আত্মসমর্পণ করা ১০১ ইয়াবা কারবারির দেড় বছরের কারাদণ্ড
২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ সদরের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি তিন লাখ পিস ইয়াবা, দেশে তৈরি ৩০টি বন্দুক ও ৭০টি গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেন।
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:৪৭
কক্সবাজারের টেকনাফে আত্মসমর্পণ করা ১০১ ইয়াবা কারবারির প্রত্যেককে মাদক মামলায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অস্ত্র মামলায় সবাইকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এই রায় দেন।
রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টার দিকে ১৭ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। বাকি আসামিরা জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই ১৭ জন হলেন—মো. তৈয়ব, মোহাম্মদ হাশেম, মো. শাকের মিয়া, ফরিদ আলম, জাফর আলম, আবু তৈয়ব, নুরুল হুদা মেম্বার, আলী নেওয়াজ, আব্দুল করিম, কামাল হোসেন, মাহবুব আলম, রশিদ আহমেদ, নূরুল বশর, মো. আইয়ুব, আব্দুর রহমান, শাহ আলম ও দিল মোহাম্মদ।
২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ সদরের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি তিন লাখ পিস ইয়াবা, দেশে তৈরি ৩০টি বন্দুক ও ৭০টি গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেন।
সেদিনই তাদের আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করা হয়। মামলার বাদী টেকনাফ থানার ওই সময়ের পরিদর্শক (অপারেশন) শরীফ ইবনে আলম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় পরিদর্শক এ বি এম এস দোহাকে।
পরদিন আদালতের মাধ্যমে সব আসামিকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিচারিক কার্যক্রম চলার সময় ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদ রাসেল নামে এক আসামি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এরপর ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে ১০১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। পরে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। সে বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল সব আসামির উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করেন।
ইউডি/এআই

