেরিয়া, মরক্কো, তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরবে। মিশরকে কায়রোর অদূরে নতুন রাজধানী নির্মাণে সহযোগিতা করছে চীন, মক্কা নগরীতে নির্মাণ করেছে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক।

যেখানে সুবিধা পাবেন, সেখানেই যাবেন সৌদি যুবরাজ: সৌদি যুবরাজ সালমান বলেছেন, আমি পশ্চিমা দুনিয়ার সমালোচনা উপেক্ষা করেছি। আমরা যেখানে সুবিধা পাব, যেখানে সুবিধাজনক ডিল পাব, সেখানেই যাব। রিয়াদের সম্মেলনে চীন থেকে প্রচুর বিনিয়োগকারী ও শিল্পপতি অংশ নিয়েছেন। গত মার্চে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সৌদি আরামকো চীনের সঙ্গে দু’টি বড় বিনিয়োগ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। সৌদির যুবরাজ বলেছেন, চীনে তেলের চাহিদা অনেক বেড়েছে। তার কিছুটা সৌদি আরব পূরণ করছে। চীন আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, চীন আমাদের সহযোগী দেশ। আমরা সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছি। বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানির ভোক্তা দেশ চীনের সাথে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন মোড় নিয়েছে। তবে রিয়াদ ও বেইজিংয়ের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল প্রযুক্তিতেও গভীর হয়েছে; যা আমেরিকার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌদি আরব চীনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে চায়। এশীয় পরাশক্তি চীন ও আরব দেশগুলোর মধ্যে হাজার হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সৌদির জ্বালানিমন্ত্রী খালিদ আল ফলিহ বলেছেন, চীনের সঙ্গে আরব দুনিয়ার প্রতিটি চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তেলের বাইরে অন্য শিল্পের ক্ষেত্রে যে সব বিনিয়োগ চুক্তি হবে, তা আরব দুনিয়ার চেহারা বদলে দিতে পারে। সম্মেলন শেষ হলে চুক্তির পরিমাণ জানানো হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন সৌদি আরব সফরের কয়েকদিনের মধ্যেই এই বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হলো।

ইরান-সৌদি সমঝোতা: চীনের নীরব কূটনৈতিক অভ্যুত্থান: সাত বছর পর ইরান ও সৌদি আরব আবারও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে। ইরান-সৌদির সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের আচমকা ঘোষণায় মধ্যস্থতা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে চীন। অনেকেই ইরান-সৌদি সম্পর্কের নতুন মোড়কে এই অঞ্চলে চীনের নীরব কূটনৈতিক অভ্যুত্থান বলে অভিহিত করছেন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে আমেরিকার প্রভাব কমতে শুরু করেছে বলে যে আলাপ চলছে, তা আরও স্পষ্ট হলো। অনেকে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মোড়লগিরির শেষের শুরু। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে শান্তি স্থাপনে চীন রাশিয়ার আস্তানা কৌশলেরই অবলম্বন করেছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির কথা বলে পশ্চিমারা মধ্যপ্রাচ্যকে অনেক ঘুরিয়েছে। শান্তির পেছনে ঘুরে ঘুরে আরবরা এখন ক্লান্ত। চীন নিজেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না। চীনের বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজস্র অভিযোগ আছে। চীন ক্রমেই বিভিন্ন দেশে কর্তৃত্ববাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের রক্ষাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ইউডি/সুপ্ত/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading