হার্ভার্ডে ১০ বার প্রত্যাখ্যাত ধনকুবের জ্যাক মা রহস্য

হার্ভার্ডে ১০ বার প্রত্যাখ্যাত ধনকুবের জ্যাক মা রহস্য

উত্তরদক্ষিণ: সোমবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১১:০১

স্টার্ট আপ বিজনেসের রোলমডেল, বিশ্ববাজারে চীনের বাণিজ্যদূত জ্যাক মা। ফোর্বস পত্রিকার বিচারে পৃথিবীর ৫০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের মধ্যে ২১তম স্থানে তার অবস্থান। ধনকুবের শিল্পপতির পাশাপাশি তিনি একজন বিনিয়োগকারী, সমাজসেবী এবং উদ্যোগতা। একইসঙ্গে তিনি চীনের সাম্প্রতিক অর্থনীতির তীব্র সমালোচক। এই অবস্থায় হঠাত করে জ্যাক মা-র অদর্শন ভাবিয়ে তুলেছে বিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলিকে।

শূন্য থেকে শুরু করে বিশ্বের সেরা বিনিয়োগকারী হয়ে ওঠা যাক জ্যাক মা’র চলার পথ।

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের হাংঝৌতে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। জন্মের পরে তার নামকরণ হয়েছিল মা ইউন। খুব ছোট থেকে ইংরেজি শিখতে শুরু করেছিলেন নিজের চেষ্টায়। স্থানীয় হোটেলগুলিতে গিয়ে তিনি ইংরেজিতে কথা বলতেন পর্যটকদের সঙ্গে।নপত্রমিতালির সাহায্যে চর্চা চালাতেন ইংরেজি ভাষার। কিন্তু তার দূরের বন্ধুরা কেউ তার ‘মা ইউন’ চীনা নামটি উচ্চারণে স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। তাই তাদের সুবিধের জন্য তিনি ‘জ্যাক’ নাম নিয়েছিলেন।

বহু চেষ্টায় কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন মা। তিন বারের চেষ্টায় মা সফল হন সেই পরীক্ষায়। তার কোর্সের বিষয় ছিল ইংরেজি। মা-এর দাবি, তিনি ১০ বার চেষ্টা করেছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ফিরিয়ে দেয় এই প্রতিষ্ঠান। প্রত্যাখ্যানের ব্যর্থতা সহ্য করতে হয়েছে এর পরেও। তিনি জানিয়েছিলেন অন্তত ৩০ বার চাকরির চেষ্টায় তার মুখের উপর দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

১৯৯৪ সালে জীবনে প্রথম বার ইন্টারনেটের সঙ্গে পরিচীত হন তিনি। সে বছরই শুরু করেছিলেন নিজের সংস্থা, হাংঝৌ হাইবো ট্রান্সলেশন এজেন্সি।

১৯৯৫ সালে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে আমেরিকায় গিয়েছিলেন মা। তখনই বুঝতে পেরেছিলেন আগামী দশক হতে চলেছে ইন্টারনেটের। সে বছরই স্ত্রী ও বন্ধুদের সঙ্গে ‘চায়না ইয়েলো পেজেস’ নামে একটি ওয়েবসাইট শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে ১৮ জন বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেন ‘আলিবাবা’। এই সাইট শুরু হয়েছিল তার নিজের বাড়িতে।

২০১৪ সালে আইপিও হিসেবে আলিবাবা নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে পেরিয়ে যায় আড়াই হাজার কোটি ডলার।

মহামারিতেও বিশ্বের বাকি ধনকুবেরদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সম্পত্তি বেড়েছে জ্যাক মা-এর।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading