টেস্ট ছাড়াই হাসপাতাল থেকে ছুটি: নতুন নিয়মে ইন্ডিয়ায় বিতর্ক

টেস্ট ছাড়াই হাসপাতাল থেকে ছুটি: নতুন নিয়মে ইন্ডিয়ায় বিতর্ক

উত্তরদক্ষিণ শনিবার ০৯ মে ২০২০। ১৭:২০

ইন্ডিয়ায় করোনা সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পােচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কিত শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের নতুন গাইডলাইনে জানানো হয়েছে, জ্বর, সর্দি কাশির মতো মৃদু উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া কোনও রোগী হাসপাতালে ১০ দিন কাটানোর পর তাকে যখন ছেড়ে দেওয়া হবে, তখন আর তার রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করানোর দরকার নেই। পরীক্ষা করে দেখার দরকার নেই, শেষ মুহূর্তে কোভিড-১৯ তার শরীরে আছে কি না।
তবে সরকারের এই গাইডলাইন আগামী দিনে দেশে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছেন দেশটির চিকিৎসকদের একাংশ। খবর আনন্দবাজারের।

শনিবার (৯ মে) প্রকাশ্যে আসা নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ‘খুব মৃদু, মৃদু এবং কোনও উপসর্গ মেলেনি, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে টানা তিন দিন জ্বর আর না এলে, তাদের অক্সিজেন দেওয়ার আর প্রয়োজন না হলে হাসপাতালে ১০ দিন কাটানোর পর ছেড়ে দেওয়া যাবে। আর সেই ডিসচার্জের সময় কোনও রক্তপরীক্ষা, আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর প্রয়োজন নেই। তবে বাড়িতে ফিরে গিয়ে তাদের এক সপ্তাহ আইসোলেশনে থাকতে হবে।’

এই গাইডলাইন নিয়ে ইন্ডিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাস বলছেন, ‘১০ দিন বা ১৪ দিন পর যে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ হবে না, এ ব্যাপারে এখনও তো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানী বা চিকিৎসকেরা। গবেষণা চলছে। এখনও শেষ হয়নি। সে ক্ষেত্রে ১০ দিন কাটানোর পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার সময় যদি রোগীর রক্তপরীক্ষা না করা হয়, তাহলে তিনি যে ততদিনে সংক্রমিত হননি, তার কী নিশ্চয়তা আছে? অনেকে উপসর্গহীনও তো হন। কারণ, বিদেশে দেখা গিয়েছে, ১০ বা ১৪ দিন পরেও কোভিড-১৯ ভাইরাসে রোগী আক্রান্ত হয়েছেন। আর বাড়িতে ফিরে যাওয়ার ফলে সেই রোগীর থেকে তার পরিবার, পরিজন ও প্রতিবেশীদেরও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।’

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading