বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া বন্ধন রক্তের অক্ষরে লেখা: ড. হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া বন্ধন রক্তের অক্ষরে লেখা: ড. হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ । আপডেট ১৮:০৫

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মানুষের মৈত্রীর বন্ধন রক্তের অক্ষরে লেখা। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে ইন্ডিয়ার ঐতিহাসিক অবদান বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না এবং তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইন্ডিয়ার ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ ইন্ডিয়ায় আশ্রয় নিয়েছিল। পাকিস্তান সরকারের ফাঁসির আদেশের পর বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করার জন্য তৎকালীন ইন্ডিয়া সরকার পৃথিবীর দেশে দেশে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছিল। ইন্ডিয়ার এ অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারব না। ১৯৭১ সালে ত্রিপুরার সহযোগিতার জন্য সেখানকার জনগণ ও তৎকালীন রাজ্য সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান ড. হাছান। তিনি বলেন, ত্রিপুরাকে নিয়ে আমার আবেগ এবং উচ্ছ্বাস রয়েছে। আমরা দুই দেশের মানুষ হলেও আমাদের ভাষা এক, সংস্কৃতিরও মিল রয়েছে, আমরা একই পাখির কলতান শুনি।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দে বলেন, বিশ্বে আজ বাংলাদেশের মানুষের বুক টান করে হাঁটে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ফলে দুদেশের শত্রুরা কখনো সফল হতে পারবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বছর একাত্তর সালেই আমার জন্ম। সে কারণে বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে আমার জন্মের একটা ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম বিদেশ সফর হবে বাংলাদেশে।

আলোচনা শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জীবনভিত্তিক ‘হাসিনা : এ ডটারস টেল’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয় এবং বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

আরও বক্তব্য দেন, ত্রিপুরার তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বাংলাদেশের মমতাজ বেগম, সাইমুম সারওয়ার কমল, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন, ভারতে বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার, আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার প্রমুখ।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading