মহাসড়কে শঙ্কা নেই ভোগান্তির,উড়াল সেতুতে এবার ঈদযাত্রা হবে স্বস্তির
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ১৪:২০
এবার ভোগান্তির শঙ্কা নেই সিরাজগঞ্জের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কে ঈদের ১০ দিন আগে নির্মিত ১১টি উড়াল সেতুর মধ্যে ৯টি ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়ক খুলে দেওয়া হবে।
এছাড়াও ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের চার লেন চালু হওয়ায় সুফল পাবে ঘরমুখী মানুষ। বিগত সময়ে তীব্র যানজট দেখা গেলেও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ঈদযাত্রা ভোগান্তিমুক্ত ও স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করছে হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।
স্বাভাবিক সময়ে যমুনা সেতু হয়ে প্রতিদিন উত্তরের ১৬টি ও দক্ষিণের ৫টি জেলার প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদ আসলেই যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এতে বিপুল সংখ্যক গাড়ি একসঙ্গে সেতু পার হতে গিয়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষ।
সাধারণ মানুষ যেন স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উদ্যোগগুলো হচ্ছে- হাইওয়ে পুলিশ-ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা, যানজট নজরদারিতে সিসি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার, ফিটনেসবিহীন ও লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি মহাসড়কে চলতে না দেওয়ায় বিগত বছরের ঈদযাত্রার মতো অসহনীয় যানজট এবার দেখা যাবে না। একারণে আসন্ন ঈদুল ফিতরে উত্তরের ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা এক দশকের মধ্যে এবারই হবে সবচেয়ে আরাম দায়ক ও স্বস্তির।
এদিকে জেলা পুলিশ বলছে, যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক, হাটিকুমরুল-বনপাড়া, ঢাকা-বগুড়া ও ঢাকা-পাবনা মহাসড়কসহ সিরাজগঞ্জের ৮৮ কিলোমিটার মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে গঠিত কমিউনিটি পুলিশও কাজ করবে। এতে সড়কে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটলে গাড়ি দ্রুত সরিয়ে ফেলা সম্ভব হবে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরে উত্তরের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক। এই ঈদে একসঙ্গে সবার ছুটি এবং বাড়ি যাওয়ার জন্য সড়কে একটু চাপ থাকলেও কোনো যানজট থাকবে না। এজন্য জেলা পুলিশ ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে।
ইউডি/ আরকে

