ভাঙা হলো ইব্রার মূর্তি

ভাঙা হলো ইব্রার মূর্তি

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৬ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১২:৪৬

ইব্রাহিমোভিচের ওপর ক্ষোভ কোনোভাবেই দমাতে পারছে না সুইডিশ ক্লাব মালমোর প্রতিদ্বন্দ্বীরা। মালমোর প্রবেশ পথে বসানো ইব্রাহিমোভিচের পাথরের মূর্তিটিকে এ নিয়ে চতুর্থবার ভাঙা হলো। এবার দুই পা ভেঙে পুরো মূর্তিটিকে ভূপাতিত করে ফেরা হলো। প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের মূর্তিটি ভাঙার প্রথম কাজ হয়েছিল নভেম্বরে। এরপর ডিসেম্বরের মুরুতে একবার ভাঙা হলেও পরে মেরামত করে আবার জায়গায় বসানো হয়। দু’সপ্তাহ আগে দুবৃত্তরা পায়ের পাতা ও নাক ভেঙে দিয়েছিল মূর্তিটির। গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে পুরো মূর্তিটাই ভেঙে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশাল ওই মূর্তি মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছিল। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ দেখা যায়, গোটা মূর্তি মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। মুর্তির গোড়ালির কাছে করাত দিয়ে কেটে একে শুইয়ে ফেলা হয়েছে। তবে ভোরের আলো ফোটার সময়েই মূর্তি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। মেরামত করে লাগানো হবে। নিউইয়র্কের মেজর লিগ সকারে খেলার পরে পুরোনো ক্লাব এসি মিলানে যোগ দিয়েছেন ইব্রাহিমোভিচ। দিনকয়েক আগে তার হাতে মিলানের জার্সি তুলে দেওয়া হয়। নিজের মুর্তি ভাঙা নিয়ে ইব্রা কোনও মন্তব্য করেননি। বিশ্বের প্রথম সারির ফুটবলারের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছে সারা বিশ্বের ফুটবল কর্মকর্তা, সমর্থক এবং শিল্পপ্রেমীরা। কেন এই কাণ্ড? এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মালমোর সমর্থকরাই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। কারণ, মেজর লিগ সকারের লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি ছাড়ার পর ইব্রা সুইডেনের হামারবি ক্লাবের অংশীদারিত্ব কিনেছেন। সেই ক্লাবের সঙ্গে মালমোর চিরাচরিত দ্বৈরথ। ইব্রার এই সিদ্ধান্তে মালমোর সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হন। ফুটবল ক্যারিয়ারে ইব্রার প্রথম ক্লাব ছিল মালমো। সেই মালমো তাকে এত সম্মান দেওয়ার পর চিরশত্রু ক্লাবের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধাকে ভালো চোখে দেখেননি মালমোর সমর্থকরা। স্টকহোমে ইব্রার বাড়িতেও দিন কয়েক আগে দরজায় কালো রং লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত নেমে কাউকেই এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।

মালমো ডেপুটি মেয়র ফ্রিডা ট্রলমেয়ারের মন্তব্য, ‘ইব্রা কেন ওই ক্লাবের স্টেক কিনতে গেল জানি না। সেই ঘটনার সঙ্গে মিল থাকতে পারে। কিন্তু তা বলে মূর্তি ভাঙা একেবারেই কাক্ষিত নয়।’

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading