তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতির মুখে সুন্দরবনের পর্যটন
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৭:০০
কর্মব্যস্ত জীবন থেকে সবুজ প্রকৃতিতে বুক ভরে নিশ্বাস নিতে ঈদের ছুটিতে অনেক পর্যটক সুন্দরবনে ছুটে আসতেন। তবে মাছ ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ প্রজনন স্থান নিশ্চিতে মৎস্য শিকার ও পর্যটক ভ্রমণে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার পর্যটকরা সুন্দরবন ভ্রমণে যেতে পারছেন না।
গত ১ জুন থেকে শুরু হওয়া সুন্দরবনে সব ধরনের মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ কারণে পর্যটকরা এবার সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারছেন না। এছাড়া, এতে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
সুন্দরবনের ট্যুর ব্যবসায়ী গোলাম রহমান বিটু বলেন, “বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারির কারণে টানা সাত মাস বন্ধ থাকার পর ২০২০ সালের ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন খুলে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন পর প্রাণচাঞ্চল্য ফেরে সুন্দরবনকেন্দ্রিক সব পর্যটন শিল্পে। সে সময় অবসাদ কাটাতে অনেকেই সুন্দরবনে বেড়াতে আসেন। এরপর গত ২০২১ ও ২২ সালের জুন থেকে আগস্ট টানা তিন মাস করে পর্যটন মৌসুমে সুন্দরবন ভ্রমণ বন্ধ ছিল।”
এ পর্যটন ব্যবসায়ী জানান, কিন্তু আবারও সুন্দরবনে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আসায় তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আসন্ন ঈদের ছুটিতে হাজার হাজার পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণে আসতেন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বন্ধ থাকছে। অন্তত ঈদের ছুটির তিন দিন সুন্দরবন খুলে দিলে তাদের সংকট কিছুটা কমতো বলে জানান তিনি।
তবে সুন্দরবন খুলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, “মাছের প্রজনন বৃদ্ধির বৃহত্তর স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।”
ইউডি/এআই

