বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, আপডেট ১৯:৩
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মীর নাদিয়া নিভিন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ মন্ত্রাণলয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০ এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী মীর নাদিয়া নিভিনকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে তিন বছর মেয়াদে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নাদিয়া নিভিনের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
নাদিয়া নিভিন ২০০৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করেন। তিনি হার্ডাড ইউনিভার্সিটি থেকে জনপ্রশাসনে মাস্টার্স করেন। ২০০৭ সালের আগস্ট মাসে ইউএনডিপির প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন নাদিয়া নিভিন। বাংলাদেশ সরকারের ‘এটুআই’ কর্মসূচিতেও কাজ করেন তিনি।
২০০৯ সালে নাদিয়া নিভিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ শুরু করেন। প্রথম নিয়োগ পান জার্মানিতে। পরে নিউইয়র্কে ইউএনডিপির সদর দফতরে গ্লোবাল ইলেকশনস টিমের সদস্য হিসেবে কাজ করেন তিনি। এই টিমের কাজ ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইউএনডিপি কান্ট্রি অফিসগুলোকে নির্বাচন বিষয়ক নীতিগত সহায়তা দেয়া।
এরপর নির্বাচন বিষয়ক প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট হিসেবে তিনি আফগানিস্তানে কাজ করেন ২০১৩ সালে। এই কর্মসূচিতে নির্বাচন, সংসদ, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার, কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং লিঙ্গসমতা উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেন নাদিয়া নিভিন।
এরপর কয়েক বছরে পাকিস্তানের সাবেক ফেডারেল শাসিত উপজাতীয় (ফাটা) অঞ্চল ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় কাজ করেন তিনি। সেখানে তিনি বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করেন। মালয়েশিয়ায় কাজ করেন ২০১৮ সালে। মালয়েশিয়ার তিনি নির্বাচন কমিশন, সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুর্নীতিবিরোধী নীতিনির্ধারণী সংস্থা এবং আরও অনেক জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেন নাদিয়া নিভিন।
মিয়ানমারে কাজে যোগ দেন ২০২০ সালে মার্চে। সেখানে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, সীমান্তভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম এবং জাতিসংঘের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করেন তিনি।
ইউডি/রেজা

