নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের আনাগোনা বাড়ছে
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ০২ আগস্ট ২০২৩ । আপডেট ১৫:০০
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ নির্বাচনী উত্তাপ বাড়াচ্ছে। একইসঙ্গে নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে বিদেশিদেরও তৎপরতা। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক নির্বাচনী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। আগামী অক্টোবরে আসবে আমেরিকার প্রতিনিধি দলও। এছাড়াও ছয় দেশের একটি প্রতিনিধিদলও ঢাকা সফর করেছেন গত সপ্তাহে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে বিদেশিদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। এ নিয়ে আরাফাত রহমান’র প্রতিবেদন
নেপথ্যে অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব
বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশিদের তৎপরতা বাড়ছে। তারা এখন সংকট নিরসনে একটি রাজনৈতিক সংলাপের চেষ্টা করছেন। আর এই তৎপরতায় আমেরিকা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য যেমন বিদেশি চাপ আছে, তেমনি এই চাপের ভেতরে-বাইরে ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকার ভূরাজনীতিও আছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য চাপ আরো বাড়বে। আর যদি রাজনৈতিক দলগুলো নিজেরাই সমাধানের পথে না যায় তাহলে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। নির্বাচনের আর বেশি বাকি নেই। ফলে বিদেশিরা তৎপরতা আরো বাড়িয়েছে।
২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তারা কোনো পর্যবেক্ষক পাঠায়নি বাংলাদেশে। এবার গত মাসে (জুলাই) প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছে তারা। এছাড়াও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশের পৃথক পৃথক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছেন কিংবা বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে বিবৃতি দিচ্ছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই সফরগুলোর মূল বিষয় হলো বাংলাদেশের নির্বাচন। বিশ্লেষকগণ বলছেন, আমেরিকা,ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সবাই সুষ্ঠু ও অংশহণমূলক নির্বাচনের কথা বলছে। তারা রাজনৈতিক সংলাপ চায়।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বেড়েছে বলেই বিদেশিদের বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। তাদের অনেকের এখানে বিনিয়োগ আছে। অনেকের আরো অনেক হিসাব আছে। তাই তারা যার যার অবস্থান থেকে নিজেকে প্রকাশ করছে। এর সবটা যে সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আমি তা মনে করি না।
নির্বাচনে স্বচ্ছতায় পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, বলছেন সিইসি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের এক টেবিলে বসে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। আমেরিকার রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের সঙ্গে মঙ্গলবার (০১ আগস্ট) ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা বলেছি, উনারাও বিশ্বাস করেন, (সমস্যা সমাধানে) রাজনৈতিকগুলোর মধ্যে ডায়ালগ প্রয়োজন। ডায়ালগ ছাড়া এ সঙ্কটগুলো আসলে রাজপথে মীমাংসা করার বিষয় নয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল
তিনি বলেন, কমিশন মনে করে, রাজনৈতিক দলগুলোর এক টেবিলে বসা উচিত; একসঙ্গে চা পান করা উচিত। তারপরে আলোচনা করে সঙ্কট নিরসনের চেষ্টা করা উচিত। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে পিটার ডি হাসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকে আরপিওর সর্বশেষ সংশোধনী, নতুন দল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
নির্বাচনে স্বচ্ছতার জন্য মিডিয়া ও পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা যে গুরুত্বপূর্ণ, সে কথা পিটার হাসকে বলেন সিইসি হাবিবুল আউয়াল। আর মার্কিন রাষ্ট্রদূত সিইসির কাছে জানতে চান, আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীরা নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি পাবে কিনা। বিষয়টি নিয়ে সিইসি বলেন, এর জবাবে আমরা বলেছি, এ বিষয়টি আমাদের বিবেচনায় আছে। স্থানীয় পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ওখানকার অবস্থা বিবেচনা করে মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেবেন। আমরাও কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে অবহিত করব।
অক্টোবরে আসবে মার্কিন প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আমেরিকার একটি প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে আসবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ খবর দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি সিইসিকে জানিয়েছি, অক্টোবরের শুরুর দিকে আমেরিকা একটি প্রি অ্যসেসমেন্ট ইলেকশন মনিটরিং টিম পাঠাবে। এ টিমে বিশেষজ্ঞরা থাকবেন, যাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি নিয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে।
আমেরিকা বাংলাদেশে ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন প্রত্যাশা করে জানিয়ে পিটার হাস বলেন, যাতে বাংলাদেশের জনগণ জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন। সিইসি’র সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ বৈঠকে আরপিওর সর্বশেষ সংশোধনী, নতুন দল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান, ইসি সচিব জাহাংগীর আলমও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস
এর আগে গত ৮ জুন সিইসি হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন পিটার হাস। ওই বৈঠক শেষে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনে কে জিতল সেটা নিয়ে আমেরিকা ভাবে না। আমরা কেবল এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ তাদের নেতা বেছে নিতে পারে
‘বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে কমিশন’
আমেরিকার টেনেট ফাইন্যান্স ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা টেরি এল ইসলে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অসাংবিধানিক ও বেআইনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের সংবিধান সমর্থন করে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলের সদস্য হিসেবে আমি মনে করি, এ সরকারের অধীনে কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। প্রতিনিধিদলে জাপানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজকর্মী ইউসুকি সুগু ও চীনের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজকর্মী এনডি লিন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মিজানুর রহমান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।টেরি এল ইসলে বলেন, আপনাদের সংবিধান তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমর্থন করে না। এটি করতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। যদি এটি ভালো আইডিয়া হয়ে থাকে, যদি তারা (ইসি) এটা করতেও চায়, তারা এটা করতে পারবে না। কারণ এটি করার কোনো আইনি কাঠামো নেই। এ মুহূর্তে এটা করা সম্ভব নয়।
আমেরিকা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলের সদস্য হিসেবে আমরা মনে করি, এ সরকারের অধীনে কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে।আয়ারল্যান্ডের সিনিয়র সাংবাদিক নিক পউল বলেন, আমরা আশা করছি, সংবিধান অনুযায়ী তারা (ইসি) অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে। ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান আবেদ আলী বলেন, আগামী নির্বাচনের প্রস্ততি ও সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচন সম্পর্কে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা জানতে চেয়েছেন। আগামী নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আসতে চাইছেন। এ বিষয়ে ইসির বিধিমালা জানতে চেয়েছেন। ইসি আশ্বস্ত করেছে, পর্যবেক্ষকরা ভোটের আগে ও পরে আসতে পারবেন। কমিশন থেকে কোনো বাধা নেই।
পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন!
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে প্রতিনিধি দল পাঠাবে কি না-সে সিদ্ধান্ত নিতে ইউএর একটি প্রতিনিধি দল জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফর করে গেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওই প্রাক-নির্বাচনী অনুসন্ধানী দল নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছে। নির্বাচন নিয়ে পরিস্থিতি বুঝতে গত জুলাই মাসে দুই সপ্তাহ ধরে সফর করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি প্রাক-নির্বাচনী প্রতিনিধি দল। দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি বৈঠক করে তারা। তাদের অনুসন্ধানের ফলাফল একটি প্রতিবেদন আকারে জমা দেবে ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেলের কাছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের ছয় সদসের ওই প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে এসেছিল নয়ই জুলাই। বাংলাদেশে দুই সপ্তাহের সফরকালে ক‚টনীতিক, রাজনীতিবিদ, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেছে। ইইউর এই প্রতিনিধিদল বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে এসব বিষয়ে তাদের মতামত নিয়েছে, দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করেছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দুদফা বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল।
সেখানে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা, কমিশনের সক্ষমতা, আইন-কানুন, নির্বাচনের সময় সহিংসতার সম্ভাবনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে তারা। নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক বা সব দলের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা আছে কিনা, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকা কি হতে পারে, সেটা বোঝার চেষ্টা করেছে এই প্রতিনিধিদল। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একই দিনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, এবি পার্টিসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্রতিনিধিদল। বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যবেক্ষক পাঠাবে কিনা, তা নির্ভর করবে এই প্রতিনিধিদলের প্রতিবেদনের ওপরে। তাদের সুপারিশের ওপর নির্ভর করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০২ আগস্ট ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
‘শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নির্বাচনের প্রত্যাশা করে জাতিসংঘ
বাংলাদেশে যে সাধারণ নির্বাচন হবে, তা ‘শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হবে বলেই প্রত্যাশা করে জাতিসংঘ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানটির এই অবস্থান তুলে ধরেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র ফারহান হক। ফারহান হক বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। আমাদের অবস্থান এটাই। এদিকে, শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্য্যাপোর্টিয়ার ক্লেমেন্ট ভউল বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিরোধী মতের প্রতি সম্মান থাকা জরুরি। বাংলাদেশ নিয়ে করা এক টুইট বার্তায় ক্লেমেন্ট ভউল এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি বলেন, চলমান প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সহিংসতা ও গ্রেপ্তারের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই অবস্থায় সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি আমি।তিনি আরও বলেন, আমি কর্তৃপক্ষকে তাদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করবে এবং অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকবে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য বিরোধী মতকে সম্মান করা গুরুত্বপূর্ণ।
ইউডি/এজেএস

