আরও একটি ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (০৫ মার্চ), ২০২৫, আপডেট ২৩:৫২
দক্ষিণ আফ্রিকার হার ততক্ষণে প্রায় নিশ্চিত। ৭ বলে ৭০ রান তো আর নেওয়া সম্ভব নয়। তবুও ম্যাচটিতে উত্তেজনা ছিল, সেটার কারণ ডেভিড মিলার। প্রোটিয়া ব্যাটার তখন ৮১ রান নিয়ে অপরাজিত, উত্তেজনাটা তার সেঞ্চুরি হবে কি না, তা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি হয়েছে, শেষ বলে ৭ বলে ১৯ রান রান নিয়ে তিন অঙ্কের ঘর ছুঁয়েছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি হেরেছে ৫০ রানে।
৩৬২। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে রেকর্ড সংগ্রহের পথে দুজন সেঞ্চুরি (রাচিন ১০৮, উইলিয়ামসন ১০২) করেছেন, নিউজিল্যান্ডের এই রান তাড়া করে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকারও তেমন কিছুই করার দরকার ছিল। প্রয়োজনে ডেভিড মিলার দাঁড়িয়ে গেলেও অন্যপ্রান্তে কেউ ছিলেন না। প্রোটিয়াদের ‘চোক’ করিয়ে নিউজিল্যান্ড উঠল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে। গ্রুপপর্বে হারা ভারতের বিপক্ষেই ৯ মার্চ শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা।
আইসিসি ইভেন্টে ২০১৫ সালের পর থেকে কিউইদের এটা তৃতীয় ফাইনাল, একমাত্র টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের শিরোপা জিতেছিল তারা। হেরেছে ২০১৯ ওয়ানডে ও ২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ রানে রায়ান রিকেল্টনকে হারানোর পর ১০৫ রানের জুটি হয়েছিল টেম্বা বাভুমা ও রসি ফন ডার ডুসেনের মধ্যে। স্যান্টনারের শিকার হওয়া বাভুমা ৭১ বলে করেন ৫৬ রান। দলকে ১৭৬১ রানে রেখে ব্যক্তিগত ৬৯ রানে ফেরেন রসি। যাকে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভাবা হচ্ছিল, সেই হেইনরিখ ক্লাসেন ফিরে যান মাত্র ৩ রানে, এইডেন মারক্রামের ব্যাট থেকে আসে ৩১।
প্রোটিয়াদের মধ্যে পরের গল্পটা শুধুই মিলারের। কাগিসো রাবাদা বাদে কেউই দুই অঙ্কও স্পর্শ করতে পারেননি। ৬৭ বলে ১০ চার ও ৪ ছয়ে ১০০ রান করা মিলার অপরাজিতই থাকেন। স্যান্টনার নেন ৩ উইকেট। ম্যাট হেনরি ও গ্লেন ফিলিপসের শিকার ২টি করে।
এর আগে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৬২ রান সংগ্রহ করে কিউইরা। উইল ইয়ং ও রবীন্দ্রের ওপেনিং জুটি ৭.৫ ওভারে ৪৮ রানের জুটি এনে দেয় নিউজিল্যান্ডকে। এনগিডি ভাঙেন এই জুটি। ইয়ং ২৩ বলে ৩ চারে ২১ রান করে আউট হন। ওয়ান ডাউনে নামা কেন উইলিয়ামসন এবং রবীন্দ্র দারুণ এক জুটি গড়েন। ১৬৪ রানের জুটি গড়ার পথে আসরে নিজের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন রবীন্দ্র। ৩২ ওয়ানডের ২৮ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম সেঞ্চুরি।
ইউডি/এবি

