কারা মজলুম আর কারা ‘গুপ্ত’, তা আয়নায় তাকালেই স্পষ্ট হবে: জামায়াত আমির

কারা মজলুম আর কারা ‘গুপ্ত’, তা আয়নায় তাকালেই স্পষ্ট হবে: জামায়াত আমির

উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৯:৩৫

যারা বছরের পর বছর আত্মগোপনে থেকে আজ মজলুমদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন, তাদের অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার কেরানীগঞ্জে শাক্তা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জামায়াত নেতাদের অতীত নিয়ে ওঠা বিভিন্ন মন্তব্যের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অতীতের কথা বাদই দিলাম। অতীতে কে কী করেছে– তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু-যে বলে, তার কোনো সীমা নেই। যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন। অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের দিকে তাকালে সেটাই ভালো হবে। অন্যের চেহারা না দেখে নিজের চেহারা দেখুন।’

তিনি জুলাই বিপ্লবের সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমরা যেদিকে এগোতে চাই, কোনো কোনো দল সামনে গিয়ে বাধা দিয়ে দেয়। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে আমাদের দাবি ছিল গণভোটটা আগে হোক, তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা সুন্দর হবে। কিন্তু প্রথমে বিরোধিতা করে ধাক্কা খেয়ে এখন তারা বলছে গণভোট মানি না। আসলে এ হলো ‘ঠেলার নাম বাবাজি’।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘জুলাই না হলে কিসের আবার ২৬ সালের নির্বাচন? জুলাই না হলে তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ফ্যাসিবাদীদের অধীন ২৯ সালে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ না করে নির্বাচন চাওয়া হতে পারে না।’

দলীয় ইশতেহারের আভাস দিয়ে জামায়াত আমির ঘোষণা করেন, ‘ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও ব্যাংক ডাকাতমুক্ত করে ছাড়ব। আমরা যুব সমাজকে অপমানজনক বেকার ভাতা নয়, বরং তাদের হাতের তালুতে সম্মানের রুজি তুলে দিতে চাই।’

আগামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই হ্যাঁ ভোটের নাম হচ্ছে আজাদি। আমরা পরিবর্তনের পক্ষে প্রথম ভোট দেব গণভোটে।’

জনসভায় কেরানীগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading