পথশিশু সমস্যার সমাধান কোন পথে?

পথশিশু সমস্যার সমাধান কোন পথে?

প্রিয়াংকা হালদার। শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, আপডেট ২১:০০

পথশিশু, পথের ফুল। নেই বাড়ি, নেই ঘর; নেই পরিবার, নেই পরিচয়। নিঃসঙ্গ জীবনে বেঁচে থাকার তাগিদে ছুটে চলি। তবে ভালোবাসা পেলে আমরাও স্বপ্ন দেখি বেঁচে থাকার, এগিয়ে যাওয়ার। কথায় আছে, “আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।” কিন্তু বাস্তবে সবার জন্য এই কথাটি সত্যি হয়ে ওঠে না।আপনার প্রিয়জনের জন্য সেরা উপহার বাংলাদেশের অনেক রাস্তার ছেলে-মেয়ে কম বয়সে মারা যায়। তারা প্রয়োজনীয় আদর-যত্ন পায় না। প্রতিবছর জলবাহিত রোগে ১,১০,০০০ শিশুর মৃত্যু হয়। তারা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় না, চরম অপুষ্টিতে ভোগে, অনেক সময় তাদের ময়লা বাসি, খাওয়ার অযোগ্য খাবারও খেতে হয়।ফ্যামিলি ট্যুর প্যাকেজ জীবিকা নির্বাহের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি, চায়ের দোকান, কল-কারখানা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, বর্জ্য সংগ্রহ, ফুল বিক্রি, পত্রিকা বিক্রিসহ বিভিন্ন কাজ করে এবং তাদের কর্মক্ষেত্রে শারীরিক, মানসিক ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। পিতৃপরিচয় না থাকায় অনেক পথশিশুকে মানসিক নিপীড়ন, হেনস্তা, অশ্লীল ভাষায় গালাগালি শোনাসহ বিভিন্ন ধরনের কটূক্তির শিকার হতে হয়। কিছু কিছু জরিপের মাধ্যমে পথশিশুদের ওপর সহিংসতার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সবচেয়ে বেশি যৌন হয়রানির শিকার হতে হয় মেয়ে পথশিশুদের। মেয়ে পথশিশুদের মধ্যে ৪৬ ভাগ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। কিন্তু বাস্তবে কয়টি শিশু মাতৃক্রোড়ে সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে? প্রতিদিন রাস্তার পাশে, রেল স্টেশনে, বাস টার্মিনালে, স্টেডিয়ামের পাশে, ফুটওভার ব্রিজে অনেক শিশুকে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। কাগজ কুড়িয়ে, অল্প টাকায় ফুল বিক্রয় করে, অবহেলা, অনাদরে বেড়ে ওঠে তারা। পথ তাদের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। তারা পথের পরিচয় বহন করে। আর্থ-সামাজিক নানা টানাপড়েনে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এই বঞ্চিত শিশুদের পরিচয় হয় ওঠে পথশিশু। বিষয়টি এমন নয় যে, তাদের পূর্বে কোনো পরিচয় ছিলো না। বরং তাদের কেউ উঠে আসে, পারিবারিক কলহ কিংবা বিচ্ছেদের কবলে পড়া পরিবার থেকে। কেউ পথে বের হয় অভাবের তাড়নায়। আবার কেউবা নদী ভাঙনের শিকার হয়ে। কেউবা বের হয় প্রভাবশালীদের অত্যাচারে, শেষ সম্বল টুকুও হারিয়ে। তারপর তাদের থাকে না কোনো ঘরবাড়ি। থাকে না কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা। পথেই থাকে, পথেই ঘুমায়, পথেই নির্বাহ করে জীবিকা। সরকার দেশের পথশিশুদের জন্য হাতে গোনা কয়েকটি কর্মসূচি গ্রহণ করলেও পথশিশুদের প্রায় ৯৪ শতাংশ সরকারের কোনো সুযোগসুবিধা পাচ্ছে না। পথে বেড়ে ওঠা শিশুদের ৫৮ শতাংশেরই জন্মসনদ নেই। যার ফলে তারা শিক্ষার অধিকারসহ বিভিন্ন সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কারিতাস বাংলাদেশ আয়োজিত মিডিয়া পরামর্শ সভায় এক জরিপের ফলাফলে এসব তথ্য জানানো হয়। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী শহরের ৬৬৭ জন পথশিশু ও বস্তি এলাকায় বসবাসরত ১ হাজার ২৪৬টি পরিবারের ওপর এ জরিপ চালানো হয়। জরিপে অংশ নেওয়া মোট শিশুদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ বর্তমানে স্কুল বা মাদরাসায় পড়ছে না। সরকারি সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে অংশগ্রহণকারী শিশুর সংখ্যা মাত্র ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। বাকি ৯৪ দশমিক ৩ শতাংশ পথশিশু সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরে রয়েছে।

জীবিকার তাগিদে নানা ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে যুক্ত হতে বাধ্য হয় শিশুরা। এর ফলে কাজ করতে গিয়ে তারা নানা ধরনের আঘাত ও দুর্ঘটনার শিকার হয়। শিশুরা পথচারীদের দ্বারাও বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আমরা কত সুখ, সাচ্ছন্দ্য, আরামে-আয়েশে আছি, কিন্তু তারা খোলা জায়গায়, অনিরাপদে, খেয়ে না খেয়ে রাত্রিযাপন করছে, শীতের কনকনে ঠান্ডায় কষ্ট পাচ্ছে। তারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। যে বয়সে শিশুরা খেলাধুলা, লেখাপড়া করে, সেই বয়সে তারা কঠিন জীবনসংগ্রামে টিকে থাকার লড়াই করছে। বই, খাতা, কলমের জায়গায় তাদের হাতে ভিক্ষার থালা, প্লাস্টিকের বোতল। তাদের শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে। মনের কোমলতা হারিয়ে হিংস্রতায় রূপ নিচ্ছে। দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়া করতে না পারায় দারিদ্র্য তাদের স্থায়ী হচ্ছে। অনেক শিশু বিভিন্ন গ্যাং-এর সাথে যুক্ত হয়, যারা তাদের দিয়ে ভিক্ষা করায়। বরাদ্দকৃত টাকার কম ভিক্ষা করে আনলে তাদের খেতে দেওয়া হয় না, মারধর করা হয়, এছাড়া বিভিন্নভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের ওপর। পথশিশুরা বেঁচে থাকা ও ভালোভাবে জীবনযাপনের জন্য চুরি করে এবং তাদের মধ্যে কিছু সংগঠিত অপরাধগোষ্ঠীর সাথে যুক্ত হয়। অপরাধগোষ্ঠীগুলো তাদের দিয়ে বিভিন্ন অপরাধ করায় এবং তাদের হিংস্র করে তোলে। পথশিশুদের অপরাধমূলক কার্যক্রম সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এটি সমাজের গুরুতর সমস্যা।

দেশের পথশিশুদের অর্ধেকই মাদকাসক্ত। তারা মাদকের ব্যবসা ও মাদক পাচারের সাথে যুক্ত থাকে। মাদকের মরণছোবল তাদের গ্রাস করে নিচ্ছে। নেশার ঝোঁক উঠলে, নেশার দ্রব্য জোগাড় করার জন্য তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় তারা মাদকে জড়িয়ে যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পথশিশুদের অর্ধেকের বয়স ‘১০’-এর নিচে। আর এসব পথশিশুর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ মাদক সেবন করে। গবেষণার তথ্যমতে, পথশিশুরা খুব সহজে মাদক সংগ্রহ করতে পারে। তাদের অনেকেই সরাসরি কারবারিদের কাছ থেকে মাদক কেনে। সহজলভ্যতা ও দামের স্বল্পতার কারণে পথশিশুরা ড্যান্ডি ও গাঁজা বেশি সেবন করে। অল্প খরচে ও সহজে পাওয়া যায় বলে অধিকাংশ পথশিশুর কাছে ড্যান্ডি বর্তমানে খুব জনপ্রিয় একটি মাদক। ‘ড্যান্ডি’ মূলত এক ধরনের আঠা। “ড্যানড্রাইভ অ্যাডহেসিভ” বা “ড্যান্ড্রাইট” নামের আঠাটিকেই মাদকসেবীরা ‘ড্যান্ডি’ বলে। অনেক সময় দেখা যায়, তারা ফোলানো পলিথিনের মধ্যে নাক-মুখ ঢুকিয়ে এটি শোঁকে।

পথশিশু-সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও উদ্যোগ নিতে হবে। প্রতিটি সামর্থ্যবান, হৃদয়বান ব্যক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। পথশিশুদের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কাজ করছে, কিন্তু এতেই যথেষ্ট নয়, সকলের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। আমাদের মানবিক চেতনা উন্নত করতে হবে। সামর্থ্যবানরা এদের দায়িত্ব নিলে আর পথশিশু থাকবে না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। পিতা-মাতার দারিদ্র্য ও কাজের অভাবের কারণে শিশুরা পথে নেমে কাজ করতে বাধ্য হয়, এতে তাদের শৈশব হারিয়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
পারিবারিক মূল্যবোধ বাড়াতে হবে। পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে হবে। সন্তানকে ভালোবাসতে হবে, সুশিক্ষা দিতে হবে, নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। পরিবার প্রতিটি শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান, কিন্তু এই পরিবারেই যদি শিশুরা অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার হয়, তাহলে তারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এজন্য পরিবারকে অনেক সচেতন হতে হবে।ফ্যামিলি ট্যুর প্যাকেজ সামাজিক মূল্যবোধ বাড়াতে হবে। সমাজের বৈষম্য দূর করতে হবে। বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রের উদাসীনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।

পথশিশুদের নিয়ে অনেক সংগঠন মাঝেমাঝেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ঈদ, উৎসব, কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইত্যাদি উপলক্ষে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে কেউ তাদের নতুন পোশাক কিনে দেন, কেউ আয়োজন করেন হাতে তৈরি বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী বা পিঠা উৎসবের, আবার কেউ খেলাধুলার আয়োজন করেন। কেউবা একবেলার জন্য খাবার ব্যবস্থা করে থাকেন। যদিও এসব ক্ষেত্রে পথশিশুদের সহায়তার চেয়ে, লোকদেখানো আর ছবি তোলার প্রবণতাই বেশি দেখা যায় উদ্যোক্তাদের মধ্যে। দেখা যায়, এসবে পথশিশুরা দীর্ঘ মেয়াদে উপকৃত হয় না। যথাযথভাবে পুনর্বাসন না হওয়ায় তারা আবার আগের জীবনেই ফিরে যায়। তবে আশার কথা বর্তমানে কেউ কেউ পথশিশুদের জন্য স্কুল খুলে তাদের প্রাথমিক শিক্ষা দিচ্ছেন। অবহেলা, অনাদরে, খেয়ে না-খেয়ে দিন কাটে পথশিশুদের। তারা সহজেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, জড়িয়ে পড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেও। অনেক সময় বিভিন্ন চক্রের মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। তাদের উপর চালানো হয় নানারকম নির্যাতন। কখনোকখনো বিভিন্ন অসাধু চক্র তাদের যৌনকর্মী হতে বাধ্য করে। তাদের অজান্তেই অপরাধীচক্রগুলো তাদের জড়িয়ে নেয় মাদকদ্রব্য পাচারের কাজে।

শিশুদের এসব অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হলে সামাজিক, পারিবারিক, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ বাড়াতে হবে। দৃঢ় করতে হবে পারিবারিক বন্ধন। পরিবারের বাবা-মায়ের মধ্যে কলহ-বিবাদ নয় বরং সন্তানকে ভালোবাসতে হবে। সন্তানের সামনে তর্কাতর্কি না করে, উচ্চস্বরে কথা না বলে, প্রয়োজনে অন্য রুমে গিয়ে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিতে হবে। কারণ শিশুর সামনে রূঢ় আচরণ করলে, তার মধ্যে রূঢ়তাই বাসা বাঁধবে। অনেক বাবাই তার সন্তানের সামনে ধুমপান করে থাকেন। তাহলে সন্তান কোন স্বভাব লাভ করবে তার নিকট থেকে! তাছাড়া এতে যে তিনি নিজের পাশাপাশি সন্তানেরও ক্ষতি করছেন তা হয়ত জানা থাকা সত্ত্বেও বুঝতে পারেন না। সন্তানকে সুশিক্ষা দিতে হবে। শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় তার পরিবার। কিন্তু সেই পরিবারে যদি সে অবহেলা বা নির্যাতনের শিকার হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে সেখান সে ভালো আচরণ শিখবে না, সেখানে থাকতে চাইবে না। পরিবারকে হতে হবে শান্তিপূর্ণ। এর জন্য পরিবারে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে হবে। সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। দেহে বায়ুবাহিত বিভিন্ন রোগজীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে এবং সহজেই তাদের আক্রমণ করে। এছাড়া শহর-নগরের দূষিত ধোঁয়া ও ধুলাবালি শিশুদের নিউমোনিয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগের কারণ হতে পারে। অন্যদিকে রোগ প্রতিরোধে মানবদেহ বিশেষত শিশুদের প্রয়োজন যথেষ্ট ফলমূল, শাকসবজি, ও সুষম খাদ্য। পথ শিশুরাও রাষ্ট্রেরই সন্তান, সমাজেরই সন্তান। তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা দরকার। পাশাপাশি সামাজিকভাবে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। এক্ষেত্রে সংগঠনগুলোর উচিত লোকদেখানো আর ফটোসেশনের মানসিকতা পরিহার করে সত্যিকার অর্থে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে কাজ করা।

আজ মানবতা কোথায়? আজও কেন সদ্যজাত শিশুকে রাস্তায়, ময়লা-আবর্জনার ডাস্টবিনে পাওয়া যাচ্ছে? আমরা তাদের ময়লা-আবর্জনায় পরিণত করে ফেলছি। একটু ভালোবাসা, আদর-যত্ন দিলে তারাও আবর্জনার মাঝে রঙিন ফুল হয়ে ফুটতে পারে। এই ফুলদের অন্ধকারে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না, তাদের বাঁচাতে হবে। এদের বাঁচাতে আমাদের সবাইকে পদক্ষেপ নিতে হবে। পথ শিশুদের দেখলে তাদের সাথে রূঢ় আচরণ নয়, তাদের ঠেলে দেয়া নয় বরং তাদের সমস্যা শোনার চেষ্টা করতে হবে। নিজের সাধ্যমতো তাদের পরিবারকে সহায়তা করতে হবে। তাদের জন্য পড়াশোনার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। পথ শিশুদের ভালো রাখতে প্রয়োজন স্বদিচ্ছা। তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, কোনো শিশু যেন অবহেলা-অনাদরে ঝরে না যায়। ভালো থাকুক পথশিশুরা, তারাও বেড়ে উঠুক সুস্থ, স্বাভাবিক আর সুন্দর পরিবেশে। আপনার প্রিয়জনের জন্য সেরা উপহার আর চাই না শুনতে কোনো পথশিশুর আর্তনাদ; চাই না আর কোনো পথের ফুলের ঝরুক জীবন। এই মানবতার পৃথিবীতে তারাও পাক ঠাঁই, এই পৃথিবী হোক পথশিশুমুক্ত।

লেখক: কলামিস্ট

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading