উত্তপ্ত আসামে গুলিতে নিহত ৫, আক্রান্ত নেতা-মন্ত্রীর বাড়ি

উত্তপ্ত আসামে গুলিতে নিহত ৫, আক্রান্ত নেতা-মন্ত্রীর বাড়ি

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৫৮

কারফিউ, সেনা-আধাসেনার টহলদারি, ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর টুইট আর্জি সব উপেক্ষা করে গতকাল শুক্রবারও আসামের বিভিন্ন প্রান্তে নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে রাস্তায় নামলেন হাজার হাজার মানুষ। দোকান, গাড়ি, বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগাল জনতা। গত রাত থেকে শুক্রবার দিনভর উত্তেজনায় আগুন, পুলিশ ও সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন বিক্ষোভকারী। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এ খবর আনন্দবাজারের। এতে বলা হয়- সরকারি সূত্রে অবশ্য তিন জনের মৃত্যুর কথা জানিয়ে বলা হয়, তিন সুকিয়ায় আগুনে পুড়ে মারা গিয়েছেন নারায়ণ নামে এক প্রৌঢ়। আদতে বিহারের বাসিন্দা নারায়ণ হিজুগুড়ি এলাকায় বাঙালি মালিকানাধীন একটি হোটেলে কাজ করতেন। বিক্ষোভকারীরা হোটেলে আগুন লাগানোয় তার মৃত্যু হয়।  গুয়াহাটির লাচিতনগরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে দীপাঞ্জল দাস নামে সেনা ক্যান্টিনের কর্মী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গুয়াহাটিরই হাতিগাঁও শঙ্কর পথে পুলিশের গুলিতে এক জন মারা গিয়েছেন। তাঁর নাম জানা যায়নি। যদিও বেসরকারি সূত্রের দাবি, শঙ্কর পথে মৃতের সংখ্যা দুই। বশিষ্ঠ নতুন বাজার এলাকাতেও এক জন পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছেন। নাগরিকত্ব বিল (সিএবি) পাশের পরে অসমিয়াদের রোষের মুখে এক দিকে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙালিরা, অন্য দিকে রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরা। ডিব্রুগড়ে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী রামেশ্বর তেলির বাড়িতে হামলার চেষ্টা হলে পুলিশের লাঠি ও গুলিতে বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারী জখম হন। দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।  মুখ্যমন্ত্রীর নিজের এলাকা ছাবুয়ার বিধায়ক বিনোদ হাজরিকার বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। আক্রান্ত হয় মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা শান্তনু ভরালি,  বিজেপির মন্ত্রী রঞ্জিত দত্ত, বিধায়ক আঙুরলতা ডেকার বাড়িও। সকালে অসম গণ পরিষদের গুয়াহাটির আমবাড়ি সদর দফতরে ভাংচুর হয়। মারমুখী জনতাকে ঠেকাতে পুলিশ বহু জায়গায় লাঠি চালায় ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। গুয়াহাটি-সহ বেশ কিছু জায়গায় গুলিও চালায় তারা।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading