রাইস ব্র্যান রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ২০২৫, আপডেট ২১:০০
দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দর স্থিতিশীল রাখতে রাইস ব্র্যান অয়েল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বসিয়েছে সরকার।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর নতুন এ শুল্ক বসিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
‘অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত’ এই তেল দেশের ভোজ্য তেলের অভ্যন্তরীণ চাহিদার ‘২৫ থেকে ৩০ শতাংশ’ মেটাতে সক্ষম বলে গত ফেব্রুয়ারিতে তথ্য দিয়েছিল এনবিআর।
তখন দেশে উৎপাদিত রাইস ব্র্যান অয়েলের স্থানীয় বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং ভোজ্য তেলের বাজার ‘স্থিতিশীল’ রাখার লক্ষ্যে এ পণ্যের রপ্তানিতে ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বসায় কর আদায়ের এ সংস্থাটি।
পরে নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এ বিধান অকার্যকর হয়ে গেলে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বাতিল হয়ে যায়।
মঙ্গলবার সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, পাম ও ভুট্টার তেল আমদানিতে ১ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করে এসব ভোজ্যতেলের আমদানি কঠিন করার পর ‘অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত’ রাইস ব্র্যান রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নিল এনবিআর।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় অগাস্টের মাঝপথে এসে দেশের বাজারে পাম তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৯ টাকা কমিয়ে ১৫০ টাকা ঘোষণা করে সরকার।
এর আগে পাম তেলের দাম ১৬৯ টাকা নির্ধারিত ছিল। তবে সয়াবিন তেলের দাম আগের মতই ১৮৯ টাকা (এক লিটার বোতল) অপরিবর্তিত রয়েছে।
গত ১৫ এপ্রিল সয়াবিন ও পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের দাম ঠিক করা হয় ১৮৯ টাকা। এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৭৫ টাকা।
এর একদিন পর ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে সয়াবিন তেলের আমদানি পর্যায়ে আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অপরিশোধিত পাম তেলের ক্ষেত্রেও এ সুবিধা দেয় এনবিআর।
ওই আদেশে বলা হয়েছিল, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও অপরিশোধিত পাম তেল আমদানির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে; এক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে আগাম কর ছিল।
ইউডি/এবি

