উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু মে ৪: কতটা চ্যালেঞ্জ দেখছে ইসি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু মে ৪: কতটা চ্যালেঞ্জ দেখছে ইসি

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ২০:‌৪৫

আগামী ৪ মে থেকে চার ধাপে দেশের ৭৯৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরমধ্যে প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি এবং চতুর্থ ধাপে ৫২টি উপজেলার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। অবশিষ্ট ১২টি উপজেলা পরিষদে পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এসব তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, প্রথম ধাপে আগামী ৪ মে ১৫৩টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে মোট ৩২৮টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বাকি ১২টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচনের তারিখ পরবর্তীতে জানাবে কমিশন।

এদিকে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শৃঙ্খলা রক্ষায় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও বেশি এফোর্ট দেবে। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমবারের মতো একটি জেলায় একাধিক ধাপে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। ফলে অধিক হারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের জন্য অন্য জেলার দারস্থ হতে হবে না। এতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা যাবে। মূলত, ভোটে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও যেন সহজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যায়, তাই এই কৌশল নিয়েছে সংস্থাটি।

অতীতে বিভাগ অনুযায়ী জেলাভিত্তিক উপজেলাগুলোর নির্বাচন হয়েছে। এতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অন্য এলাকা থেকে নিয়োগ করা হতো। এবারও কয়েক ধাপে ভোট হলেও একই এলাকাকে একাধিক ধাপে বিন্যাস করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নির্বাচন ধাপে ধাপে হবে বিধায় শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা বেশি শক্তি নিয়োগ করার সুযোগ পাবো।

তিনি বলেন, চারটি ধাপে নির্বাচন হওয়াতে কমিশন মনে করছে যে এতে সুবিধা আছে। এছাড়া একই জেলার মধ্যে একাধিক ধাপে নির্বাচন দেওয়ায় একই জেলার পুলিশ,আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসন দিয়ে কাজটা করা অনেক সহজ হবে। আগে যেভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, এক অঞ্চলে নির্বাচনের জন্য অন্য অঞ্চলের থেকে পুলিশ আনতে হতো। সেক্ষেত্রে পুলিশের যাতায়াত বা অন্যান্য প্রশাসনে যারা দায়িত্ব পালন করে তাদের যাতায়াত ও থাকার একটা অসুবিধা হয়। আর আমরা যদি একই জেলার মধ্যে ধাপে ধাপে নির্বাচন করি, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলার যে প্রশাসনিক ক্ষমতা আছে সে সংখ্যা দিয়েই আমরা ওই জেলার নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারে। এজন্যই কমিশন মনে করছে যে ধাপে ধাপে একই জেলার ভেতরে নির্বাচন হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মুভমেন্টে বিশেষ সুবিধা পাবে। এতে নির্বাচনী ব্যয়ও কিছুটা কমতে পারে।

ইউডি/এজেএস

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading