শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শনিবার, কে কে লড়ছেন?
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২১:৩০
নজিরবিহীন অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পর শ্রীলঙ্কায় প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। ক্ষমতার মসনদ দখলে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ২০২২ সালের শুরুর দিকে শ্রীলঙ্কায় তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে ওই বছরের মে মাসে হাজার হাজার মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজপাকসের বাসভবনে ঢুকে পড়ে। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন গোতাবায়া। ক্ষমতায় বসেন রনিল বিক্রমাসিংহে।
এরপর দুই বছরেরও কিছু বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিক্রমাসিংহের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা অর্থনৈতিক মন্দা অনেকটাই সামলে নিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে শ্রীলঙ্কার জনগণ নতুন নেতা বাছাই করার সুযোগ পাচ্ছেন।
অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং কয়েক মাসের খাদ্য, জ্বালানী ও ওষুধের ঘাটতির অবসান ঘটানোর কৃতিত্বের দাবিদার বিক্রমাসিংহে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে নতুন করে ম্যান্ডেট চাইছেন।
বিক্রমাসিংহে ২০২২ সালের সরকারের খেলাপি হওয়ার পর চীনসহ দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতাদের সাথে শ্রীলঙ্কার ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি ঋণ পুনর্গঠনে সাফল্যের জন্য আলোচনায় রয়েছেন।
কিন্তু তার কর বৃদ্ধি ও উদার ইউটিলিটি ভর্তুকি প্রত্যাহার করে সরকারের হিসেবের ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি জনগণের কাছে চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন যে, ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি ঋণের অর্থ পরিশোধের পাশাপাশি ২০২২ সালের সরকারি খেলাপি হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি এখনও দুর্বল। তবে বিক্রমাসিংহে বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাবেন।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ চলতি সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিক্রমাসিংহের সরকার কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করেছে এবং পরবর্তী পরিমিত পুনরুদ্ধার করেছেন- এই নির্বাচনে মূলত তা নিয়ে একটি গণভোট হবে।
ইউডি/এবি

