ভবিষ্যতের পৃথিবী কেমন জানাবে মিউজিয়াম অব দ্য ফিউচার
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ । আপডেট ২১:২৫
দুবাইয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ‘মিউজিয়াম অব দ্য ফিউচার’নামের একটি জাদুঘর। একে বিশ্বের সুন্দরতম স্থাপত্য বলে অভিহিত করা হচ্ছে। সাত তলা উপবৃত্তাকার ভবনটি ৩০ হাজার বর্গ মিটারজুড়ে বিস্তৃত ও ৭৭ মিটার উঁচু। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে পৃথিবীর উচ্চতম ভবন বুর্জ খলিফার পাশেই এই নবনির্মিত ভবনটি।
রোবটের মাধ্যমে বিশেষভাবে তৈরি করা ১০২৪টি অংশ দিয়ে এই ভবনটি গঠিত। এই অংশগুলোর প্রতিটিই একেকটি স্বতন্ত্র শিল্পকলার নমুনা। উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মূলত স্টেনলেস স্টিল। কিন্তু ইস্পাত ছাড়াও ব্যবহার করা হয়েছে চারটি স্তর নিয়ে গঠিত এমন একটি সংকর ধাতু, যা ১৬টিরও বেশি ধাপের মধ্য দিয়ে উৎপাদিত হয়।
নির্মাতারা জানান, নতুন জাদুঘরটি ‘ভবিষ্যতবাদী চিন্তাবিদ, উদ্ভাবক এবং জনসাধারণকে একত্রিত করার একটি প্রতিশ্রুতি’ স্বরূপ। এটি একই সঙ্গে বিজ্ঞান চেতনাকে লালন করে এবং ভবিষ্যতে পৃথিবীর চেহারা কেমন হতে পারে, তার পথ দেখায়।
নির্মাতাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি এমন একটি জাদুঘর, যা মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টিভঙ্গির একটি স্থায়ী প্রদর্শনী। তাদের আশা, এটি ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা, উদ্ভাবন ও মানব উন্নয়নের বাধা-বিপত্তিগুলোর সমাধান ও সুযোগগুলোর বিকাশের জন্য বিশ্বের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে।
ভবনের সম্মুখভাগটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ১৮ মাসেরও বেশি। ১০২৪টি প্যানেল বেছে নেওয়ার কারণ হলো, এটি ১০২৪টি চরিত্র নিয়ে গঠিত এক কিলোবাইটকে নির্দেশ করে। গোটা ভবনের আলোকবর্তিকার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ কিলোমিটার। দুবাইয়ের শাসক শেখ মহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের তিনটি উদ্ধৃতি এই ভবনের দেওয়ালে নকশার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
ইউডি/সুপ্ত

