আমি চাইনি আমার জীবনে এমনটা ঘটুক: সামান্থা

আমি চাইনি আমার জীবনে এমনটা ঘটুক: সামান্থা

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, আপডেট ১১:৪০

দক্ষিণী সিনেমার তারকা অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তার ব্যক্তিগত জীবনে গত তিন বছরে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। একদিকে, সামান্থার বিবাহবিচ্ছেদ। অন্যদিকে দুরারোগ্য ব্যাধী মায়োসাইটিসে আক্রান্ত হওয়া। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সামান্থা।

তিনি গত কয়েক বছরে মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে তার অনুভূতিও প্রকাশ করেছিলেন। সামান্থা দক্ষিণের অভিনেতা নাগা চৈতন্যকে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের চার বছর পর ২০২২ সালে দু’জনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তখন তার মায়োসাইটিস রোগ ধরা পড়ে এবং কাজ থেকে বিরতি নেন।

এই রোগ প্রসঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি চাইনি গত তিন বছর আমার জীবনে এমনটা ঘটুক।

তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই জীবনে কিছু পরিবর্তন করতে চাই এবং মাঝে মাঝে আমি ভাবি যে, আমি যা করেছি তা সত্যিই প্রয়োজন ছিল কিনা। কিন্তু এখন যখন পিছন ফিরে তাকাই, তখন মনে হয় আমার আর কোনোও উপায় নেই। আমি কিছুক্ষণ আগে আমার এক বন্ধুর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করছিলাম। আমি সবসময় অনুভব করেছি, গত তিন বছরে আমার জীবনে যা ঘটেছে তা হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু এখন আমি মনে করি, জীবনে আপনি যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন না কেন, আপনাকে তাদের মোকাবিলা করতেই হবে।

এ অভিনেত্রী বলেন, আপনি যখন সেই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠবেন, আপনি বিজয়ী হবেন। এখন আমি নিজেকে আরও ক্ষমতাবান মনে করি। কারণ, আমি আগুন নিয়ে খেলে এই জায়গায় পৌঁছেছি। এটাকে আপনারা আধ্যাত্মিক জাগরণও বলতে পারেন।

সামান্থা এবং নাগা চৈতন্য ২০১০ সাল থেকে একে অপরকে ডেটিং করা শুরু করেন। ‘ইয়ে মায়া চেসাভে’ ছবির সেটে দু’জনের প্রেম হয়। তারপর ২৯ জানুয়ারি, ২০১৭-এয় দু’জনেই হায়দরাবাদে বাগদান সারেন। একই বছরের অক্টোবরে দু’জনের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের চার বছরের মধ্যেই দু’জনের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তারা ২০২১ সালের অক্টোবরে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন। বিবাহ বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে নাগা চৈতন্যের নাম জড়িয়ে পড়ে। সামান্থা বর্তমানে তার শরীরের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি বিদেশে মায়োসাইটিসের চিকিৎসাও করিয়েছেন। ২০২২ সালে তেলুগু ছবি ‘খুশি’-এর শ্যুটিংয়ের সময় সামান্থা এই রোগে আক্রান্ত হন।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading