মাছ ধরতে না দেয়ায় সুন্দরগঞ্জে জমির মালিকের ভাইদের উপর হামলা

মাছ ধরতে না দেয়ায় সুন্দরগঞ্জে জমির মালিকের ভাইদের উপর হামলা

সুদীপ্ত শামীম । উত্তরদক্ষিণ
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা): শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আপডেট: ১৪:২৮

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আবাদি জমিতে টেঁটা দিয়ে আলোর মাছ ধরতে না দেয়ায় জমির মালিকের দুই ভাইকে রড দিয়ে মেরে জখম করা হয়েছে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় রাসেল ও আতিক দুই সহোদরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ বামনজল (ডোবাপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জুম্মার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গতিরোধ করে তাদের বেধম মারপিট করে প্রতিপক্ষের লোকজন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ বামনজল গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের আবাদি জমিতে টেঁটা দিয়ে আলোর মাছ ধরতে যায় গোপালচরণ গ্রামের সোলদার মিয়ার ছেলে আশরাফুল ইসলাম। এতে জমির ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আশরাফুলের সাথে আব্দুর রাজ্জাকের বাকবিতন্ডা হয়। পরে মাছ ধরা বাদ দিয়ে জমির মালিককে শাসিয়ে চলে যান আশরাফুল। এরই জের ধরে শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নাম শেষে বাড়ি ফেরার পথে গতিরোধ করে জমির মালিক রাজ্জাকের ছোট ভাই রাসেল (২০) ও আতিকুরকে (১৭) রড দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে আশরাফুলের লোকজন। অভিযুক্ত আশরাফুলের চাচা সোলেমান, জাহেদুল ইসলাম ও তার ছেলে মশিউরসহ অনেকেই তাদের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। এসময় মারপিট থেকে বাঁচতে আতিকুর অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করলে সেখানে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহতদের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক।

আব্দুর রাজ্জাক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে আমার জমিতে টেঁটা দিয়ে মাছ ধরতে আসে আশরাফুল। জমির ধানের চারা নষ্ট হওয়ায় তাঁকে উঠে যেতে বলায় সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে দুজনের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। এরই জেরে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর তার লোকজন আমার ছোট ভাইদের রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর আহত করে। আমি তাদের শাস্তি চাই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading