ইউক্রেনের জন্য দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মহোসু। বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, আপডেট ১৬:২২
ইউক্রেন চাইলে দূরপাল্লার কৌশলগত এ ক্ষেপণাস্ত্র কুরস্কে রুশ ও উত্তর কোরীয় সেনাদের নিশানা করে হামলায় ব্যবহার করতে পারবে। রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় এ অঞ্চল ছাড়া দেশটির ভেতরে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাতে পারবে ইউক্রেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কিয়েভ খুব সম্ভবত কুরস্ক ঘিরে রাশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলেও হামলা চালাবে। আগস্টে ইউক্রেনীয় বাহিনী অভিযান চালিয়ে কুরস্কের ২৮টি বসতির প্রায় এক হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নিয়েছে। রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়া থেকে পাঠানো সেনাদের কুরস্কের কাছে মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা ইউক্রেনকে যে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে, তা ‘আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস)’ নামে পরিচিত। এটির পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার (১৯০ মাইল)। ১৯৮০-এর দশকে এর প্রথম উন্নয়নসাধন করা হয়।
ইউক্রেনে এটিএসিএমএস সরবরাহ করার আগে গত বছরের অক্টোবরে দেশটিতে স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায় আমেরিকা। ব্রিটিশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চাথাম হাউসের রাশিয়া ও ইউরেশিয়া প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো তিমোথি অ্যাশ বলেছেন, রাশিয়ার অস্ত্র ও সেনা সরবরাহব্যবস্থায় ইউক্রেনের হামলা চালানোর প্রয়োজন। কিন্তু দেশটির নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দিয়ে এটি সম্ভব নয়। অ্যাশের ধারণা, ভবিষ্যতে দর-কষাকষিতে ইউক্রেন যাতে আরও বেশি সুবিধা পায়, সে লক্ষ্যেও দেশটিকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে বাইডেন প্রশাসন।
ইউডি/এজেএস

