যানজট নিরসন: নতুন প্রকল্পের চেয়ে চলমান প্রকল্প উন্নয়নই উত্তরণের পথ
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২ । আপডেট ১৪:১৫
ঢাকা মহানগরীর অন্যতম সমস্যা যানজট। বিগত দিনগুলোতে পরিবহন পরিকল্পনা ও নগর পরিকল্পনার নানাবিধ উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সড়ক ও অবকাঠামোগত প্রকল্প নেয়া হলেও এর সুফল তেমন একটা দৃশ্যমান হচ্ছে না। এক্ষেত্রে নতুন প্রকল্পের চেয়ে চলমান প্রকল্প উন্নয়নই উত্তরণের পথ। তাই যানজট সমাধানের জন্য ফুটপাত উদ্ধার ও উন্নত বাস সার্ভিস চালু, র্নিদিষ্ট পার্কিং ও বিকেন্দ্রীকরণ জরুরী। বিস্তারিত জানাচ্ছেন সাইফুল ইসলাম।
ঢাকার টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলবার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে ঢাকা কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরী করা হয় যার আলোকে মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি প্রকল্পসমূহ ঢাকা নগরীতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে নতুন প্রকল্প ও নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের আগে রাস্তা ও ফুটপাত দখল মুক্ত করে উন্নত গণ পরিবহণ চালু করেও যানজট নিরসন সম্ভব। পরিবহন বিশেষজ্ঞ এস এম সালেহ উদ্দিন নতুন প্রকল্প নেয়ার থেকেও রাস্তা সংস্কারে জোর দিয়েছেন। তার মতে, ঢাকা শহরে চলমান উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে মানুষ বিরক্ত হয়ে গেছে। এছাড়া এসব কাজ দ্রুত শেষ করা এবং বাস রুট র্যাশনালাইজেশন বাস্তবায়নে মত দেন তিনি।
সাশ্রয়ী ব্যয়ে রেলপথ উন্নয়ন
ঢাকার যানজট নিরসনে যুগান্তকারি হতে পারে সাশ্রয়ী ব্যয়ে রেলপথ উন্নয়ন। ঢাকা শহরে যেটুকু রেল পথ আছে সেটুকু সাশ্রয়ী ব্যয়ে উন্নত করা গেলে কিছুটা সড়ক নির্ভরতা কমে যাবে। তাতে অল্প হলেও যানজট নিরসন করা সম্ভব। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ কিংবা কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর আলাদা কিছু ট্রেন সার্ভিস চালু হলে ব্যয়ও কমবে, সড়কে যানজটও কমবে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মইনুল ইসলামের মতে, ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (টিওডি), কমিউটার রেল এর উন্নয়ন এর মাধ্যমে ঢাকার উপর পরিকল্পিত উপায়ে চাপ কমানো সম্ভব। পাশাপাশি সড়ক-রেল-জলপথের মাল্টিমোডাল ইন্টিগ্রেশন এর মাধ্যমে ঢাকার টেকসই সড়ক যোগাযোগ তৈরি করা সম্ভব।
পথচারীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণ
দেশে রাস্তায় ফুটপাত থাকলেও নেই তার ব্যবহার। দখলের কবলে ফুটপাত। ফুটপাত উদ্ধার ও নতুন করে পথচারীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণ যানজট নিরসনে ভুমিকা রাখতে পারে। নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা করতে কিংবা জনচলাচলের জন্য সড়কে ফুটপাত রাখার বিধান রয়েছে আইনে। তবে কত ফুট প্রস্থের ফুটপাত রাখতে হবে সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। এরপরও অন্তত দুজন মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে-এমন ৪-৫ ফুট প্রস্থের ফুটপাত রাখা জরুরি-এমন মন্তব্য সড়ক নির্মাণসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের। শুধু ফুটপাত নয়, কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়কও গিলে খেয়েছে অবৈধ দখলদাররা। বিশেষ করে সড়কের পাশের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি বা ভবন মালিকরা ফুটপাত দখলে এগিয়ে রয়েছেন।
গণ পরিবহণ
রাস্তায় গণ পরিবহন বাড়ানো ও তার সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করতে পারলে যানজট নিরসন সম্ভব। ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) পরিচালক ও শেলটেক কনসালটেন্টস লিমিটেড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মন্তব্য করেন, সাবওয়ের মত উচ্চ ব্যয়নির্ভর প্রকল্প আমাদের নগর ব্যবস্থাপনায় কাংখিত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে না। এর পরিবর্তে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি ঢাকার আশেপাশে পরিকল্পিত টাউনশিপ গড়ে তোলবার মাধ্যমে ঢাকার উপর চাপ কমানোর উপর তাগিদ দেন তিনি। একইসাথে মানসম্মত বাস সার্ভিস গড়ে তোলবার মাধ্যমে ঢাকার সাথে আঞ্চলিক যোগাযোগ টেকসই ও কার্যকর করবার পরামর্শ দেন এই আইপিডি’র এই পরিচালক।
অফিসের সময়সূচি ব্যবস্থাপনা
সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের অফিসের সময় ৯টা থেকে ৫টা। লাখো কর্মকর্তা-কর্মচারী সকাল ৯টায় অফিস ধরতে ঘর থেকে বের হন বলেই শহরে কেয়ামত শুরু হয়ে যায়। ঠিক যেমন হয় সন্ধ্যার সময়। গণপরিবহনে সিটে বসা তো দূরের কথা, দাঁড়ানোর জায়গাও থাকে না। এক্ষত্রে কিছু প্রতিষ্ঠানের অফিস যদি রাতে করা যায় তাইলে অফিস যাত্রা দুই সময়ে হবে। তাতে রাস্তার চাপ ভাগ হয়ে গিয়ে যানজট কমতে পারে।
পার্কিং
যে কোনো দেশের মেগাসিটিতে মোট জায়াগার ২৫ ভাগ রাস্তা থাকা আবশ্যক। কিন্তু রাজধানী ঢাকায় রাস্তা আছে মোট ৮ শতাংশ। এই ৮ শতাংশ রাস্তার বিভিন্ন জায়গা ব্যবহৃত হচ্ছে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। যা যানজট সৃষ্টির পেছনে অন্যতম কারণ। এক্ষেত্রে প্রতি অফিস ও বাসায় পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা করা, যাদের নেই তাদের অন্যত্র পার্কিং ব্যবস্থা করে গাড়ি রাখতে হবে। তাতে সড়কে পার্কিং না হলে গাড়ি চলার হার বৃদ্ধি পেয়ে যানজট কমবে।

বিকেন্দ্রীকরণ
কার্যকর স্থানীয় শাসন এবং ডিজিটাল প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষমতা ও শাসনব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করে ঢাকার বাইরে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সেবা-চাকরি-নিরাপত্তা ইত্যাদি নিয়ে যাতে হবে। নগরায়ণের, কর্মের, শিক্ষার, স্বাস্থ্যের, নিরাপত্তার; অর্থাৎ জীবনের সব ঘটনা ও প্রয়োজনের একমুখী ঢাকাকেন্দ্রিক স্রোত থামাতে হবে। মানুষ যেখানে বসবাস করে সেখানেই তাকে জন্মসনদ থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পাসপোর্ট, পুলিশি সেবা এবং সর্বোপরি কর্মের জোগান দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে উন্নত স্কুল-মাদ্রাসা, হাসপাতাল, ব্যাংকিং সেবা, বিনোদনকেন্দ্র এবং শিল্প, উদ্যোক্তালয়সহ নিবিড় নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে মানুষকে ঢাকা থেকে সরাতে হবে।
থানা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানান্তর
প্রাথমিক পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিজ ওয়ার্ডের সীমানায় এবং প্রত্যেক মাধ্যমিক শিক্ষার্থীকে নিজ থানায় অবস্থিত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানে বাধ্য করতে হবে। এতে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং যানজট কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার ভেতরে অবস্থিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঢাকা সিটির বাইরে নেয়ার আদেশ থাকলে বাস্তাবয়ন হচ্ছে কম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকার বাইরে গেলে ঢাকার যানজট কমবে অনেকাংশ।
উন্নয়ন কাজের সমন্বয় জরুরী
জনদুর্ভোগ লাঘবে ট্রাফিকসহ প্রতিটি জরুরি সেবাসংস্থা দ্রুত সমন্বিতভাবে কাজ করলে নাগরিক সমস্যা সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। একইসঙ্গে জরুরি সেবার প্রয়োজনীয় উপকরণগুলোও পুলিশের হাতে থাকা জরুরি।যেন দ্রুত যেকোনও রাস্তা মেরামত, পানি নিষ্কাশন ও ডিভাইডার অপসারণ করে সহজে মানুষকে সেবা দেওয়া যায়। এছাড়া যেখানে-সেখানে ডিভাইডার ও রাস্তা কাটা ও ক্রসিং তৈরি করা যাবে না। এ জন্য একটি ট্রাফিক কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটি অনুমোদন না দেওয়া পর্যন্ত কোনও প্রকার রাস্তা কাটা ও ক্রসিং সৃষ্টি করা যাবে না। প্রভাবশালীদের অনুরোধে যেখানে ডিভাইডার কেটে ক্রসিং তৈরি করা হয়েছে, সেগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। কোথায় ডাইভারসনের প্রয়োজন, সেটা ট্রাফিক কমিটি ঠিক করবে। অবৈধ পার্কিং বন্ধে প্রত্যেকটি জোনে একটি করে টিম গঠন করা জরুরি।
পাতাল রেলও সমাধান নয়
যানজট নিরসনে পাতাল রেলও সমাধান নয় বলছে বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, পাতাল রেল নির্মাণে যে ব্যয় হবে তার খুবই সামান্য ব্যয়ে রাস্তা ও ফুটপাত নির্মাণ ও সংস্কার করলে সুফল পাওয়া যাবে। তারা বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব দেশে পাতালরেল নির্মাণ করা হয়েছে, সেসব দেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় আমাদের চেয়ে ২০ থেকে ৪০ গুণ বেশি। ঢাকার সমস্যা সমাধানে তিনি সাশ্রয়ী ব্যয়ে রেলপথ উন্নয়ন, পথচারীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণ ও বাসসেবাকে উন্নত করার পরামর্শ দেন তারা।

সিলেটের পদক্ষেপ ঢাকায়
সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় এলাকায় যানজট বেড়ে গিয়ে এক দুর্ভোগময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সিলেট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ উদ্যোগী হয়েছে। প্রথমে চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার-বন্দরবাজার সড়কে রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপর ওই সড়কে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। ফলে সেদিন ওই এলাকায় যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। এ ধরনের পদক্ষেপ সাধারণত সাময়িক হয়ে থাকে এবং সে কারণে টেকসই হয় না; ফলে কিছুদিন পরই যানজট ও বিশৃঙ্খলা আগের অবস্থায় ফিরে এসে হতাশা সৃষ্টি করে। কিন্তু সিলেটে এবার খানিকটা ব্যতিক্রম লক্ষ করা যাচ্ছে। উল্লিখিত রাস্তাসহ নগরীর কেন্দ্রীয় এলাকায় রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করার আগে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। যারা ফুটপাতে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করতেন, তারা যেন জীবিকার তাগিদে কিছুদিন পরই আবার ফিরে না আসেন, সে জন্য তাদের অন্যত্র পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাতে বেশ সুফল পাচ্ছে সিলেট নগরী। সিলেটের পদক্ষেপ ঢাকায় নেয়া হলেও মনিটরিং করা হলে সিলেটের মত ঢাকাবাসীও সুফল পাবে।
দায়িত্ব চান মেয়র আতিক
প্রতিদিন অসহনীয় যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে। এতে নষ্ট হচ্ছে কর্ম ঘণ্টা। বাড়ছে জনভোগান্তি। তাই রাজধানীর যানজট নিরসনে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগকে নিজের কর্তৃত্বে চান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। মেয়র বলেন, রাস্তা আমার কিন্তু তাতে কতগুলো গাড়ি চলবে এটা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমার নেই। তাহলে কীভাবে হবে? রাস্তা আমাদের অধীন কিন্তু ট্রাফিক আপনার আওতায়, তাহলে তো হবে না।
এছাড়া দায়িত্ব পেলে সকলকে ডেকে অনুসন্ধান করে কোথায় কোথায় ট্রাফিক সমস্যা তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেন জানান তিনি। মেয়র বলেন, মান্ধাতার আমলের হাত দিয়ে গাড়ি থামানোর সিস্টেম বিশ্বের কোথাও এখন নেই। কেন আমরা এ কাজ ট্রাফিক লাইটের মাধ্যমে করতে পারি না? ডিজিটাল মাধ্যমে কেন পারি না?
পরিকল্পনাবিদ মোঃ আশরাফুল ইসলাম – রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) এর প্রকল্প পরিচালক ও পরিচালক, ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি) বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় অঞ্চল পাতাল রেল নির্মাণের জন্য উপযুক্ত হলে ও ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য অঞ্চল এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য সাবওয়ে নির্মাণের জন্য যথাযথ নয়। ফলে ঢাকার আশেপাশে পাতাল রেলের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে ব্যয় হবে তুলনামূলক অনেক বেশি। ঢাকার পরিবহন পরিকল্পনা ও বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত রিং রোড, রেডিয়াল রোড, বৃত্তাকার রেলপথ প্রভৃতি উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব বলে মত দেন এই পরিকল্পনাবিদ।
ঢাকার ট্রাফিক ও পরিবহন পরিকল্পনায় যতগুলো সম্ভাব্য প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে, সেগুলো যদি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলেও ঢাকার যানজট নিরসন করা যাবে না, যদি না সারাদেশের আঞ্চলিক উন্নয়নের বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ঢাকামুখী জনস্রোত না কমানো যায়। ঢাকাতে যে কোন বড় অবকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনা ব্যয়সমূহের নির্মোহ বিশ্লেষণ করেই ঢাকার ট্রাফিক সমস্যা নিরসনে প্রকল্প প্রণয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের পরামর্শ দেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা।
ইউডি/অনিক

