ইন্ডিয়ায় বিরোধীরা একাট্টা: চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি

ইন্ডিয়ায় বিরোধীরা একাট্টা: চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ । আপডেট ১৪:২৫

ইন্ডিয়ার আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীনদের হটাতে একাট্টা হয়েছে বিরোধী দলগুলো। ইতোমধ্যে ২৬টি বিরোধী দলের নতুন জোট ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়ান্স (ইন্ডিয়া) ও গঠন করা হয়েছে। নতুন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ছুঁড়েছেন একাধিক চ্যালেঞ্জ। এর বিপরীতে বিজেপি’র নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ৩৮ দলীয় মহাজোটের ঘোষণা দেয়। ইন্ডিয়ার রাজনীতির নয়া মোড় নিয়ে বিনয় দাস’র প্রতিবেদন

এনডিএ-বিজেপি’র জন্য নতুন পরীক্ষা ‘ইন্ডিয়া’

ইন্ডিয়ায় কংগ্রেস-সহ ২৬টি বিরোধী দলের নেতারা মিলে একাট্টা হয়েছে। ইতোমধ্যেই তারা তাদের জোটের নাম ‘ইন্ডিয়া’ হবে বলে ঘোষণা করেছেন। ‘ইন্ডিয়া’ শব্দটির পুরো নাম হলো-ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স। ব্যাঙ্গালোরে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলোর বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে গত মঙ্গলবার বিরোধী জোটের এই নামকরণ চ‚ড়ান্ত করা হয়। সম্মেলনে কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়গে জানান, পাটনা ও ব্যাঙ্গলোরের পর বিরোধী দলগুলোর পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে মুম্বাইতে। এই বৈঠকে যোগ দেওয়া মোট ২৬টি দল আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে, যেখানে প্রস্তাবিত বিরোধী জোটের রূপরেখা এবং বিরোধী শিবিরের নির্বাচনী কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেই আলোচনাতেই বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের বিকল্প হিসেবে বিরোধী জোটের এই ‘ইন্ডিয়া’ নামটি স্থির করা হয়।

ইন্ডিয়ার প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সাবেক প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীও ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বিরোধী শিবিরের মধ্যে নানা বিষয়ে সমন্বয় স্থাপনের জন্য ১১জন সদস্যকে নিয়ে একটি কোঅর্ডিনেশন কমিটিও গঠন করা হবে। সম্মেলনে আম আদমি পার্টির নেতা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, শিবসেনার (উদ্ধব গোষ্ঠী) নেতা উদ্ধব ঠাকরে ও সাবেক কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার কিংবা সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বলছেন, মোদি সরকারের জন্য নতুন এই জোট বড় পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে মোদীকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে বিজেপি’র পাল্টা ‘অস্ত্র’ মহাজোট

এদিকে, বিজেপি’র নেতৃত্বে থাকা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স বা এনডিএ ‘ইন্ডিয়া’র বিপরীতে আরও বড় জোট নিয়ে হাজির হয়েছে। গত মঙ্গলবারই তারা দিল্লিতে ৩৮ দলের মহাজোট গঠনের ঘোষণা দেয়। ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে এনডিএ’র ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশটির বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেসের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে বিজেপির ৩৮ দলীয় মহাজোট গঠনের বৈঠক শুরুর আগে

নরেন্দ্র মোদি এক টুইট করেন। টুইটে তিনি লিখেন, এই জোট আমাদের দীর্ঘ পরীক্ষিত জোট, যা আরও জাতীয় অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক আকাঙক্ষা পূরণ করতে চায়। জোটে দলের সংখ্যা ৩৮টি হলেও অধিকাংশ দলই বেশ ছোট আকারের। এসব দলের খুব অল্পসংখ্যক বিধায়ক বা এমপি রয়েছেন, কোনো কোনো দলের তাও নেই। তারপরও কংগ্রেসের জোটকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তাদের সাথে নিয়েছে বিজেপি। ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই দল এমন জোট গঠনের লড়াইয়ে নেমেছে। নর্থ ইন্ডিয়ার রাজ্যগুলোতে বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে বিজেপি। বিপরীতে সাউথ ইন্ডিয়াসহ বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে জোট গড়েছে কংগ্রেস।

ইন্ডিয়ায় কংগ্রেস-সহ ২৬টি বিরোধী দলের নেতারা মিলে একাট্টা হয়েছে

‘ইন্ডিয়া’কে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে বিজেপি, প্রশ্ন বিরোধী জোটের

বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ইন্ডিয়া-কে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে বিজেপি? পারলে লড়ে দেখান। তিনি অভিযোগ করেন, ৩৫৫ ধারার ভয় দেখাচ্ছে বিজেপি। অন্যতম জোটসঙ্গী কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ‘ফেভারিট’ বলেও সম্বোধন করেন মমতা। বিরোধী জোটের পরবর্তী বৈঠক মুম্বাইয়ে। তিনি কেন্দ্রের শাসক শিবিরের সমালোচনাও করেন। বিজেপিকে তোপ দেগে বলেন, মোদি সরকারের একমাত্র কাজ হল সরকার কেনাবেচা। আরও বলেন, এনডিএ কি ইন্ডিয়া-কে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে? বিজেপি তুমি কি ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে? আমরা আমাদের মাতৃভ‚মিকে ভালবাসি। আমরা দেশপ্রেমিক।

রাহুল গান্ধীও বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা দেন। বলেন, বিজেপি দেশের সম্পদ হাতে গোনা কয়েক জনের হাতে তুলে দিচ্ছে। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই আসলে দেশের মানুষের হয়ে, সংবিধানের পক্ষে লড়াই। এই লড়াই মোদি ভার্সেস ইন্ডিয়ার। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বিজেপি দেশকে আক্রমণ করেছে, তার বিরুদ্ধে লড়ছি আমরা। মোদি ভয় পেয়েছে, তাই শরিকদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছে। উদ্ধব ঠাকরের বক্তব্য, বার বার পরিবারবাদের কথা বলে বিরোধীদের আক্রমণ করেন মোদি। হ্যাঁ, দেশকে আমরা নিজের পরিবার বলেই মনে করি।’ যদিও বিরোধী জোটের ঐক্যবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে রাজনৈতির মহলে। যেহেতু রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক চিত্র এক নয়। ভবিষ্যতে পানি কোথায় গড়াবে তা অবশ্য সময়ই বলবে।

দুর্নীতিগ্রস্ত ইউপিএ’র-ই নতুন অবতার বলছে বিজেপি

বিজেপি নেতারা এখন ঘরোয়া আলোচনায় বলছেন, বিরোধীরা এখন যতই নতুন নামের মোড়কে নিজেদের পেশ করুন না কেন, এটা আসলে আগের সেই দুর্নীতিগ্রস্ত ইউপিএ-রই নতুন অবতার, তাদের কথায় ‘নতুন বোতলে পুরনো মদ’। এই কারণেই বিজেপি ‘ইন্ডিয়া’র সঙ্গে এখন নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী ছাত্র সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ারও (পিএফআই) তুলনা করছে। বলা হচ্ছে, পিএফআই-য়ের মতো নতুন নামের আড়ালে সংঘবদ্ধ হয়েও মৌলবাদী ‘সিমি’ যেমন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারেনি, এখন নতুন মোড়কে ‘ইন্ডিয়া’রও সেই একই পরিণতি হবে। তবে ‘ইন্ডিয়া’ নামকরণ নিয়ে দেশ জুড়ে যে আলোচনা বা তর্কবিতর্ক শুরু হয়েছে কংগ্রেস সেটাকে ইতিবাচক লক্ষণ বলেই মনে করছে। এমন এক সিনিয়র কংগ্রেস নেতা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ইন্ডিয়া নামটা যেরকম সাড়া ফেলেছে তাতে আমাদের প্রথম উদ্দেশ্য অবশ্যই সফল। দেখাই যাচ্ছে এনডিএ ভয় পেয়েছে, আর মানুষ এই নামটাকে পছন্দ করছেন। তার অভিমত, বিরোধী জোটের নাম ‘অমুক ফ্রন্ট’ বা ‘তমুক অ্যালায়েন্স’ রাখলে কখনোই শুরুতে এতটা হইচই ফেলে দেওয়া যেত না, যতটা ইন্ডিয়া পেরেছে। আমি তো বলব ইন্ডিয়া প্রথম বলেই ছ্ক্কা হাঁকিয়েছে!

বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ বনাম ক্ষমতাসীনদের পরীক্ষা

২০১৯ সালের ইন্ডিয়ার নির্বাচনে দেশটির মোট ২২৪টি আসনে (গরিষ্ঠতার চেয়ে মাত্র ৪৮টি কম) বিজেপি ৫০ শতাংশর বেশি ভোট পেয়ে জিতেছিল। যার অর্থ হল সেগুলোতে বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে একক প্রার্থী দিলেও বিজেপি’র জয় আটকাতে পারতেন না। তবে সেই নির্বাচনের সাড়ে চার বছর পর প্রেক্ষাপচ এখন অনেক বদলে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ‘স্ক্রোল’ পোর্টালের শোয়েব ড্যানিয়েল লিখেছেন, ২০১৯র নির্বাচনটা কিন্তু পাটিগণিতের (অ্যারিথমেটিক) নির্বাচন হয়নি, ওটা হয়েছিল কেমিস্ট্রির (রসায়ন) নির্বাচন। ভোটের কয়েক মাস আগেও বিজেপি’র অবস্থা যথেষ্ঠ নড়বড়ে ছিল, কিন্তু নির্বাচনের মাত্র মাসদুয়েক আগে ইন্ডিয়া-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন সব ঘটনা ঘটে গিয়েছিল যা উগ্র জাতীয়তাবাদী ঢেউয়ে ভর করে নরেন্দ্র মোদীকে বিপুল জয় এনে দিয়েছিল। এবারও সেটা ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শোয়েব ড্যানিয়েল মনে করছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও অঙ্কের হিসেবটাই জারি থাকে নাকি নতুন কোনও ঢেউ এসে ভোটের রসায়নটা এলোমেলো করে দেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে বিরোধী জোট বিজেপির সামনে কত শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারে। সেই অজানা কেমিস্ট্রি অবশ্য এখনও বিরোধীদের হাতে নেই। কিন্তু যেটা আছে, সেই অঙ্কের জটিল হিসেবটাই আপাতত তারা ব্যাঙ্গালোরে গুছিয়ে ওঠার প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিরোধী জোটের সামনে অবশ্যই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল কী শর্তে তাদের মধ্যে বিভিন্ন রাজ্যে আসন সমঝোতা হবে সেটা স্থির করা। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটকের মতো যে সব রাজ্যে বিজেপির প্রতিদ্ব›িদ্বতা সরাসরি কংগ্রেসের সাথে, সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে একজন যৌথ বিরোধী প্রার্থীকে (কংগ্রেস) দাঁড় করানোটা তেমন কোনও সমস্যা নয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে, যেখানে ক্ষমতাসীন তৃণমূল বিরোধী কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়ছে কিংবা কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত বিধায়ককে জেতার পর নিজেদের দলে নিয়ে আসছে সেখানে দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হওয়া অবশ্যই কঠিন। তবে আসন সমঝোতারও অনেক আগে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি ‘কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম’ চ‚ড়ান্ত করাই প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন বহু পর্যবেক্ষক।‘দ্য প্রিন্টে’র রাজনৈতিক সম্পাদক ডি কে সিং যেমন উদাহরণ দিয়ে বলেন, আপনি কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির কথাই ধরুন! সামনের মাসেই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে এবং যেহেতু ডিসেম্বরের মধ্যেই রায় প্রত্যাশিত তাই ধরে নেওয়া যায় বিষয়টি আবার রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসবে। এখন কংগ্রেসের পক্ষে কি আদৌ ফারুক আবদুল্লা-মেহবুবা মুফতির সুরে সুর মিলিয়ে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার কথা বলা সম্ভব?”, বিরোধী শিবিরে ভিন্নমতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছিলেন মি সিং।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ২০ জুলাই ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বিরোধী জোটেরও প্রেসিডেন্ট নিয়ে ধোঁয়াশা

মল্লিকার্জুন খাড়গে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের দল (কংগ্রেস) প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আদৌ উৎসুক নয়। রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছিল, এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোটের যিনি চেয়ারপার্সন ছিলেন, সেই সোনিয়া গান্ধীকে এই নতুন বিরোধী জোটেরও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হবে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ও জেডি (ইউ) দলের নেতা নীতিশ কুমারকে জোটের আহ্বায়ক করা হতে পারে বলেও অনেকে ধারণা করছিলেন। তবে এদিন শেষ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন, এখনই জোটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সোনিয়া গান্ধীকে ঘোষণা করা হলে সেটা বিরোধীদের মধ্যে মতভেদ উসকে দিতে পারে, এই আশঙ্কা থেকেই সম্ভবত ‘ইন্ডিয়া’ জোট কোনও নেতার নাম ঘোষণা করেনি। এর আগে গত মাসের ২৩ তারিখ বিহারের রাজধানী পাটনাতে জেডি(ইউ) দলের নেতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের ডাকে বিরোধী দলগুলো তাদের প্রথম বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। ব্যাঙ্গালোরে বিরোধী শিবিরের দু’দিনব্যাপী এই বৈঠক ছিল তারই পরবর্তী পদক্ষেপ, তবে এবারের এই বৈঠকের মূল আহ্বায়ক দল ছিল কংগ্রেস।

ইউডি/এজেএস

Taanjin

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading