ডা. সাবরীনার ‘দুর্নীতি’ খুঁজবে দুদক
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০। আপডেট ২২:০৫
করোনাভাইরাসের ভুয়া প্রতিবেদন দিয়ে জেকেজি হেলথ কেয়ারের ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর সম্পৃক্ততা অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এ জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, সাবরীনার দুর্নীতি খুঁজতে দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতার মনিকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার কমিশনের এক সভায় এই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয় বলেও জানান প্রনব।
জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরী ডা. সাবরীনার স্বামী। সাবরীনা জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত হলেও এখন তিনি তা অস্বীকার করছেন।
আরিফুলকে গ্রেপ্তারের পর জেকেজির দুর্নীতির অনুসন্ধানে গত ১২ জুলাই সাবরীনাকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে বরখাস্ত করা হয়।
করোনাভাইরাসের ভুয়া প্রতিবেদন দিয়ে আট কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছাড়াও সাবরীনার অবৈধ সম্পদের বিষয়েও অনুসন্ধান চালাবেন দুদক কর্মকর্তা মনি। এদিকে, জেকেজি থেকে ডা. সাবরীনার নেয়া ‘বেতনের স্লিপ’ পুলিশের হাতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বরখাস্ত হওয়া বিসিএস ক্যাডারের চিকিৎসক সাবরীনার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে দুদক পরিচালক প্রনব বলেন, সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে ডা. সাবরীনা তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর সহায়তায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তত ও সরবরাহ করেছেন। এর মাধ্যমে সাবরীনা আট কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

