জেকেজি’র প্রতারণার ব্যাপারে ‘আগেই জানতেন ডিজি হেল্থ’!
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০। আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ । ১১:২৪
পরীক্ষা না করেই নমুনা ফেলে দিয়ে হাজারো মনগড়া কোভিড রিপোর্ট দেয়ার পর জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী এখন বলছেন, প্রতারণার বিষয়ে আগেই জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)। তিনি চেয়ারম্যান নন দাবি করলেও পুলিশ বলছে, তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া তার স্বামী আরিফুল। শিগগিরই ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তারা।
করোনা পরীক্ষার মনগড়া রিপোর্ট দেয়া নিয়ে এখন আলোচনায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। অপকর্মের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সিইও, তার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন কারাগারে। কিন্তু প্রায় ২০ দিন ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে সাবরিনা।

শনিবার (১১ জুলাই) একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সময়টিভি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ডা. সাবরিনা জানান, তিনি নাকি জেকেজির চেয়ারম্যানই নন। অথচ তার স্বামীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৩ মাস ধরে নমুনা সংগ্রহের নামে যে প্রতারণা করেছে জেকেজি, সে কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন ডা. সাবরিনাও। সে সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিজেকে চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। তবে এখন কেন পদ-পদবীর কথা অস্বীকার করছেন? পুলিশ বলছে, জেকেজির প্রতারণা থেকে ডা. সাবরিনার কোনোভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। কারণ. তার স্বামী আরিফ চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডা. সাবরিনার সক্রিয় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
ডা. সাবরিনা বলেন, জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকেও জানিয়েছিলেন তিনি। এ বিষয়ে মহাপরিচালককে বারবার ফোন দেয়া হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে সময়টিভির খবরে বলা হয়।

