হঠাৎ কেন নেতৃত্ব ছাড়লেন তামিম ইকবাল?
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ০৪ আগস্ট ২০২৩ । আপডেট ১৪:৩০
অনেক নাটকীয়তার পর প্রধানমন্ত্রীর কথায় অবসর ভেঙে ফেরার ঘোষণা দিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নেতৃত্বে আর দেখা যাবে না তামিম ইকবালকে। বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ছিল তার কাধে। এবার সেই গুরুদায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের বাসভবনে বৃহস্পতিবার (০৩ আগস্ট) রাতে বৈঠকে বসেন তামিম। সেখানেই নিজের সিদ্ধান্তের কথা বিসিবি প্রধানকে জানান তিনি। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তামিম ইকবাল জানালেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন তিনি। দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তামিম। দীর্ঘদিনের পুরোনো চোটের কারণে নিজের সহজাত খেলাটা খেলতে পারছিলেন না দেশসেরা ওপেনার। বিস্তারিত সাদিত কবির’র প্রতিবেদন
দলের কথা চিন্তা করেই সরে যাওয়া
কালো কাচে ঘেরা গাড়িতে এসেছিলেন তামিম ইকবাল। মাথায় ক্যাপ, গায়ে গাঢ় নেভি বøæ শার্ট ও পরনে কালো প্যান্ট। চোখেমুখে তার হতাশাও ছিল স্পষ্ট। বিসিবি সভাপতির বাসা থেকে যখন নিচে নামলেন ঘণ্টা দেড়েক পর, তখনও তাই। মুখে কেবল আলাদা একটা হাসি, হয়তো ক্যামেরার সামনে বলেই। এরপর দিতে হলো কঠিন এক সিদ্ধান্তের ঘোষণা। ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন তামিম। প্রায় চার বছর ধরে গুছিয়ে আনা বিশ্বকাপ নেতৃত্ব স্বপ্ন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন তামিম। কেন? তিনি বলছেন দলের স্বার্থেই। নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তামিম বলেন, আমরা অনেক আলোচনা করেছি। আমার সমস্যা, কী সমস্যা ছিল, কী হবে সামনে, সবকিছু নিয়ে। আমি একটা ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যেটা উনাদেরকে বলেছি, কারণও জানিয়েছি আর আমি বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। আমার কাছে মনে হয়, দলের জন্য। সবকিছুর ওপরে আমি সবসময়ই দলের কথাই ভাবি। আমার মনে হয়, দলের কথা চিন্তা করে আমার সরে যাওয়াটাই হবে সবচেয়ে ভালো। আমরা অনেক আলোচনা করেছি। আমার সমস্যা, কী সমস্যা ছিল, কী হবে সামনে, সবকিছু নিয়ে। আমি একটা ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যেটা উনাদেরকে বলেছি, কারণও জানিয়েছি… আজকে থেকে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করছি।
লক্ষ্য ভালো খেলার দিকে মনোযোগী হওয়ার
তামিমের নেতৃত্ব ছাড়ার গুঞ্জন আগে থেকেই ভাসছিল ক্রিকেট পাড়ায়। তবে বিসিবি চেয়েছিল তার নেতৃত্বেই খেলে যেতে বিশ্বকাপ নাগাদ। সেই চেষ্টাও করেছিল বিসিবি, তবে তামিম স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছেন এই দায়িত্ব। মূলত ফিটনেস নিয়ে এখনো জড়তা থাকায় চাপ নিতে চাচ্ছেন না তামিম। দীর্ঘদিন ধরেই পিঠের চোটে ভুগছিলেন তামিম। স¤প্রতি লন্ডনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে দুটি ইনজেকশন নেন তিনি। এরপর তামিমকে পুরোদমে অনুশীলনে ফিরতে লাগবে সপ্তাহ দুয়েক। খেলা হবে না এশিয়া কাপেও। ইনজুরির কারণেই কি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত? পিঠের নিচের অংশের এই চোট নিয়ে অনিশ্চয়তাই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করেছে বলে জানান তামিম। সিদ্ধান্তের কথা এই বৈঠক থেকেই ফোনে জানিয়েছেন তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও। তিনি বলেন, ইনজুরি একটা ইস্যু। আমি ইনজেকশন দিয়ে এসেছি (লন্ডন থেকে)। কিন্তু ইনজেকশনটাও কিন্তু হিট অ্যান্ড মিসের মতো। এখন ভালো খেলায় মনোযোগ দেবো। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। পুরো ব্যাপারটা জানিয়েছি উনাকে। উনি আমার ব্যাপারটা বুঝেছেন। এরপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।তবে মূল ব্যাপার হলো এটি যে, আমার কাছে মনে হয়েছে, দলের ভালোর জন্য আমার অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়া উচিত এবং মনোযোগ দেওয়া উচিত শুধু খেলোয়াড় হিসেবে ও যখনই সুযোগ আসবে, চেষ্টা করা উচিত নিজের সেরাটা দেওয়ার।
চোট নিয়ে ভুগছিলেন বড় অনিশ্চয়তায়
গত ৫ জুলাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের যে ম্যাচের পর আচমকা অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তামিম, সেই ম্যাচটিই হয়ে থাকল তার নেতৃত্বের শেষ ম্যাচ। চট্টগ্রামে ওই ম্যাচের পরদিন সংবাদ সম্মেলন ডেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন তামিম। নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘নির্দেশে’ পরদিনই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন ৩৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার। মাস দেড়েকের ছুটিও পান তিনি। তখন এই ব্যাটসম্যান বলেছিলেন, নেতৃত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ছুটি থেকে ফেরার পর। তবে বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, তামিমকেই তারা নেতৃত্বে রাখতে চান। অবসর প্রত্যাহারের সপ্তাহ দুয়েক পর পরিবারের সঙ্গে কয়েক দিনের জন্য দুবাই যান তামিম। সেখান থেকে লন্ডনে যান পিঠের নিচের অংশের চোটের চিকিৎসার জন্য। লন্ডনে দুই দফায় ইনজেকশন নিয়ে তিনি দেশে ফেরেন। কোমরের ব্যথার স্থায়ী সমধানের জন্য অস্ত্রোপচার করার কথা ছিল। তবে অস্ত্রোপচার না করে কোমরের ডিস্কে সবমিলিয়ে ৫টি ইনজেকশন নিয়েছেন তামিম। দেশে ফিরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে সোজা নিজ বাসায় চলে গেছেন এই ওপেনার।
এই ইনজেকশনগুলো তামিমকে মোটামুটি তিন-চার মাস পর্যন্ত ফিট রাখতে পারত বোলে জানা গিয়েছিল। কারণ ঝুঁকি একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছিল না। যদি অনুশীলনের সময় ফের কোমরে সমস্যা অনুভ‚ত হয় তামিমের, দেরি না করে বন্ধ করতে হতো অনুশীলন। প্রয়োজন হতে পারে আরও একটি ইনজেকশনের। তামিমকে নিয়ে তাই অনিশ্চয়তা কোনো ভাবেই কাটছিল না। ওই সময় তামিমকে নিয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিস বলেছিলেন, দেখুন আমি মেডিকেল এক্সপার্ট না। তামিমের রিপোর্টটা পড়ে দেখা হয়নি। তাই, সরাসরি কিছু বলতে পারব না। একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে বলতে পারি, নিয়মিত কোনো খেলোয়াড় যখন চোটে পড়েন; এটা থেকে ফিরে আসার প্রক্রিয়া কখনও কঠিন হয়, কখনও সহজ। তামিম আমাদের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়। তাকে বোর্ড মানসিকভাবে ও সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সহায়তা করছে। যাতে সে খুব দ্রæতই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে ফিরতে পারে।
দুবাই যাওয়ার আগে এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেছিলেন, দেশে ফেরার পর বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধানের সঙ্গে দেখা করে একান্তে কথা বলবেন। শেষ পর্যন্ত শুধু ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধানই নন, ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানও থাকলেন সেই আলোচনায়। সেখানেই সিদ্ধান্ত জানালেন তামিম। চলতি বছরের জুলাইয়ের প্রথমে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তামিম ইকবাল। বিশ্বকাপের ঠিক আগে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়কের অবসরের ঘোষণায় চমকিত পুরো দেশ। সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানিয়েছিলেন, অবসরের সিদ্ধান্ত হুট করে নয়। বেশ কিছুদিন ধরেই পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। তার প্রথম চিন্তা ছিল শুধু টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর। অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে খেলতে চেয়েছিলেন কিন্তু সেটা আর হলো না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেই অবসর নিয়ে নিলেন। এর আগে গত বছরের ২২ জুলাই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন তামিম।
অবসর নেয়ার একদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন তামিম ইকবাল খান। আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন এই ড্যাশিং ওপেনার। বিষয়টিকে দেশের ক্রিকেটের জন্য স্বস্তির বলেন বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বের হওয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিসিবি বস। তিনি বলেন, এটা সবার জন্যই স্বস্তির। আমাদের অধিনায়কই যদি না থাকে আমরা খেলব কীভাবে! যেহেতু সে শারীরিক ও মানসিকভাবে এখনও ফিট না, সেজন্য সে দেড়মাস সময় নিয়েছে। এই দেড়মাসে সে পুনর্বাসন করে আশা করছি শিগগিরই আমাদের ক্রিকেটে ফিরে আসবে।

নাজমুল হাসান
আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি
তামিম ইকবালের এই সিদ্ধান্ত তাদের কাছে বড় চমক হয়ে এসেছে বলেই দাবি করলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। আলোচনা করে নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে জানালেন তিনি। তিনি বলেন, যদি তামিম শুধু বলত যে এশিয়া কাপ খেলছে না, তাহলে তো আমাদের প্রস্তুত ছিলই, সহ-অধিনায়ক লিটন দাস হতেন (অধিনায়ক)। এখন এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না দুই-একজনের সঙ্গে কথা না বলে নতুন অধিনায়ক কে) বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, তামিম যে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবে, এটা কিন্তু এখানেই প্রথম শুনলাম, আমার বাসায় আসার পর। আগে জানতাম না। যদিও আগে সবসময়ই বলে এসেছি, বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক তামিমই থাকবে। তবে ও দলের কথা চিন্তা করে, দেশের কথা চিন্তা করে একটা যে অনিশ্চয়তা আছে যে কোন ম্যাচ খেলবে কোনটা খেলবে না, এটা তাকেও পীড়া দিচ্ছে। সে নিজে থেকেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে যে ম্যাচটি খেলে পরদিন অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তামিম। ৫ জুলাইয়ে হওয়া সেই ম্যাচটিই হয়ে থাকল তামিমের শেষ অধিনায়কত্ব করা ম্যাচ। চট্টগ্রামে এই ম্যাচের পরদিনই সংবাদ সম্মেলন ডেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেও এক মাসের ছুটি পান দেশসেরা এই ওপেনার। ছুটি থেকে ফিরে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তামিমের। এই সময়টায় লন্ডনে গিয়ে পিঠের চিকিৎসা করেন তিনি। ইনজেকশন দিয়ে দুই দেশে ফিরে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান ও ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। আর এখানেই আসে এমন সিদ্ধান্ত।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০৪ আগস্ট ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
খান সাহেবের পথচলা কেমন ছিল
ওয়ানডেতে তামিম অধিনায়কত্ব করেছেন ৩৭ ম্যাচে, যেখানে তাঁর জয় ২১ টি, অর্থাৎ জয়ের হার ৫৬.৭৫। বাংলাদেশ ক্রিকেট অধিনায়ক হিসেবে যাঁকে আলাদা জায়গা দেওয়া হয়, সেই মাশরাফি বিন মুর্তজার চেয়ে তামিমের জয়ের শতাংশ মাত্র দশমিক শূন্য ৬ কম। ৮৮ ম্যাচে ৫০ জয়ে অধিনায়ক মাশরাফির সাফল্যের হার ৫৬.৮১। তামিম পূর্ণ মেয়াদে বাংলাদেশের অধিনায়ক হন ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এর আগেও ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তবে সেটা আপৎকালীন। ২০১৯ বিশ্বকাপের পরপরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফির চোটের কারণে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়েছিল তামিমকে। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হারা তামিম পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ হারে তামিমের বাংলাদেশ। তবে সেই হারের পর শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। তবে ওয়ানডেতে অধিনায়ক হিসেবে তামিম যে সফল, এর সবচেয়ে বড় সাইনবোর্ড দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ওয়ানডে সিরিজ। ২০ বছর অপেক্ষার পর গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবার সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ের মাহাত্ম্য আরও বাড়বে একটা পরিসংখ্যানে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইন্ডিয়ার ওয়ানডে সিরিজ জিততে সময় লেগেছে ২৬ বছর, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার মতো দল কখনো জিততেই পারেনি। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তামিম বলেছেন, ভ্রমণটা দারুণ ছিল, ফলই কথা বলবে। আমি ভালো করেছি। তবে যদি অধিনায়ক থাকতাম, তাহলে স্বার্থপরের মতো হতো। অধিনায়ক হিসেবে না থাকলেও যিনি তাঁর জায়গায় আসবে, তাঁকে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তামিম, একাদশে খেললে যে অধিনায়ক থাকবে তাকে সহায়তা করব।
ইউডি/আতা/এজেএস

