হোমসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ০২ জুলাই ২০২৩ । আপডেট ১০:৩০
সিরিয়ায় সরকার-নিয়ন্ত্রিত শহর হোমসের কাছাকাছি অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল।
তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সানা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরায়েলের বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
রবিবার (০২ জুলাই) ভোরে সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতি উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লেবাননের রাজধানী বৈরুতের কিছু অংশের উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে হোমস শহরের আশেপাশের অবস্থানে আঘাত হানে। এতে করে শুধুমাত্র বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র অভিচে আদ্রাই বলেছেন, ‘তাদের যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়ার একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারিতে হামলা চালিয়েছে, যেখান থেকে ইসরায়েলের দিকে একটি বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তাদের জেট বিমানগুলো এলাকার অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতেও আক্রমণ চালিয়েছে।’
এর আগে শনিবার আদ্রেই টুইটারে বলেছিলেন, সিরিয়ার ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলের দিকে ছুটে আসা বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য-আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।
লেবাননের হিজবুল্লাহসহ সিরিয়া ও লেবাননের মিত্রদের কাছে অস্ত্র সরবরাহের জন্য ইরানের বিমান সরবরাহ লাইনে ব্যাঘাত ঘটাতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সিরিয়ার বিমান বন্দর এবং বিমান ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিরিয়ায় ইরানের ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে কয়েক বছর ধরে চলমান সংঘাতের ক্রমবর্ধমানতার অংশ হচ্ছে ইসরায়েলের ওই বিমান হামলা।
২০১১ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সমর্থন করার পর থেকে সিরিয়ায় ইরানের প্রভাব বেড়েছে। হিজবুল্লাহসহ ইরানের মিত্র যোদ্ধারা এখন পূর্ব, দক্ষিণ এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার এলাকায় এবং রাজধানীর আশেপাশের বেশ কয়েকটি শহরতলিতে আধিপত্য বিস্তার করছে।
ইউডি/এ

