টেকসই ‘প্রতিযোগিতার সক্ষমতায়’ ১৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (২১ ডিসেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২৩:৩০
‘বৈশ্বিক টেকসই প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা সূচকে’ (গ্লোবাল সাস্টেনেবল কম্পেটিটিভনেস ইনডেক্স-জিএসসিআই) বাংলাদেশ ১৪ ধাপ এগিয়েছে; ১৯১ দেশের মধ্যে অবস্থান এখন ১১৬তম।
চলতি বছর এ সূচকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪০ দশমিক ৫৫ স্কোর নিয়ে ১৪ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২৩ সালে ৩৯ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে ১৮০ দেশের মধ্যে অবস্থান ছিল ১৩০তম।
৬১ দশমিক ২২ স্কোর নিয়ে আগেরবারের মত এবারও তালিকার শীর্ষে রয়েছে সুইডেন; যেখানে ৩০ দশমিক ৭৫ স্কোর নিয়ে তলানিতে পূর্ব আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া।
জিএসসি সূচকের মাধ্যমে একটি দেশের টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। ২০১২ সাল থেকে এই সূচক প্রকাশ করছে সুইডেন ও দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সোলাবিলিটি’।
সূচক তৈরি করতে গিয়ে একটি দেশের ১৯০টি পরিমাণগত (কোয়ান্টিটেটিভ) মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়। এরপর ১৯০টি মানদণ্ডকে ছয়টি দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাগ করে চূড়ান্ত সূচক তৈরি করে সোলাবিলিটি।
ছয়টির মধ্যে ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল’ সূচকে একটি দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের অবস্থা তুলে ধরা হয়। এই সূচকে ৫৯ দশমিক ৮৬ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে নেপাল।
এতে ৩৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯; গত বছর ৪২ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে অবস্থান ছিল ৯৮তম।
‘রিসোর্স ইফিসিয়েন্সি’ সূচকে তুলে ধরা হয় একটি দেশের মাথাপিছু ও অর্থনৈতিক উৎপাদনে ব্যয় হওয়া সম্পদের পরিমাণ।
এ সূচকে সবচেয়ে বেশি নম্বর রয়েছে বাংলাদেশের। ৫০ দশমিক ৮৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। ২০২৩ সালে অবস্থান ছিল ৯২তম।
ইউডি/এবি

