ছয় মিনিটে ৯০ শতাংশ চার্জ হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি: টেসলা প্রধান

ছয় মিনিটে ৯০ শতাংশ চার্জ হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি: টেসলা প্রধান

উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৮:২৫

বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি দ্রুত গতিতে চার্জ করতে নতুন প্রযুক্তি বানিয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় এক দল গবেষক। টুইট বার্তায় টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, নতুন প্রযুক্তিতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি ৯০ শতাংশ চার্জ করা যাবে মাত্র ছয় মিনিটে।

প্রথাগত গাড়ির মতো বৈদ্যুতিক গাড়িতে কোনো ইঞ্জিন থাকে না। ফলে বৈদ্যুতিক গাড়ির কার্যকরিতা পুরোটাই নির্ভর করে ব্যাটারির ওপর। তবে, ব্যাটারি চার্জিংয়ে ধীর গতি এবং ব্যাটারি যথেষ্ট ক্ষমতাশালী না হওয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়িতে এখনও সীমাবদ্ধ রয়েই গেছে।

প্রযুক্তি সাইট ভার্জের প্রতিবেদন বলছে, বৈদ্যুতিক গাড়ির এই বাধাগুলো পেরোতেই নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি উপাদান বানিয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় গবেষক দলটি।

পোহাং ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক বিয়াংউ ক্যাং এবং ড. মিনকিয়াং কিম এবং সুংকিউকান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক উন-সাব ইওনের দলটি বানিয়েছে নতুন এই প্রযুক্তি।

দলটির এই প্রযুক্তিই প্রথমবার প্রমাণ করেছে যে, চার্জিং এবং ডিসচার্জিং লক্ষ্যণীয় মাত্রায় কমিয়ে ব্যাটারি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন করা সম্ভব। এর জন্য ব্যাটারি কণার আকার ছোট করার দরকার পড়বে না।

ক্যাং বলেছেন, “কণার আকার কমানোর কারণে প্রথাগত প্রক্রিয়ায় সব সময় শক্তির ঘনত্ব কম এবং র‍্যাপিড চার্জ ও ডিসচার্জ গতিতে তারতম্য দেখা যায়।”

এখন পর্যন্ত সব ফাস্ট চার্জিং এবং ডিসচার্জিং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে ইলেকট্রোড উপাদানের আকার ছোট রাখা হচ্ছে। তবে, এই উপাদানের আকার কমানোর কারণে ব্যাটারিতে শক্তির ঘনত্ব কমে যায়।

গবেষক দলটি নিশ্চিত করেছে যে, দীর্ঘস্থায়ী লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে শক্তির ঘনত্ব বা কণার আকার না কমিয়ে উচ্চ শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব।

এই প্রযুক্তির সাফল্যের কারণে ব্যাটারির ৯০ শতাংশ ছয় মিনিটে চার্জ এবং ৫৪ শতাংশ ১৮ সেকেন্ডে ডিসচার্জ হবে, যা উচ্চ-শক্তির লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ইঙ্গিত হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে ভার্জ।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading