বালিশকাণ্ডে গণপূর্তের প্রকৌশলীসহ ১৩ কর্মকর্তা কারাগারে
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪৬
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের পৃথক তিন মামলায় পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী গোলাম সারোয়ার মনিসহ আরও অনেকে জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে দুদকের পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিন দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল কবির, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, এস্টিমেটর ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রওশন আল উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তাহাজ্জুদ হোসেন, মজিদ সন্স কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী আসিফ হোসেন ও সাজিন কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসেন।

