মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির কেন এত পছন্দ, জানতে চান হাছান মাহমুদ

মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির কেন এত পছন্দ, জানতে চান হাছান মাহমুদ
ফাইল ছবি

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:২৯

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে অনীহা এবং মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির এত পছন্দ কেন তা জানতে চান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এর পেছনে দলটির দুরভিসন্ধি রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক মত বিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী। মিসরে অনুষ্ঠিত ‘কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ বিষয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বিএনপিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আলোচনার সময় তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তাদের সেখানে অনীহা কেন?’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রাস্তায় সভা করলে গাড়ি ভাঙা যায়। মাঠের বিকল্প মাঠ হতে পারে। কিন্তু তারা তা বলে না। মতিঝিলের রাস্তা তাদের কেন এত পছন্দ? কারণ, এটি ঢাকা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তা। এখানে অনেক ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাহলে কেন তারা সেখানে সমাবেশ করতে চায়? এর পেছনে নিশ্চয়ই দুরভিসন্ধি রয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তায় সমাবেশ করলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হয়। এটা কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য হতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো জনসভা করতে চায় না। ইস্যু তৈরি করতে চায়, বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়। সরকার দেশে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। কেউ এ চেষ্টা চালালে দলের নেতারা জনগণকে নিয়ে তা প্রতিহত করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারা (বিএনপি) শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়, গাড়ি-ঘোড়া ভাঙচুর করতে চায়, জনজীবনে বিপত্তি ঘটাতে চায়। দেশের নাগরিকরাও রাস্তায় সভা করার বিপক্ষে। কিন্তু তারা রাস্তা চেয়ে বেড়াচ্ছে। এটি তো কোনোভাবেই একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। মাঠের বিকল্প হিসেবে তারা আরেকটি মাঠের কথা বলতে পারে। সেটা বলে না। বলে এ রাস্তা না হলে ও রাস্তা।’

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading