জয়ের পথে থেকেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে সিরিজ হার বাংলাদেশের
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) ২০২৬, আপডেট ২৩:৩০
জিম্বাবুয়ে আর জয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে তখন কেবল মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের শেষ আশাও তিনিই। কিন্তু পারলেন না সেই আশার প্রতিদান দিতে। বাংলাদেশের অধিনায়ককে ফিরিয়ে সতীর্থদের নিয়ে বাঁধনহারা উদযাপনে মেতে উঠলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা। গ্যালারিতে বয়ে গেল উল্লাসের জোয়ার। টিভি ক্যামেরায় ফুটে উঠল বাংলাদেশের ড্রেসিং রুমের ব্যালকনিও। সবাই সেখানে স্তব্ধ, একেকজন যেন মূর্তি!
অথচ শেষের ওই নাটকীয়তার আগেই ম্যাচটি জিততে পারত বাংলাদেশ। জেতার ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যতবারই মনে হচ্ছিল ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে, ততবারই একজন করে ব্যাটসম্যান উইকেট হারান হঠকারী শটে। সেটিই ডেকে আনে পতন। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে দারুণ লড়াইয়ে ১৩ রানে জিতে সিরিজও জিতে নেয় জিম্বাবুয়ে।
আগের ম্যাচে ১৪২ রান তাড়ায় মিরাজের দল হেরে গিয়েছিল ২৫ রানে।
জিম্বাবুয়ের কাছে এই নিয়ে টানা দুটি সিরিজে হারল বাংলাদেশ।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বৃহস্পতিবার জিম্বাবুয়ে ৫০ ওভারে তোলে ২৪৭ রান। বাংলাদেশ ১১ বল আগে গুটিয়ে যায় ২৩৪ রানে।
বোলিং-ব্যাটিং দুই ইনিংসেই একসময় লাগাম ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশের কাছে। জিম্বাবুয়ের রান এক পর্যায়ে ছিল ৬ উইকেটে ১৪৮। সেখান থেকে ৮৩ বলে ৯৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন বেন কারান ও ব্র্যাড ইভান্স।
ইউডি/এবি

